क्षेत्रीय

Blog single photo

বাজি ফাটানো নিয়ে বিতর্ক বিভিন্ন মহলে, মুখর প্রবীন শিক্ষাবিদও

06/04/2020

কলকাতা, ৬ এপ্রিল (হি. স.)। বাতি নিভিয়ে প্রদীপ জ্বালানোর প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে বাজি ফাটানো নিয়ে বিতর্ক উঠছে বিভিন্ন মহলে। মুখর সামাজিক মাধ্যমও। 
ফেসবুকে প্রাক্তন উপাচার্য তথা প্রবীন শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার লিখেছেন, “ছিল বেড়াল, হল রুমাল। ছিল প্রদীপ, পটকা হল--সঙ্গে চলে নর্তন--কেউ বুঝেছে ব্যাপারটা কী ? ধিক্কার ?  সমর্থন ? ফটাশ ফটাশ, দুম্‌দুমাদুম্‌ হুল্লোড়েতেই হচ্ছে মালুম। সেই ট্র্যাডিশন সমান চলছে, হয়নি পরিবর্তন।“ অদিতি সেনগুপ্ত লিখেছেন, “গনমৃত‍্যুর সেলিব্রেশন চলছে রীতিমতো শব্দবাজি সহযোগে! হায়রে মহামারীও উৎসব এদেশে!“

সাগর সেনগুপ্ত লিখেছেন, “ইচ্ছে করে বাজি ফাটিয়ে পরিবেশ খারাপ করতে চাইলো কিন্তু পারলো না কারণ আসল উদ্দেশ্য সফল হয়েছে।”

মৌসুমী মুখার্জী লিখেছেন, “কিছু গন্ডমুর্খের দল বাজি ফাটিয়ে কি প্রমান করতে চাইলো সেটা ঠিক বলতে পারবো না, তবে আসল উদ্দেশ্য সফল, মানুষ আবার প্রমান করলো জাতি, ধর্ম, রাজনৈতিক মতবিরোধ হলেও মহৎ কাজে তারা এক।“

হেমাঙ্কুর সেনগুপ্ত লিখেছেন, “কিছু অশিক্ষিত মানুষের নির্লজ্জ প্রকাশ। ধিক--ধিক শতধিক!“ অনুপম দাস লিখেছেন, “বাজির আওয়াজ শুনে নিজের খুব লজ্জা লাগছে। কারণ, আমার ও যারা বাজি ফাটিয়েছে তাদের মতো দুটো পা, দুটো চোখ, দুটো হাত.......বাইরে থেকে দেখে তো কোন পার্থক্য পেলাম ন। বোধায় ভিতরে কোন তফাৎ আছে।

কেয়া ভট্টাচার্য লিখেছেন, “অমানবিকতার নির্লজ্জ প্রকাশ!“ অর্চনা দাশগুপ্ত লিখেছেন, “এখানে মহামারি তেও উৎসব হয় ....হায় রে মানুষ।” সোনালি দাশগুপ্ত লিখেছেন, “অসভ‍্যের দেশ হয়ে গেছে ‌ এই দেশে আর কিছু আশা করা যায় না। প্রদীপ জ্বালিয়ে করোনা মারা সম্ভব নয় ঠিক, প্রধানমন্ত্রী সেরম কথা কখনো বলেন ও নি,  সেই সঙ্গে এটাও ঠিক মোমবাতি জ্বালিয়ে নির্ভয়ার ধর্ষকদের ফাঁসীও দেওয়া যায় না। তবু আমরা আবেগের বহিঃপ্রকাশে প্রদীপ বা মোমবাতি জ্বালাই।“হিন্দুস্থান সমাচার/ অশোক


 
Top