Hindusthan Samachar
Banner 2 बुधवार, नवम्बर 14, 2018 | समय 14:57 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

শব্দবাজি রুখতে বহুতলে পুলিশের ‘ওয়াচটাওয়ার’

By HindusthanSamachar | Publish Date: Nov 6 2018 6:09PM
শব্দবাজি রুখতে বহুতলে পুলিশের ‘ওয়াচটাওয়ার’
কলকাতা, ৬ নভেম্বর (হি.স.): শব্দবাজি এবং জুয়াড়িদের ওপর নজরদারি শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ । ইতিমধ্যেই কলকাতার বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে বহু শব্দবাজি উদ্ধার করা হয়েছে । ধরপাকড় চলছে । লালবাজার থেকে থানাগুলোকে ইতিমধ্যেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ যেন মানা হয় । কোনও এলাকায় দু’‌ঘণ্টার বেশি বাজি পোড়ানো যাবে না । এই বিষয়ে মাইকিংও করা হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায় । শব্দবাজিই শুধু নয়, এবার আতশবাজির উপরও নজর রয়েছে পুলিশের । বলা যাতে পারে, পুলিশের কাছে এ এক নতুন চ্যালেঞ্জ । যদিও কলকাতা পুলিশের কর্তারা জানিয়েছেন, যেভাবে পুলিশ প্রত্যেক বছর শব্দবাজি দাপট নিয়ন্ত্রণে রাখে, সেভাবেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো,রাত ৮টা থেকে ১০টার বাইরে কোনওভাবেই আতশবাজিও পোড়াতে দেওয়া হবে না । কলকাতায় এবছর ৩২৬১টি পুজো হচ্ছে । শব্দবাজি যাতে না পোড়ে, এজন্য আজ রাতে শহরের গলির ভেতরে সাইকেলেও টহল দেবে পুলিশ । এছাড়াও ছোট ছোট রাস্তায় অটো নিয়েও চলবে নজরদারি । ৫২টি থানাকে চিহ্নিত করে রাখা হয়েছে স্পেশাল রিজার্ভ ফোর্স । ঠনঠনিয়া, লেক, কালীঘাট এবং করুণাময়ী কালীবাড়িতে বহু মানুষ পুজো দিতে যান । এই জায়গাগুলিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে । তাই, মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই পুলিশের বিশেষ নজর অলিগলি ও বহুতলের ছাদের দিকে । শহরের বহুতলগুলোর ছাদে যাতে রাত দশটার পর আতশবাজি কেউ না ফাটান, তার জন্য যেমন বেশ কিছু বহুতলের ছাদকেই ‘ওয়াচ টাওয়ার’ হিসাবে ব্যবহার করবে পুলিশ । তেমনই শহরের অলিগলি ও অপরিসর রাস্তায় বাইক ও অটো করে চলবে টহলদারি । পুলিশের নিজস্ব বাইক বাহিনী তো রয়েছেই, দু’দিনের জন্য ভাড়া নেওয়া হয়েছে অটোও । যে সমস্ত এলাকায় প্রতিমাকে সোনার গয়না বেশি পরানো হয়, এরকম ২৬টি জায়গায় বিশেষ নিরাপত্তা থাকছে । ৬১৮টি পুলিশ পিকেট, ১১৪টি অটোরিকশায় টহল দেবে পুলিশ । চলছে মেট্রোতেও নজরদারি । কলকাতা পুলিশের তরফে পরিস্কার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ডিজে বাজানো যাবে না । হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড এবং রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড থাকছে মোট ৩৬টি জায়গায় । কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ২১টি ক্যুইক রেসপন্স টিম থাকবে । জানা গেছে, শহরের বেশ কিছু বাজার ও দোকানে লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও বাজি বিক্রি হয় । নুঙ্গি ও চম্পাহাটির বিভিন্ন বাজি কারখানা থেকে বাজি নিয়ে এসে তাঁরা কালীপুজো ও দীপাবলিতে ডালা সাজিয়ে বিক্রি করেন । কিন্তু এই বছর সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ, লাইসেন্স ছাড়া বাজি বিক্রি করা যাবে না । মঙ্গলবার লালবাজারের এক কর্তা জানান, শহরের প্রত্যেক বাজি বিক্রেতার লাইসেন্স পরীক্ষা করা হবে । যাঁদের কাছে লাইসেন্স নেই, তাঁদের বাজি বিক্রি করতে দেওয়া হবে না । বেআইনিভাবে কোনও গুদামে বাজি মজুত রাখলে তল্লাশি চালাবে পুলিশ । বুধবার থেকে কালী প্রতিমা বিসর্জনের জন্য ৩৪টি ঘাটকে চিহ্নিত করা হয়েছে । কালী প্রতিমা ৭ নভেম্বর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত বিসর্জন দেওয়া যাবে । থাকছে রিভার ট্রাফিক পুলিশের রেসকিউ টিমও ।‌ হিন্দুস্থান সমাচার / হীরক
image