क्षेत्रीय

Blog single photo

ধুবড়ির ভারত-বাংলা সীমান্তে ফের নৌকা বোঝাই ১৬টি চোরাই গরু উদ্ধার, গ্ৰেফতার চার

17/10/2020

দক্ষিণ শালমারা (অসম), ১৭ অক্টোবর (হি.স.) : ধুবড়ি জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ব্রহ্মপুত্র নদে অভিযান চালিয়ে ফের একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা বোঝাই ১৬টি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে দক্ষিণ শালমারা থানার পুলিশ। সেই সঙ্গে চার গরু পাচারকারীকে গ্ৰেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের যথাক্ৰমে দক্ষিণ শালমারা থানা এলাকার মুঠাখোয়া গ্ৰামের তাদের আলির ছেলে সাইদুল ইসলাম (২০), গোলাপ উদ্দিনের ছেলে বাহার আলি (৪০), নুর আলির ছেলে পহচান আলি (২৫) এবং শুকুর আলির ছেলে সাইদুল ইসলাম (২৩) বলে পরিচয় পাওয়া গেছে। 

পুলিশ সূত্ৰে জানা গেছে, দক্ষিণ শালমারা থানার অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর (এএসআই) আহমেদ আলির নেতৃত্বে আজ শনিবার ভোরে বংশীরচর এলাকায় ব্ৰহ্মপুত্ৰ নদে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের অভাযানকারী দলটি নদের ওপর ইঞ্জিন চালিত নৌকায় চোরাই গরু সমেত চার পাচারকারীকে আটক করে। এর পর আজই দুপুরের দিকে চার ধৃতকে ধুবড়ি আদালতে পেশ করা হয়। আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

প্ৰসঙ্গত, ধুবড়ি জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গরু পাচারকারীর একটি চক্ৰ বিএসএফ জওয়ানদের চোখে ধুলো দিয়ে বাংলাদেশে গরু পাচার করে। এর আগেও বহুবার পুলিশ এবং বিএসএফ-এর হাতে গরু সমেত পাচারকারীরা ধরা পড়েছে। সীমান্ত এলাকায় কড়া নিরাপত্তা বাহিনী থাকা সত্ত্বেও অবৈধভাবে গরু পাচার পুরোপুরি ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না। 

এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, গত বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর দক্ষিণ শালমারা-মানকাচর জেলার দক্ষিণ শালমারা থানার পুলিশ বাংলাদেশে পাচারের পথে ১৩টি গরু উদ্ধার করেছিল। গরুগুলি ব্রহ্মপুত্র নদের ওপারে বাংলাদেশে পাচারের সময় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এর সঙ্গে গরু পাচারে ব্যবহৃত যন্ত্ৰচালিত একটি নৌকাও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। তবে পুলিশ দেখে ব্রহ্মপুত্রে ঝাঁপ মেরে পালিয়েছ গরু পাচারকারীরা। এর আগে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ধুবড়ি জেলারই ফকিরগঞ্জ থানা এলাকার মাটিফাটায় ব্রহ্মপুত্রের বুকে অভিযান চালিয়ে একটি যন্ত্ৰচালিত নৌকা বোঝাই চোরাই ৫০টি গরু সহ জনৈক শুকুর আলি (৩৮) নামের পাচারকারীকে গ্ৰেফতার করেছিল দক্ষিণ শালমারা পুলিশ। 

হিন্দুস্থান সমাচার / রিংকি / এসকেডি


 
Top