Hindusthan Samachar
Banner 2 मंगलवार, नवम्बर 20, 2018 | समय 13:44 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

হোজাইয়ে মধ্যাহ্ন ভোজনের চালে পোকা-ইঁদুরের মল, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি

By HindusthanSamachar | Publish Date: Nov 5 2018 1:42PM
হোজাইয়ে মধ্যাহ্ন ভোজনের চালে পোকা-ইঁদুরের মল, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি
হোজাই (অসম), ৫ নভেম্বর (হি.স.) : রাজ্যের শিক্ষা বিভাগ বছরের পর বছর ধরে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে ছাত্ৰছাত্ৰীদের জন্য মধ্যাহ্ন ভোজনের ব্যবস্থা করে আসছে যদিও একাংশ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুপুরের খাবারের নামে পড়ুয়াদের বিষাক্ত এবং স্বাস্থ্যহানীকর আহার দিয়ে আসছেন। এ ধরনের অভিযোগ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাওয়া যায়। এমন-কি মধ্যাহ্ন ভোজনের চাল নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগও নতুন কিছু নয়। ভুক্তভোগীরা বলছেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের বিদ্যালয়গুলিতে মধ্যাহ্ন ভোজন এখন প্রহসনে পরিনত হয়েছে। ইতিমধ্যে রাজ্যের শিক্ষা দফতর বিদ্যালয়ের মান নিরূপণের জন্য চলমান গুণোৎসব নিরীক্ষক হিসেবে যাওয়া সরকারি অফিসার, মন্ত্ৰী, বিধায়ক সবাইকে একযোগে ছাত্ৰছাত্ৰীদের সঙ্গে মধ্যাহ্ন ভোজন গ্ৰহণ করে ভূয়সী প্ৰশংসা করতে দেখা গেছে। মধ্যাহ্ন ভোজন প্রকল্পে শুধু গুণোৎসবের সময় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভালো করে দুপুরের আহারের ব্যবস্থা করছেন। এরই মধ্যে হোজাইয়ের দেশবন্ধু বালিকা বিদ্যালয়ের মধ্যাহ্ন ভোজনের নামে ছাত্ৰীদের অস্বাস্থ্যকর খাবার দেওয়ার অভিযোগ করেছেন অভিবাবকরা। তাঁরা জানান, পঁচাগলা ইঁদুরের মলমূত্রে ভরা, পোকে ধরা চাল ব্যবহার করা হচ্ছে ওই বিদ্যালয়ের মধ্যাহ্ন ভোজনে। শিক্ষা দফতরের এ ধরনের দায়িত্বহীন কাণ্ডে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে অভিভাবকদের মধ্যে। গুণোৎসব শেষ হওয়ার সঙ্গে-সঙ্গে বিদ্যালয়ে কেন ব্যবহার করা হচ্ছে খাওয়ার জন্য অনুপযুক্ত চাল, তাঁরা তুলেছেন সে সব প্রশ্ন। হোজাইর দেশবন্ধু বালিকা বিদ্যালয়ে মোট ছাত্ৰীর সংখ্যা প্ৰায় ৬০০। তার মধ্যে ৩০০ ছাত্ৰী গ্ৰহণ করে মধ্যাহ্ন ভোজনের খাবার। কিন্তু বিদ্যালয় কৰ্তৃপক্ষ খাবারের নামে তাদের দিচ্ছেন বিষ। বিদ্যালয়ের গুদামঘরের ভেতরে অইস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চালগুলি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়েছে। এই চালে দেখা গেছে অজস্র আবর্জনা, পোক ধরেছে, ইঁদুরের মলমূত্র। অভিযোগ, এই চালগুলিই সামান্য পরিষ্কার করে রান্না করে পরিবেশন করা হচ্ছে ছাত্রীদের মধ্যে। একেবারে অস্বাস্থ্যকর এই চালের ভাত খেয়ে ছাত্ৰীদের অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বলেছেন বিদ্যলয়ের খোদ রাঁধুনি। তার পরও বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক মনোজকান্তির টনক নড়ছে না। এদিকে, বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক জানিয়েছেন, চালগুলি ভালো করে রাখার ব্যবস্থা না থাকার দরুন এভাবে ফেলে রাখা হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠেছে, বিদ্যালয়ের ছাত্ৰীদের স্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্ব না দিয়ে প্ৰধানশিক্ষকের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কি ব্যবস্থা নেবে? ক্ষুব্ধ অভিবাবকরা বিষয়টি তদন্ত করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্ৰহণের দাবি তুলেছেন। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে মধ্যাহ্ন ভোজনের নামে বহু দুৰ্নীতির অভিযোগ রয়েছে বলে জানান অভিভাবকরা। হিন্দুস্থান সমাচার / নিরুপম / এসকেডি
image