Hindusthan Samachar
Banner 2 बुधवार, नवम्बर 14, 2018 | समय 14:12 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

ঝাড়গ্রামে শ্রমিকদের দ্বিপ্রাহরিক খাওয়ার ব্যবস্থা কারখানা কতৃপক্ষের

By HindusthanSamachar | Publish Date: Nov 5 2018 7:04PM
ঝাড়গ্রামে শ্রমিকদের দ্বিপ্রাহরিক খাওয়ার ব্যবস্থা কারখানা কতৃপক্ষের
ঝাড়্গ্রাম, ৫ নভেম্বর ( হি. স.) : কাজের প্রতি গুরুত্ব ও ভালোবাসা বাড়াতে শ্রমিকদের দ্বিপ্রাহরিক খাওয়ার ব্যাবস্থা করল কারখানা কতৃপক্ষ। সোমবার ঝাড়্গ্রাম জেলার সাঁকরাইল ব্লকের তুঙ্গাধুয়া এলাকার একটি অ্যাসবেসটস কোম্পানির পক্ষ থেকে এই আয়োজন করা হয়েছে। এদিন থেকে রোজ দিন কারখানার ভেতরেই দ্বিপ্রাহরিক আহার পাবেন শ্রমিকেরা। এদিন কারখানা কতৃপক্ষ এই এই কর্মসুচির শুভ উদ্বোধন করল। এই উদ্বোধনের দিন কম্পানির স্থায়ী,অস্থায়ী সহ অন্যান্য কর্মচারি নিয়ে প্রায় সাড়ে ছশো জন শ্রমিক অংশ গ্রহন করেছিলনে। এদিন দ্বিপ্রাহরিক আহারে ছিল ভাত, ডাল, তরকারি, চাটনি এবং শেষ পাতে মিষ্টি দেওয়া হয়েছিল। কম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে জাতীয় ছুটির দিন গুলি ছাড়া প্রতিদিন শ্রমীকদের খাওয়ানো হবে। এদিন কম্পানির এহেন পদক্ষেপে দারুন খুশি আমেজ শ্রমিক মহলে। কোম্পানির শ্রমিক দুখুরাম সিং,লক্ষীকান্ত মাহাতো,তপন দাস,বাদল মাহাতোরা জনান “ এতদিন পর্যন্ত কাজের ফাঁকে খাবার জন্য বাড়ি যেতে হত। খুবই কষ্ট হত। এখান থেকে কারখানাতে রোজ ভাত,তরকারি খেতে পারব এর থেকে বড় আর কি হতে পারে।আমরা সকলে খুবই খুশি। এদিন শ্রমীকদের বিনামূল্যে দ্বিপ্রাহরিক খাবার দেওয়ার উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন কম্পানির চেয়ারম্যান, সিএমডি অরুন সারাফ, খড়্গপুরের বিধায়ক দিনেন রায়,গোপীবল্লভপুরের বিধায়ক চূড়ামনি মাহাতো,কম্পানির এক্সিউটিভ ডিরেক্টর কেএনপি সিনহা সহ ,কম্পানির ইউনিট হেড সুনীল কুমার পান্ডে,কম্পানির পার্সোন্যাল মেনেজ্যার দীপেশ কুমার মন্ডল সহ প্রমুখ।কম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দৈনিক মোট চারটি শিফটে কাজ হয়।এ,বি,সি এবং জেনারেল এই শিফটে কাজ হয়। এরমধ্যে এ শিফট যে টি সকাল ৬ থেকে ২ পর্যন্ত চলে এবং জেনারেল শিফট যেটি সাকাল ৮ থেকে ৫ টা পর্যন্ত চলে – এই দুটি শিফটের শ্রমীকরা দৈনিক দুপুরে টিফিনের সময় দ্বিপ্রাহরিক আহার পাবেন। কম্পানির কর্তৃপক্ষ মনে করছে এর পরে সংখ্যাটা আরো বাড়বে বলে। কম্পানির পার্সোন্যাল মেনেজ্যার দীপেশ কুমার মন্ডল বলেন “ আমরা দেখেছি আদিবাসী অধ্যুষিত এই এলাকার শ্রমীকদের দুপুরে কাজের ফাঁকে বাড়ি গিয়ে খেতে যেতে খুবই কষ্ট হয়।তাদের কষ্টা যাতে একটু লাঘব করা যায় তার জন্য কম্পানি এই পদক্ষেপ নিয়েছে। আমারা আশা করচ্ছি এই পদক্ষেপে শ্রমীকদের কম্পানির প্রতি ভালোবসা,আন্তরিকতা আরো বাড়বে।” হিন্দুস্থান সমাচার। গোপেশ
image