क्षेत्रीय

Blog single photo

তবলিগ-ই-যোগ : কাছাড়ে প্ৰথম কোভিড-১৯ পজিটিভ, অসমে আক্ৰান্তের সংখ্যা বেড়ে ২৬

05/04/2020

শিলচর (অসম), ৫ এপ্রিল (হি.স.) : অবশেষে কাছাড় জেলায় মিলেছে কোভিড-১৯ পজিটিভ রোগী। তিনিও দিল্লির হজরত নিজামউদ্দিনে মরকজ তবলিগ-ই জামাতে যোগদানকারী ব্যক্তি। নাম সজিবুর রহমান। বয়স ৫৭ বছর। বাড়ি কাছাড় জেলার অন্তর্গত বড়খলা বিধানসভা এলাকার রানিঘাট সংলগ্ন পরদাহাল গ্রামে। তিনি প্রাক্তন বিএসএফ জওয়ান। গত ২০০৭ সালে অবসর নিয়েছেন। এ নিয়ে অসমে কোভিড-১৯ সংক্রমণে আক্রান্তের সংখ্যা ২৬-এ দাঁড়িয়েছে। 

প্রাপ্ত খবরে প্রকাশ, দিল্লির হজরত নিজামউদ্দিনে মরকজ তবলিগ-ই জামাতে অংশগ্ৰহণ করে গত ১৯ মার্চ তিনি বাড়ি ফিরেছিলেন। জ্বর কাশি ইত্যাদি নানা উপসর্গ দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নেন তিনি। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে তাঁকে ২ এপ্রিল শিলচর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয়। পরবর্তীতে সজিবুর রহমানের থ্রোট সোয়েব ইত্যাদি স্যাম্পল সংগ্রহ করে প্যাথল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্ট আসে পজিটিভ। 

শনিবার রাত প্রায় ১১:১৫ মিনিটে সজিবুর রহমান কোভিড-১৯ নোভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বলে ট্যুইট করে সরকারিভাবে প্রথম খবর দেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা। এর পর জানান শিলচরের সাংসদ ডা. রাজদীপ রায়। 

সাংসদ রাজদীপ রায় জানান, সজিবুর রহমানের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। নিয়মিত পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। নির্দিষ্ট সময়ে আবার কয়েক দফায় তাঁর স্যাম্পল নিয়ে পরীক্ষা করা হবে। 

গত ৩১ মার্চ রাজ্যে সর্বপ্রথম আক্রান্তের তালিকায় নাম আসে করিমগঞ্জ জেলার অন্তর্গত বদরপুরের ৫২ বছর বয়সি মুফতি জামাল উদ্দিনের। এর পরের দিন ১ এপ্রিল সন্ধ্যা পর্যন্ত অসমে কোভিড-১৯ পজিটিভ সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩-য়। বৃহস্পতিবার তিন এবং শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্ৰথমে চারজনকে নিয় সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ২০-এ। কিন্তু রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সংখ্যা এক ধাক্কায় ২৪ এবং গতকাল শনিবার সকালে ২৫ এসে দাঁড়িয়েছিল। এর মধ্যে একজন গুয়াহাটির বাসিন্দা। তাঁর সঙ্গে অবশ্য তবলিগ-ইর কোনও সম্পর্ক নেই।  

আক্ৰান্ত ২৬ জনের মধ্যে ২৫ জনই দিল্লির নিজামউদ্দিন মরকজ তবলিগ-ই জামাত-ফেরত।

এদিকে অসমের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৬ জন ছাড়া দিল্লিতে রাজ্যের আরও চারজনের শরীরে কোভিড-১৯ পজিটিভের হদিশ পাওয়া গেছে। তাঁদের দিল্লির বভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। 

হিন্দুস্থান সমাচার / এসকেডি / অরবিন্দ


 
Top