क्षेत्रीय

Blog single photo

অসমে নয়া চার করোনা-আক্ৰান্তের তথ্য, সংখ্যা বেড়ে ২০

03/04/2020

গুয়াহাটি, ৩ এপ্রিল (হি.স.) : অসমে বেড়েছে কোভিড-১৯ নোভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। শুক্রবার আরও চারজনের শরীরে এই অদৃশ্য ঘাতকের অবস্থিতি ধরা পড়েছে। এ নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২০-এ। দুঃসংবাদটি আজ রাত ৭:০৬ মিনিটে ট্যুইট করে জানিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা। মন্ত্রী জানান, আজ যাঁদের আক্ৰান্ত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে তাঁদের মধ্যে তিনজন নলবাড়ি এবং একজন দক্ষিণ শালমারার৷ 

অন্য সূত্রে জানা গেছে, দিল্লির হজরত নিজাম‌উদ্দিন মরকজে তবলিগ-ই জামাতের সমাবেশে যোগ দিয়ে ১৯ মাৰ্চ থেকে ২২ মাৰ্চ পর্যন্ত এই তিনজন নলবাড়ি ও দক্ষিণ শালমারায় এসেছিলেন একজন। দক্ষিণ শালমারার ব্যক্তি একটি মসজিদের ইমাম এবং মাদ্ৰাসা শিক্ষক। নাম আশরফ আলি। দিল্লি থেকে এসে তিনি বিভিন্ন মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন। নিজামউদ্দিনের ভয়ংকর খবর আসার পর দুদিন আত্মগোপন করেছিলেন আশরফ আলি। এদিকে নলবাড়ির তিনজনও মোল্লাপাড়ায় আত্মগোপন করেছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার তাদের ধরে গুয়াহাটির সরুসজাইয়ে নির্মিত অস্থায়ী কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে আনা হয়েছিল। বৰ্তমানে তাদের গুয়াহাটির এমএমসি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

অসমে কোভিড-১৯ পজিটিভ রোগী বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৩ জন ছিল। এঁদের মধ্যে জাগিরোডের ৩, নলবাড়ির এক, করিমগঞ্জের এক এবং বাকি ৮ জন গোলাঘাট জেলার। গোলাঘাট জেলার আক্ৰান্তরা যথাক্ৰমে, ওয়াহিদা বেগম (দেড়গাঁও), আনোয়ার হুসেন (দেড়গাঁও), আইদর আলি (মরঙি), ইয়াকুব আলি (মেরাপানি), জেসমিনা বেগম (মেরাপানি), সালেহা বেগম (মেরাপানি), এলিনা বেগম (মরঙি) এবং রুমা বেগম (মেরাপানি)। যোরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষার পর তারা কোভিড-১৯ আক্ৰান্ত বলে চিহ্নিত হয়েছিলেন। এছাড়া নলবাড়ির মহম্মদ আরশাদ আলি (১৯), জাগিরোডে মহম্মদ হজরত আলি (৬০), মহম্মদ নুরউদ্দিন (৫৫) এবং মহম্মদ জোনাব আলি (৪৬) নামের চারজন বুধবার করোনা-আক্রান্ত বলে চিহ্নিত হয়েছিলেন। 

আক্ৰান্ত ২০ জনের সকলেই নিজামউদ্দিন মরকজ তবলিগ-ই জামাত-ফেরত। গত মঙ্গলবার রাজ্যে সর্বপ্রথম আক্রান্তের তালিকায় নাম আসে করিমগঞ্জ জেলার অন্তর্গত বদরপুরের ৫২ বছর বয়সি মুফতি জামাল উদ্দিনে। এদিকে অসমের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাড়া দিল্লিতে রাজ্যের আরও চারজনের শরীরে কোভিড-১৯ পজিটিভের হদিশ পাওয়া গেছে। তাঁদের দিল্লিতেই চিকিৎসা চলছে। 

হিন্দুস্থান সমাচার / এসকেডি


 
Top