Hindusthan Samachar
Banner 2 गुरुवार, नवम्बर 22, 2018 | समय 15:55 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

দীপাবলিতে অন্ধকার আলোর বাজার, মাথায় হাত দোকানিদের

By HindusthanSamachar | Publish Date: Nov 5 2018 3:58PM
দীপাবলিতে অন্ধকার আলোর বাজার, মাথায় হাত দোকানিদের
কলকাতা, ৫ নভেম্বর (হি.স.): দুর্গা পুজোর পর বাঙালির অপেক্ষা আলোর রোশনাইয়ের জন্য । আজ বাদে কাল দীপাবলি । তবে, এবারে দীপাবলিতে আলোর বাজারে যেন ঘনিয়ে এসছে অন্ধকার । আলোর বাজার একেবারে শুকনো,মাথায় হাত আলোর দোকানিদের । ঠান্ডা আবহাওয়া তার সঙ্গে আলোর উৎসবের আমেজ । শুধু অপেক্ষা মা-র আগমনের । কিন্তু, কোথায় কি বিক্রি নেই আলো বিক্রেতাদের । দীপাবলিতে চিনের আলো, সে তো কবেই নিজের জায়গা করে নিয়েছে । ডায়মন্ড, ক্রিস্টাল ও পেনসিল টুনি তো হট কেকের মতো বিকিয়েছে গতবছর । সাঁঝবাতির রূপকথায় নিজেকে এঁকেছে ডিজে ডিস্কোস, রাইস অর্থাৎ এলইডি আলোর চেইন । তবে, এবছরের লিস্টে নেই এইসব লাইট । এবছরের ট্রেন্ডে ছোট বড় নানা ধরনের প্রদীপ লাইট, ট্রি লাইট, ও ঝুমর । যেন ক্ষতের ওপর প্রলেপ লাগনো হচ্ছে আলো ব্যবসায়ীদের । কালিপুজোর আগে এজরার স্ট্রিট, চাঁদনী মার্কেট ঘুরে দেখা গেল প্রতিটি লাইটে প্রায় ২০-২৫ টাকা দাম বেড়েছে । ১৫০ থেকে ৮০০-১০০০, এই রেঞ্জের আলোই বেশি দোকানিদের স্টকে । আর অনলাইন ব্যবসা কিছুটা হলেও ফিকে করেছে দোকানের জৌলুস । মোমবাতি, প্রদীপের জায়গায় এসেছে এই সস্তার লাইট। কিন্তু তারাও বাজারে ভিড় টানতে ব্যর্থ । কিন্তু, জাহিরের মতো ব্যবসায়ীরা বলছেন, ‘আলো হাতে নিয়ে, টেস্ট করে কোনটা বাড়িতে নিয়ে যাবেন সেটা দেখার মজা আমাদের মতো দোকান গুলোতেই আছে’। এইসব লাইটের দাম কম বলে মধ্যবিত্ত ক্রেতারা ঝুঁকেছিলেন সেই দিকেই । এবার যদি তারও দাম বাড়তে থাকে তাহলে তো শুকনো হাতেই কাটাতে হবে দোকানিদের । ‘কিন্তু, আমাদের করার তো কিছু নেই । ট্যাক্স তো দিতেই হবে । দাম না বাড়ালে সেটাই বা জোগাব কোথা থেকে’? বলেছেন দোকানি আলাম । গত বছরের তুলনায় এবছরে আলোর দাম বেড়েছে সামান্যই, কিন্তু সরকারের ট্যাক্সের চাপে তা দেখাচ্ছে অনেকটাই । ১২ ফুট রাইসের দাম হয়েছে ১৫০ টাকা । তবে চাঁদনী চকের আলো ব্যবসায়ী মহম্মদ রিয়াজ জানান ‘এই দামেও কেউ কিনতে চাইছেন না । বাজারে সেই ভিড়ও আর নেই’। এজরা স্ট্রিটের আলমের কথায়, ‘লেজার লাইট, রাইসের চাহিদা আছে, কিন্তু দাম বেশি হয়েছে বলে কেউ কিনতে চাইছেন না’। হিন্দুস্থান সমাচার / পায়েল / হীরক
image