Hindusthan Samachar
Banner 2 शुक्रवार, नवम्बर 16, 2018 | समय 11:34 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

আজ সিবিসিএস নিয়ে জরুরি বৈঠক

By HindusthanSamachar | Publish Date: Nov 8 2018 9:58AM
আজ সিবিসিএস নিয়ে জরুরি বৈঠক
কলকাতা, ৮ নভেম্বর (হি.স.) : কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর স্তরে চয়েস বেসড ক্রেডিট সিস্টেম (সিবিসিএস) খতিয়ে দেখতে আজ জরুরি বৈঠকে বসছেন আধিকারিকরা। সাম্প্রতিক সময়ে তিনবার এ নিয়ে বৈঠক করতে যাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। গত বছর শেষ পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে নয়া মূল্যায়ন পদ্ধতি বাতিল হয়ে গিয়েছিল। সূত্রের খবর, আজ বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বসবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ামক, বিভাগীয় ডিন ও অন্যান্যরা। পরীক্ষা কী ভাবে নেওয়া হবে, কারা নজরদারি করবেন— এ সব নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। ২০১৬ থেকে মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বদল আনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ২০১৭ সালে নয়া পদ্ধতিতে পরীক্ষা হয়। গত ২৫ জানুয়ারি ফল বেরোয় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএ ও বিএসসির পার্ট ওয়ানের। বিএ পার্ট ওয়ানে অনার্স ও জেনারেল মিলিয়ে ৫৭ শতাংশ পরীক্ষার্থীই ফেল করেছেন। জেনারেলে পাসের হার মাত্র ২০ শতাংশ। আশানুরূপ ফল হয়নি বিএসসি-তেও। সেখানে পাসের হার ৭১ শতাংশ। চুড়ান্ত ধাক্কা খায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়া পরীক্ষা পদ্ধতি। কাঠগড়ায় তোলা হয় নয়া মূল্যায়ন পদ্ধতিকে। এই রেকর্ড ফেলের জেরে গতবার ব্যাপক হইচই হয়। পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার জেরে আত্মঘাতী নিউ আলিপুর কলেজের ছাত্রী পর্ণা দত্ত। তাঁর সহপাঠী ও পরিবার এই নয়া পরীক্ষা পদ্ধতিকেই কাঠগড়ায় তোলেন। ফেলের এমন ভয়ানক নজিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে তলব করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছে মেনে পুরনো মূল্যায়ন পদ্ধতির পক্ষেই সম্মতি দেয় রাজ্য সরকার। এর আগেও, পড়ুয়াদের স্বার্থেই পুরোন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু রাখা হোক বলে বিধানসভা ভবনে জানান শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পার্ট ওয়ানের ফলাফল এত খারাপ কেন? কোথা থেকেই বা এই নয়া মূল্যায়ন বিধির সূত্রপাত? প্রশ্নের উত্তরে উঠে আসে কিছু বিষয়। আগে অনার্সের বিষয়ে যোগ্য নম্বর থাকলেই ঊত্তীর্ণ হওয়া যেত। জেনারেলে যেকোনও একটি পত্রে যোগ্য অর্থাত্‍ নির্দিষ্ট নম্বর পেলেই উত্তীর্ণ হতেন পরীক্ষার্থীরা। নতুন নিয়মে অনার্সে উত্তীর্ণ হতে গেলে পাস পেপার্সের অন্তত একটিতে যোগ্য নম্বর তুলতে হবে। জেনারেলের ক্ষেত্রেও তিনটির মধ্যে দু''টিতে উত্তীর্ণ হতে হবে। নয়া মূল্যায়ন বিধি নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্‍কালীন উপাচার্য সুগত মারজিত। সুগত মারজিত চলে যাওয়ার পর নয়া পরীক্ষা বিধি তৈরি করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য স্বাগত সেন। ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ ওই বিধি নিজের ক্ষমতা প্রয়োগ করে কার্যকর করেন। অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপেক্ষা করে এই বিধি কার্যকর করার আগে সিন্ডিকেট বৈঠকে আলোচনাই হয়নি। এমনকী সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাজ্যপালকেও। পার্ট ১ পরীক্ষার ৪ মাস আগে কার্যকর হয় নয়া মূল্যায়ন পদ্ধতি। এবার তাই কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছেন না কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। যাদবপুরে ইতিমধ্যে এই নয়া ব্যবস্থা চালু হয়েছে। বড় জটিলতা হয়নি। সতর্ক এবং সচেতনভাবে এর প্রয়োগ না হলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বাড়েও সমস্যার আশঙ্কা রয়েছে। চলতি সপ্তাহেই ঠিক হয়েছে, স্নাতকৌত্তর স্তরে সিমেস্টার পরীক্ষার নির্ঘন্ট পরীক্ষা নিয়ামক বিভাগে সুপারিশ করবে বোর্ড অফ স্টাডিজ। হিন্দুস্থান সমাচার/ অশোক
image