Hindusthan Samachar
Banner 2 मंगलवार, नवम्बर 20, 2018 | समय 12:57 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

তমসাচ্ছন্ন আকাশকে আলোকিত করতে বাজারে বরপেটার আতসবাজি

By HindusthanSamachar | Publish Date: Nov 6 2018 6:51PM
তমসাচ্ছন্ন আকাশকে আলোকিত করতে বাজারে বরপেটার আতসবাজি
গুয়াহাটি, ৬ নভেম্বর (হি.স.) : শুরু হয়ে গেছে দীপাবলির উৎসব। ব্যস্ততাও কমেছে বরপেটার কারুশিল্পীদের। একদিকে পরিবারবর্গের ভরণপোষণ, অন্যদিকে রাজ্যের আনাচে-কানাচে দীপান্বিতার আগে মানুষের হাতে স্থানীয় আতসবাজি তুলে দেওয়ার তাড়না। তাছাড়া চাইনিজ বাতির দাপটের সঙ্গে টেক্কা দিয়ে স্থানীয় বাজার কতটা খাবে তাঁদের তৈরি দেশি ক্র্যাকারস্, এ-ও এক দুশ্চিন্তা। এত সবের জাঁতাকলে সীমাহীন ব্যতিব্যস্ত কারুশিল্পীরা। গত মাস-দুয়েক ধরে প্রচণ্ড ঝুঁকিকে সম্বল করে দিনরাত একাকার করে তাঁরা তৈরি করেছেন দৃষ্টিনন্দন তথা শোভাবর্ধনকারী নানা ধরনের আতসবাজি। গোটা রাজ্যে দীপাবলির সময় বরপেটার স্থানীয় আতসবাজির চাহিদা উপচে পড়েছে। শতবর্ষ পুরনো বরপেটার স্থানীয় বাজি-পটকা দীপান্বিতার সময় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। এবারও এর অন্যথা হয়নি। দীপাবলির আগের রাত থেকে শুরু হয়ে গেছে তমসাচ্ছন্ন আকাশকে আলোয় ঝলমল করার পালা। বরপেটার কারুশিল্পীদের হাতে তৈরি মটর গাছ, চরকা, ছোট বড় ফুলঝুড়ি, রকেট, তুবড়ি, আসমান গোলা ইত্যাদি আলোর রোশনাই সামগ্রী ইতিমধ্যে গুয়াহাটি-সহ রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে এসে গেছে। এদিকে অসমের বাজার এখন চিনে তৈরি বৈদ্যুতিক আলো সরঞ্জামের রমরমা। রংবেরঙের আলো ঝলমলে সরঞ্জামে ভরে গেছে বাজার। সরকারি নিষেধাজ্ঞাও কানে তুলছে কারবারিরা। এরই মধ্যে স্থানীয় শিল্পীদের হাতে তৈরি পরিবেশ-অনুকূল আতসবাজি ও আলোকবাতির কাছে চিনা সামগ্রী সৃষ্টি করেছে বিরাট চেলেঞ্জ। ইতিমধ্যে সরকারের তরফে এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন চিনা সামগ্রীর বিকল্প হিসেবে স্থানীয় পরিবেশ-অনুকূল আতসবাজি, মাটির প্রদীপ ব্যবহার করতে জনসাধারণের কাছে আবেদন রেখেছে। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, শিবকাশী, পশ্চিমবঙ্গে তৈরি বাজি-পটকার চেয়ে অসমের বরপেটায় স্থানীয়ভাবে তৈরি আতসবাজির বিশেষ চাহিদা রয়েছে। বরপেটার আতসবাজিতে শব্দের প্রাবল্যের চেয়ে আলোর ঝলকানির উপর শিল্পীরা বেশি গুরুত্ব দেন। বরপেটা আতসবাজি শিল্প সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি গোপজিত পাঠক বলেন, এবার আতসবাজি তৈরির কাঁচামাল যেমন বারুদ, সোরা, গন্ধক, অ্যালুমিনিয়াম পাউডার, নাইট্রেট ধাতু স্ট্রনশিয়াম, বেরিয়াম, ক্লোরিন নিষ্কাশক দ্রব্য, কাঠকয়লা, লোহাচূর ইত্যাদি নানা উপাদানের দাম বহুগুণ বেড়েছে। শতবর্ষ পুরনো আতসবাজি শিল্পকে কোনও রকমে ধরে রাখা হয়েছে। এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বহু বেকার যুবতী-যুবতী। যে কোনও উৎসবের সময় রাজ্যের কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী বহিঃরাজ্য থেকে বাজি-পটকা ইত্যাদি আমদানি করে স্থানীয়দের ভাতে মারার পথ বেছে নিয়েছে। ফলে বরপেটার স্থানীয় কারুশিল্পকে ধরে রাখাটাই এখন তাঁদের কাছে মস্ত চেলেঞ্জ। হিন্দুস্থান সমাচার / এসকেডি / কাকলি
image