ट्रेंडिंग

Blog single photo

এনআরসি জারি করে অনুপ্রবেশকারীদের উচ্ছেদ করবে বিজেপি , হুঁশিয়ারি অমিতের

02/12/2019

শুভঙ্কর 

রাঁচি, ২ ডিসেম্বর (হি.স.) : গোটা দেশে এনআরসি জারি করে অনুপ্রবেশকারীদের উচ্ছেদ করবে বিজেপি। সোমবার ঝাড়খন্ডের চক্রধরপুরের নির্বাচনী জনসভা থেকে এমনই ভাষায় হুঁশিয়ারি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। 
 সোমবার ঝাড়খন্ডে বিজেপির রাজ্য সভাপতি লক্ষণ গিলুওয়ার সমর্থণ চক্রধরপুরের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ জানিয়েছেন, উন্নয়নের জন্য কাজ করে চলেছে বিজেপি। দুর্নীতিমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রদান করাই বিজেপির লক্ষ্য। সুশাসনের জন্য গোটা বিশ্বে সমাদৃত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসের আমলে বিগত পাঁচ বছরে উন্নয়ন আদিবাসীদের বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছিয়ে গিয়েছে। বিরসা মুন্ডার জন্য আগের সরকার কোনও প্রকারের স্মারক তৈরি করেনি। কিন্তু বিজেপি সরকার আসার পর তাঁর জন্মস্থানে স্মারক তৈরি করা হয়। মোদী সরকার দেওঘরে এইমস তৈরি করেছে। দেওঘর, বোকারো, দুমকা এবং জামশেদপুরে বিমানবন্দর গড়ে তোলা হয়েছে। রাঁচিতে ক্যান্সার হাসপাতাল । হাজারিবাগ, পালামৌ, দুমকায় মেডিক্যাল কলেজ বানানো হয়েছে । প্রধানমন্ত্রীর ফসল বীমায় উপকৃত হয়েছে ২০ লক্ষ কৃষক। জনসভায় আসা জনসমুদ্রকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন কোনও বিধায়ক বা মন্ত্রীর জন্য নয়। বিকাশের জন্য ভোট দিন। সাধারণ মানুষের ভোটদান রাজ্যবাসীকে উন্নয়নের পথে নিয়ে যাবে। কেন্দ্র এবং রাজ্যের ডবল ইঞ্জিন সরকারই পারে ঝাড়খন্ডকে উন্নয়নের পথে নিয়ে যাবে। 
 অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ নিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগে অমিত শাহ জানিয়েছেন, মন্দির নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়দান আটকে রাখতে চেয়েছিল কংগ্রেস। আদালতে গিয়ে কংগ্রেসের আইনজীবীরা দাবি করেছিল যে এই মামলার চালানোর কোনও দরকার নেই। কিন্তু বিজেপি বলেছিল মামলা চলা প্রয়োজন। তার ফলস্বরূপ মন্দির নির্মাণের পক্ষে রায়দান সুপ্রিম কোর্টের।
এদিনের জনসভা থেকে ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চার সুপ্রিমো হেমন্ত সোরেনের বিরুদ্ধে তোপ দেগে অমিত শাহ জানিয়েছেন, ক্ষমতা লোভে কংগ্রেসের কোলে বসে মুখ্যমন্ত্রী হতে চাইছেন হেমন্ত সোরেন। ক্ষমতায় আসাটাই হেমন্তের একমাত্র উদ্দেশ্য। উন্নয়নের পথে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে অক্ষম হেমন্ত সোরেনের। রাজ্যকে কেবল মাত্র এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন হেমন্ত সোরেন। দুর্নীতি মুক্ত সরকার দিয়েছে বিজেপি।
পাশাপাশি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে তিনি জানিয়েছেন, কংগ্রেসের ৫৫ বছরের শাসনকাল এবং বিজেপির পাঁচ বছরের শাসনকালে উন্নয়নের নিরিখে তুলনা টানা উচিত। প্রার্থীপদ কেনাবেচা, আদিবাসীদের শোষণ, ঝাড়খন্ডের বিরুদ্ধাচরণ, কয়েক কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে কংগ্রেস। উন্নয়ন কেবল করে গিয়েছে বিজেপি।
এদিন সমাজের অনগ্রসর শ্রেণীর মানুষদের আশ্বস্ত করে অমিত শাহ জানিয়েছেন, রাজ্যের ফের ক্ষমতায় এলে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর মানুষের জন্য কমিটি গড়া হবে। জঙ্গি দমন নিয়ে বলতে গিয়ে বিজেপি সরকারের খতিয়ান তুলে ধরে তিনি জানিয়েছেন, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, এয়ারস্ট্রাইক করে পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দেওয়া হয়েছে। এমনকি সীমান্তবর্তী এলাকায় জঙ্গিদের অনুপ্রবেশও রোখা গিয়েছে।
উল্লেখ করা যেতে পারে ৭ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফার ২০টি বিধানসভা আসনের জন্য ভোটগ্রহণ হবে ঝাড়খন্ডে। হিন্দুস্থান সমাচার/ 


 
Top