Hindusthan Samachar
Banner 2 सोमवार, नवम्बर 19, 2018 | समय 21:04 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

অনুব্রত মন্ডলের নজরকাড়া কালী পুজো

By HindusthanSamachar | Publish Date: Nov 6 2018 9:14PM
অনুব্রত মন্ডলের নজরকাড়া কালী পুজো
বোলপুর, ৬ নভেম্বর (হি. স.) : কলকাতার ফাটা কেষ্টর পুজোর কথা অনেকেই জানে। তবে অনুব্রত মন্ডলের কালী পুজো কিছু কম যায় না। কেষ্ট গড়ে তৃণমূলের পার্টি অফিসে শক্তি আরাধনায় মায়ের গলায় সোনার মুন্ডু মালা পরিয়ে পঞ্চায়েত জয়ের মানসিক পূর্ণ করলেন কেষ্ট ওরফে অনুব্রত মন্ডল । একই সঙ্গে আগামী লোকসভা ভোটে ৪২ এ ৪২ এর প্রার্থনা করলেন কেষ্ট। যার নামেই সারা বীরভূমে দল চলে বহাল তবিয়তে, সেই কেষ্ট মন্ডলের উদ্যোগে ফি বছর বোলপুরের জেলা তৃণমূল পার্টি অফিসে হয়ে আসছে শক্তি আরাধনা। এবছর আবার নতুন কোটি টাকার পার্টি অফিসের ভিতরে মা কালী পুজো আয়োজন হয়েছে। তবে পার্টি প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই এই পার্টি অফিসে কালী পুজো হয়ে আসছে প্রতিবছর। এর আগে অনুব্রত কংগ্রেসে থাকাকালীনও পুজো করতেন। কেষ্ট মন্ডলের কথায়, "আমি ১২ বছর বয়স থেকে পুজো করে আসছি। নিজেই ছোট বেলায় প্রতিমা গড়তাম। পরে একটু বড় হয়ে পাড়ার গলির ভিতর করতাম এই পুজো। তবে ১৯৮৮ সাল থেকে পার্টি অফিসে পুজো করে আসছি।" কেষ্ট পুজোর আয়োজনে কোন ত্রুটি রাখেন না। ষোড়শ উপাচারে দেবীর পুজো হয় পঞ্জিকা মেনে।সারা দিন উপবাসী হয়ে পুষ্পাঞ্জলি দেন কেষ্ট। এই পুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য জেলার প্রায় সব তৃণমূল নেতাই হাজির থেকে মা-কে অলংকার উপহার দেন। তাদের কেউ বা মনস্কামনা পূর্ণ হবার জন্য আবার কেউ ভালোবেসে দেন। তবে এই দেওয়ার পরিমাণ যা দাঁড়িয়েছে তাতে মা কালী বর্তমানে ১৮০ ভরির বেশি সোনার অলংকারে ভূষিত। তবে মা-কে গহনা পড়ানোর বেশী ভাগটাই অবশ্যই কেষ্ট মন্ডলের দেওয়া। তবে ফি বছর অনুব্রত নিজে মা-কে সোনা গহনা করিয়ে পরান মনস্কামনা পূর্ণ হতেই। কেষ্টর কথায়, "মা আমাকে আজ পর্যন্ত নিরাশ করেননি। যা চেয়েছি তাই দিয়েছেন দু হাত ভরে। মা নিজের অলংকার নিজেই করে নেন। তার জন্য কাউকে কোন দিন কিছু বলার দরকার হয় না। মা দলের নেতা থেকে মন্ত্রী, বিধায়ক থেকে সাধারণ কর্মী সকল কেই দুহাত তুলে আশীর্বাদ দেন। " কেষ্ট মন্ডল বলেন," আমি গতবার মা কে বলেছিলাম বীরভূম জেলা পরিষদ এর ৪২ এ ৪২ করে দাও মা। মা করেছেন তাই এবার মা কে ১২ ভরি সোনার মুন্ড মালা করিয়ে দিয়েছি। এছাড়াও চার হাতে বালা, দুই হাতে আঙটি, চার হাতে চারটে বাঁক দেওয়া হযেছে। এছাড়াও আরও অনেকেই এটা ওটা দিয়েছে। এবারই নতুন করে ৪০ ভরির মত গাহনা পরেছে মা। এখন প্রায় ২০০ ভরির কাছাকাছি গহনা হয়ে গেল মা-এর "। পুজোর দিন সকাল থেকেই সাজো সাজো রব। দলের ছেলেরা কেউ বাজার কেউ ফল মিষ্টি জোগাড় করছে আবার অনেকে রাতে খাওয়া দাওয়া জন্য তদারকি করছে। কালী পুজোর রাতে মা এর ভোগের জন্য ৯ রকমের ভাজা, লুচি, ৯ রকমের মিষ্টি, তরকারি, পায়েস। এছাড়াও কয়েক হাজার লোকের জন্য খিচুড়ি বাঁধা কফির তরকারি, পাঁঠার মাংস পায়েস চাটনী ব্যবস্থা করা হয়েছে। আজ রাতে পুজো শেষে প্রায় তিন চার হাজার নেতা কর্মী সমর্থক প্রসাদ খায় পার্টি অফিসে। জেলার বিধায়ক মন্ত্রী জেলার নেতারা ব্লক নেতারা সন্ধ্যা হতেই হাজির হতে শুরু করেছে শক্তি আরাধনায় অংশ নিতে। কেষ্ট কথায়, "দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামে সংকল্প হয় আমার ও দলের আরও অনেকের নামেই পুজো হয়। মা এর কাছে সকলেই পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে প্রার্থনা করি মা জেলায় যেন কোন অশান্তি না হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উন্নয়ন যেন অব্যাহত থাকে।" হিন্দুস্থান সমাচার/ হেমাভ/ শ্রেয়সী/ কাকলি
image