Hindusthan Samachar
Banner 2 शुक्रवार, दिसम्बर 14, 2018 | समय 15:37 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

(লিড ) চূড়ান্ত সতর্কতার মধ্যে ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়ায় হল শবরীমালা মন্দির

By HindusthanSamachar | Publish Date: Nov 5 2018 10:18PM
(লিড ) চূড়ান্ত সতর্কতার মধ্যে ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়ায় হল শবরীমালা মন্দির
তিরুবনন্তপুরম, ৫ নভেম্বর (হি.স.) : প্রতীক্ষার অবসান। ভক্তদের জন্য সোমবার বিকেলে খুলে দেওয়া হল শবরীমালা মন্দির। বিশেষ ‘অথাঝাঁ পুজো’-র জন্য মন্দিরটি খুলে দেওয়া হয়েছে। মন্দির খুলতে ভক্তদের ঢল নামে মন্দির চত্বরে। এই পুজো সমাপমের পর মঙ্গলবার ফের বন্ধ হয়ে যাবে শবরীমালা মন্দির। পবিত্র পাত্থিনেট্টাম পাডি বেয়ে পুজো দেন ভক্তরা। পুলিশের আইজি অজিত কুমার জানিয়েছেন, সমস্ত ভক্তরা যাতে নির্বিঘ্নে পুজো ও দর্শন করতে পারেন তার জন্য নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপি সভাপতি পি এস শ্রীধরণ পিল্লাইকে শবরীমালা মন্দিরের প্রধান পুরোহিত ডেকে পাঠানো ঘটনায় অবশেষে মুখ খুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, আমি নিজে একজন উকিল। তাই তিনি আমারা কাছে আইনানুগ উপদেশ নিয়েছেন। এদিকে বিজেপির নিন্দায় সরব মুখ্যমন্ত্রী পিন্নারাই বিজয়ন। তিনি বলেন, বিজেপির মুখোশ খুলে পড়েছে। মন্দির চত্বরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানোর জন্য নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে পুলিশের আইজি অজিত কুমার জানিয়েছেন, সমস্ত ভক্তরা যাতে নির্বিঘ্নে পুজো ও দর্শন করতে পারেন তার জন্য নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। প্রত্যেকের জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। চ্যালেঞ্জ রয়েছে। কিন্তু আমরা তৎপর। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপি সভাপতি পি এস শ্রীধরণ পিল্লাইকে শবরীমালা মন্দিরের প্রধান পুরোহিত ডেকে পাঠানো ঘটনায় অবশেষে মুখ খুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, আমি নিজে একজন উকিল। তাই তিনি আমারা কাছে আইনানুগ উপদেশ নিয়েছেন। এই বিষয়ে প্রধান পুরোহিত কান্দারারু রাজীভারু জানিয়েছেন, আমি আমার পরিবারবর্গের জন্য বিষয়টি আলোচনা করেছি। তাই জনসমক্ষে কিছু বলতে চাই না। শবরীমালা মন্দিরে পুজো দেন ১৫জন মহিলা পুলিশকর্মী। পুলিশের তরফে থেকে জানানো হয়েছে ওই ১৫জন পুলিশকর্মীরা প্রত্যেকেই ইনস্পেক্টর ও এসআই আধিকারিক। বয়সের ভিত্তিতে এদের বাছা হয়নি। এদিকে বিজেপির নিন্দায় সরব মুখ্যমন্ত্রী পিন্নারাই বিজয়ন। তিনি বলেন, বিজেপির মুখোশ খুলে পড়েছে। পুলিশের তথ্য প্রমাণ থেকে প্রমাণিত এর শবরীমালায় বিক্ষোভ উস্কে দিতে বিজেপি নেতাদের হাত রয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি নিজে যুক্ত রয়েছেন। উল্লেখনীয়, রবিবার চূড়ান্ত নিরাপত্তার বেড়াজালে মুড়ে ফেলা হয়েছে শবরীমালা মন্দির সংলগ্ন অঞ্চলগুলি। পুলিশের আইজি অশোক যাদব জানিয়েছেন, পাম্বা থেকে সান্নিধানাম পর্যন্ত ১৫০০ পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সান্নিধান্নাম, পাম্বা, নিলাক্কাল, ইলাভানকালে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এই জায়গাগুলিতে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে ১৪৪ ধারা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সব মহিলাদের জন্য খুলে দেওয়া হয় শবরীমালার মন্দিরের দরজা। সুপ্রিম নির্দেশকে মান্য দিতে গিয়ে ভক্তদের সঙ্গে খণ্ড যুদ্ধবাধে পুলিশের। বিগত কয়েক মাস ধরে চলা বিক্ষোভ, প্রতিরোধের জেরে কয়েকশো বিক্ষোভকারীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে শবরীমালা নিয়ে রাজ্য পুলিশের অতিসক্রিয়তাকে কটাক্ষ করেছে রাজ্য বিজেপি। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে ‘জরুরি অবস্থা’-র সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কে সুরেন্ধ্রন। তিনি জানিয়েছেন, পরিত্র ও ধর্মীয় স্থানে জরুরি অবস্থার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনকে কটাক্ষ করে কে সুরেন্ধ্রন বলেন, গোটা প্রক্রিয়াটি অগণতান্ত্রিক ও আইনবিরোধী। গতবার আমরা যা করেছিলাম। এবারও আমরা তাই করব। কোনও ভাবেই শবরীমালার পবিত্রতাকে নষ্ট হতে দেবো না। উল্লেখনীয়, আগামী ৫ নভেম্বর, সোমবার পুনরায় উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে কেরলের শবরীমালা মন্দিরের দরজা| আর তাই আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ৪-৬ নভেম্বর পর্যন্ত, টানা তিন দিন ধরে কেরলের সান্নিধানাম, পাম্বা, নীলাক্কল এবং এলাভুঙ্কা-এ ১৪৪ ধারা জারি করা হবে| ইতিমধ্যেই এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন পত্তনমতিট্টা জেলা কালেক্টর| জেলা কালেক্টরের নির্দেশ অনুযায়ী, ৪-৬ নভেম্বর, টানা তিন দিন সান্নিধানাম, পাম্বা, নীলাক্কল এবং এলাভুঙ্কা-এ জারি করা হবে ১৪৪ ধারা| বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত জেলা কালেক্টরের| প্রসঙ্গত, আগামী ৫ নভেম্বর বিশেষ প্রার্থনার জন্য খুলে দেওয়া হবে কেরলের শবরীমালা মন্দিরের দরজা| সূত্রের খবর, ৫ এবং ৬ নভেম্বর টানা ৪৮ ঘন্টার জন্য শবরীমালা মন্দিরের প্রবেশদ্বার খোলা থাকবে| তবে, সমস্ত বয়সের মহিলারা এই দু’দিনে মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে নানা মুনীর নানা মত| ধর্মাদেশ সম্মেলনে উঠল শবরীমালা প্রসঙ্গ। কেরলের শবরীমালা মন্দিরে সমস্ত বয়সী মহিলাদের প্রবেশ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়। এবং এর পরে ভগবান আয়াপ্পা ভক্তদের সঙ্গে রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে উত্তেজনা বিষয়গুলি রবিবার দিল্লির তালকোটরা স্টেডিয়ামে সাধুদের ধর্মাদেশে উঠেছে। এর মাঝেই এদিন কেরল থেকে আসা স্বামী শান্তানন্দ শবরীমালা নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। রবিবার সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বিচারব্যবস্থা এবং কেরল প্রশাসন দুইজনেই সাংস্কৃতিক ভাবনার উপর আঘাত করার কাজ করেছে। অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতির অধ্যক্ষ জগদগুরু রামানন্দচার্য হংসদেবাচার্য জানিয়েছেন, কেরলের সরকার বিধর্মী। দেশের সমগ্র সাধুদের হয়ে বিচারব্যবসা এবং রাজ্য সরকারের হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডকে ‘হিন্দু-বিরোধী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। উপস্থিত থাকা প্রত্যেকেই তার এই বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়েছেন। হিন্দুস্থান সমাচার/শুভঙ্কর/ কাকলি
image