क्षेत्रीय

Blog single photo

মহালয়ার আগের দিন বাগবাজার ঘাটে বিজেপির শহিদ তর্পণ কর্মসূচি ঘিরে জটিলতা

16/09/2020

কলকাতা, ১৬ সেপ্টেম্বর (হি. স.) :  রাত পোহালেই মহালয়া। পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে সূচনা হবে মাতৃ পক্ষের। এরই মাঝে মহালয়ার আগের দিন বুধবার বাগবাজার ঘাটে 'শহীদ' কর্মীদের উদ্দেশ্যে তর্পণ কর্মসূচি পালন করার কথা ছিল বিজেপির। কিন্তু খুলে দেওয়া হয় মঞ্চ। সৃষ্টি হয় চরম উত্তেজনার। বিজেপির শহিদ তর্পণ কর্মসূচি ঘিরে বাগবাজার ঘাটে জটিলতা। 

এদিন বাগবাজার ঘাটে শহিদ দলীয় কর্মীদের জন্য তর্পণের উদ্যোগ নেয় বঙ্গ বিজেপি। আর তার জন্য তৈরি করা হয়েছিল মঞ্চও। সেইমতো এদিন সকালে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের ৩২ বিজেপি কর্মীর পরিবার হাজির হয় বাগবাজার ঘাটে। কিন্তু এসেই চক্ষু চড়কগাছ। তারা দেখে খুলে দেওয়া হয়েছে মঞ্চ। ঘাটে মোতায়েন পুলিশ। এর পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে বিজেপি কর্মী সর্মথকরা।ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। এইসবের মাঝেই ঘাটে পৌঁছে যান বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও অরবিন্দ মেনন, বিজেপি নেতা মুকুল রায় , রাহুল সিনহা। বিজেপির কর্মী সমর্থকদের বাগবাজার ঘাটে তর্পণ করতে পুলিশ বাধা দেওয়ায় রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান অরবিন্দ মেননরা। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। অনুমতি না নিয়েই সেখানে রাজনৈতিক কর্মসূচির আয়োজন করেছিল বিজেপি এমনটাই জানায় পুলিশ। 
পুলিশের এই দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে বিজেপির পালটা দাবি, সামাজিক দূরত্ব মেনে আয়োজিত হিন্দুদের ধর্মীয় কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে রাজ্য সরকার। এরপর সেখান থেকে  গোলাবাড়ি ঘাটে পৌঁছে যান কৈলাস, মুকুল-সহ বিজেপি নেতারা। সঙ্গে ছিলেন বেশ কয়েকজন প্রয়াত বিজেপি কর্মীর পরিজনরা। গোলাবাড়ি ঘাটে শেষমেষ তর্পণ সারেন তাঁরা।
প্রসঙ্গত, বিজেপির তরফে অভিযোগ রাজনৈতিক হিংসার শিকার হয়ে বলি হচ্ছেন বিজেপি কর্মীরা। এর নেপথ্যে রয়েছে শাসক দল। তাই এদিন বুধবার এই সমস্ত 'শহীদ' কর্মীদের উদ্দেশ্যে তর্পণ কর্মসূচির আয়োজন করেছিল রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। আগের বছর এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছিল মহালয়ার দিন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ড। গতবছর ৮০ জন বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্যে তর্পণ করেছিলেন তিনি।  হিন্দুস্থান সমাচার /পায়েল 


 
Top