Hindusthan Samachar
Banner 2 बुधवार, नवम्बर 14, 2018 | समय 14:06 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

হুগলী জেলায় ঐতিহাসিক স্থাপত্যগুলি পরিদর্শনে পর্যটন মন্ত্রী

By HindusthanSamachar | Publish Date: Nov 7 2018 6:46PM
হুগলী জেলায় ঐতিহাসিক স্থাপত্যগুলি পরিদর্শনে পর্যটন মন্ত্রী
হুগলী, ৭ নভেম্বর (হি.স.) : জেলার যে সব ঐতিহাসিক স্থাপত্য রয়েছে সেগুলি বর্তমানে কি অবস্থায় রয়েছে সেই বিভিন্ন পুরোনো ঐতিহাসিক জায়গাগুলি অাজ ঘুরে দেখলেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব। বুধবার হুগলি জেলার পর্যটন ক্ষেত্রগুলো ঘুরে দেখতে আসেন তিনি।হুগলী জেলায় প্রথমে তিনি চন্দননগরের ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্কে যান তিনি। সেখান থেকে নিউ দীঘা পর্যটন কেন্দ্রকে অারও কি ভাবে অারও বড় পর্যটন কেন্দ্র করা যায় তা তিনি ঘুরে দেখলেন। এরপরেই শ্রীরামপুর যান তিনি সেখানে ডেনিসদের তৈরী বিভিন্ন হেটিটেজ বিল্ডিং গুলি ঘুরে দেখেন। গঙ্গা পাড়ে থাকা এখানে ডেনিসদের তৈরী কিছু বিল্ডিং ও ঐতিহাসিক চার্চটি বছর খানের অাগে ডেনমার্ক ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যৌথ উদ্যোগকে সংস্কার করা হয়। সেগুলি তিনি ঘুরে দেখেন।সেখান থেকে মাহেশ মন্দির ও রথ দেখতে যান পর্যটন মন্ত্রী ।বছর খানেক অাগে মুখ্যমন্ত্রী এই মাহেশের রথ ও জগন্নাথ দেবের মন্দির সংস্কার ও এ জায়গাকে কেন্দ্র করে বড় পর্যটন কেন্দ্র গড়ার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন।সেইমত রাজ্যর মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এখানে ঘুরেও দেখেন। কিন্তু বাস্তবে এখনো তার কোন রকম প্রচেষ্টা দেখা যায় নি।তিনি বলেন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি এই সব জায়গাগুলি ঘুরে দেখছেন।খুব শীঘ্রই মাহেশের জগন্নাথ মন্দির ও রথে সংস্কার করা হবে। সবার প্রথমে এখানে জিটি রোডের ওপর একটি তোরন গেট নির্মাণ করা হবে। ইতিমধ্যেই হেরিটেজ কমিটির সাথে কথা হয়েছে। অাশা করা হচ্ছে খুব দ্রুত কাজ শুরু হবে। এরপরে হুগলীর ফুরফুরা ও আঁটপুরের মঠও ঘুরে দেখেন মন্ত্রী।রাতে চুঁচুড়ায় হুগলি জেলা সার্কিট হাউসে রাত্রি বাস করবেন পর্যটন মন্ত্রী।আগামী কাল যাবেন বলাগড়ের সবুজদ্বীপ।হুগলি জেলার পর্যটনে আরও কিছু করার ভাবনায় পর্যটনকেন্দ্র গুলোকে ঢেলে সাজাতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।চন্দননগর ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্কে আধুনিক সুবিধা যুক্ত একটি চারতলা বিল্ডিং তৈরী করা হবে তার প্ল্যান রেডি হয়েছে।কনফারেন্স হল ৩০ টি ঘর থাকবে এই বিল্ডিং এ।শ্রীরামপুরে ডেনিসদের অনেক স্থাপত্য রয়েছে।ইতিমধ্যেই কোর্ট চত্বরে যেখানে গভর্নর হাউস ছিল সেই ভবনকে নতুন ভাবে সাজানো হয়েছে।একটি রেস্তোরাঁ করা হয়েছে।ছটি ঘরে হোম স্টের ব্যবস্থা রয়েছে।ডেনিসদের চার্চ সহ অন্যান্য স্থাপত্যের রক্ষনাবেক্ষনেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।মন্ত্রী বলেন মুখ্যমন্ত্রী চাইছেন গঙ্গাপারের সৌন্দর্য্যকে মানুষের কাছে আরো আকর্ষনীয় করতে।সেই মত কাজ হচ্ছে।হুগলিতে এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে পর্যটন হতে পারে।সেগুলোকে আমরা দেখে নিয়ে যেগুলো পুরানো আছে সেগুলোকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে চাইছি।মাহেশ ফুরফুরা আঁটপুরের জন্যও কিছু ভাবনা রয়েছে পর্যটন দপ্তরের জানান মন্ত্রী। হিন্দুস্থান সমাচার /শমিত /
image