Hindusthan Samachar
Banner 2 मंगलवार, नवम्बर 20, 2018 | समय 13:01 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

দেদার বিকোচ্ছে শব্দবাজি, দীপাবলির রাতে শব্দ দানবের আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ

By HindusthanSamachar | Publish Date: Nov 4 2018 9:09PM
দেদার বিকোচ্ছে শব্দবাজি, দীপাবলির রাতে শব্দ দানবের আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ
চম্পাহাটি, ৪ নভেম্বর (হি. স.) : শব্দবাজি বিক্রির ক্ষেত্রে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের বিধি নিষেধ থাকলেও দীপাবলির আগে খুল্লমখুল্লা বিক্রি হচ্ছে এই বেআইনি শব্দবাজি। অন্যান্য বছরের তুলনায় চলতি বছরে এই শব্দবাজি বিক্রির হার ও অনেক বেশী বলেই দাবী করছেন বিক্রেতারা। ঘটনাস্থল দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুর থানার চম্পাহাটির হাড়াল। পুলিশি ধরপাকড়ের তোয়াক্কা না করেই এই বাজি বাজারে শব্দবাজি বিক্রি করছেন কয়েকজন বাজি বিক্রেতা। আতশবাজি কেনার জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সেভাবে আগ্রহ দেখা না গেলেও এই শব্দবাজি কিনতে আগ্রহী বহু ক্রেতা। শব্দবাজির এই ব্যাপক বিক্রির কারণেই কার্যত এবারের দীপাবলির রাতে শব্দ দানবের অত্যাচার অনেক বাড়বে বলে ও মনে করছেন সাধারণ মানুষ। শব্দবাজি নিয়ে যেতে দেখলেই চারিদিকে পুলিশি ধরপাকড় চলছে, কিন্তু সে সব উপেক্ষা করেই দেদার বিকোচ্ছে এই চকলেট, দোদমা, আলুবোমা। এসবের পাশাপাশি ফাইটার বোমা ও বিক্রি হচ্ছে দেদার। বাজি কিনতে আসা ক্রেতারা বলছেন, “যারা শব্দবাজি বিক্রি করছেন পুলিশ তাদের ধরছে না, যারা বাজি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন তাদেরকেই ধরছে পুলিশ”। কিন্তু কিভাবে সরকারী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এই শব্দবাজি বিক্রি হচ্ছে? এই প্রশ্ন করতেই জনৈক এক বাজি বিক্রেতা গনেশ পন্ডিত বলেন, “ শব্দবাজি না রাখলে অন্য কোন বাজিই সেভাবে বিক্রি হবে না। এই চকলেট, দোদমারই সব থেকে বেশী চাহিদা”। কিন্তু পুলিশের চোখ উপেক্ষা করে কিভাবে চলছে এই নিষিদ্ধ বাজি বিক্রি? এই প্রশ্নের উত্তরে জানা গেল, “পুলিশ সব জানে, কোন কোন দোকান এই বাজি বিক্রি করছে। কারন রিস্ক নিয়ে এই বাজি বিক্রি করতে গেলে পুলিশকে তো কিছু হাত খরচ দিতেই হবে। ওরা ও খুশি, আমরা ও খুশি”। তাহলে ধরপাকড় কেন? সুত্রের খবর কোন খরিদ্দার বেশী পরিমাণে শব্দবাজি কিনছেন সেই টিপস পুলিশকে কয়েকজন দোকানিরাই দিয়ে দেন। শনিবার রাতেও এই বাজার থেকে শব্দবাজি কিনে নিয়ে যাওয়ার পথে বারুইপুর ও সোনারপুর থানার পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন বহু মানুষজন। উদ্ধার হয়েছে বহু শব্দবাজি। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাজি ব্যবসায়ী বলেন, “ স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী সারা বছর ধরেই এই শব্দবাজি তৈরি করছেন। আতসবাজির আড়ালে এই শব্দবাজি বিক্রি করছেন তারা। এসবের পিছনে পুলিশের মদত ও রয়েছে”। হিন্দুস্থান সমাচার/ প্রসেনজিৎ/ শ্রেয়সী / কাকলি
image