क्षेत्रीय

Blog single photo

করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যের খাদ্য বন্টন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন প্রদীপ ভট্টাচার্য

06/04/2020

শুভঙ্কর দাস
কলকাতা, ৬ এপ্রিল (হি. স.): করোনা রোধে গোটা দেশজুড়ে লকডাউন চলছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যবাসীর জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের তরফ থেকে রেশনের মাধ্যমে চাল, ডাল দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এই খাদ্য গণবন্টন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য। 

সোমবার বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ জানিয়েছেন, রেশনের যে চাল, ডাল জনগণের পাওয়ার কথা, তা রাজ্যের শাসকদলের প্রভাবিত ক্লাবগুলিতে মজুত করা হচ্ছে। হাওড়া জেলার বেলগাছিয়াতে এমন ঘটনা ঘটেছে। সরকারের তরফ থেকে যে পরিমাণ চাল, ডাল বরাদ্দ করা হয়েছিল। তার থেকে পরিমাণে কম খাদ্য শস্য পাচ্ছে মানুষ। মুখ্যমন্ত্রী নিজে মুখে বলছেন সকলকে সমান চোখে দেখতে। কিন্তু ওনার অনুগামীরা সেই কথা শুনছে না। মানুষের রাজনৈতিক রঙ দেখে খাদ্য বন্টন করা হচ্ছে।গত মার্চে মুখ্যমন্ত্রীর ডাকে হওয়া সর্বদলীয় বৈঠক সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেন, করোনা নির্মূল করতে প্রশাসনকে বিপুল পরিমাণে টেস্টিং করানোর কথা বলা হয়েছিল। কারণ করোনার যে কেরিয়ার বা ধারক তাকে নির্ধারণ করতে টেস্টিং করাটা জরুরী। কিন্তু সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন পর্যাপ্ত পরিমাণে টেস্টিং কিট নেই। 
রবিবার দিন গোটা দেশজুড়ে রাত নটার সময় প্রদীপ ও মোমবাতি প্রজ্জলন সম্পর্কে বলতে গিয়ে বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভালো করেই জানেন প্রদীপ ও মোমবাতি জ্বালিয়ে করোনা রোধ করা যায় না। রাবণকে হারিয়ে রামচন্দ্র যখন অযোধ্যায় ফিরেছিলেন তখন দীপাবলি উদযাপিত হয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী কাকে হারিয়ে এই দীপাবলি উদযাপন করলেন। বিজেপি কর্মীরাই ওদিন বাজি ফাটিয়েছে। প্রদীপবাবু মনে করেন জনসংঘ থেকে বিজেপি দল প্রতিষ্ঠার স্মরণে এই প্রদীপ প্রজ্বালন কর্মসূচি দেশবাসীকে দিয়ে করিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কারণ ৫ ই এপ্রিল রাতে অটল বিহারি বাজপেয়ির বাড়িতে বিজেপি গঠনের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি হয়েছিল। তিনি আরো বলেন, বিদেশ থেকে আসা বিমানের ওপর যদি আগে থাকতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতো। তবে ভারতবর্ষে করোনা এতটা সংক্রমিত হত না।হিন্দুস্থান সমাচার


 
Top