Hindusthan Samachar
Banner 2 सोमवार, नवम्बर 19, 2018 | समय 20:49 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

শুক্রবার হাইলাকান্দিতে পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি

By HindusthanSamachar | Publish Date: Nov 8 2018 7:10PM
শুক্রবার হাইলাকান্দিতে পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি
হাইলাকান্দি (অসম), ৮ নভেম্বর, (হি.স.) : পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য আগামীকাল ৯ নভেম্বর হাইলাকান্দি জেলায় বিজ্ঞপ্তি জারি হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচন সুন্দর, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে হাইলাকান্দি জেলা প্রশাসন পুরোপুরি প্রস্তুত। হাইলাকান্দির জেলাশাসক আদিল খান এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, বরাকের অন্য দুই জেলার সঙ্গে হাইলাকান্দিতেও দ্বিতীয় পর্যায়ে আগামী নয় ডিসেম্বর পঞ্চায়েত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ডিসি আদিল খান জানান, আগামী ৯ নভেম্বর নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হবে ১৯ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করা হবে ২০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ হচ্ছে ২২ নভেম্বর। ওই দিনই বৈধ মনোনয়নপত্র দাখিলকারীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং ৯ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ হবে। ভোটগ্রহণের পর প্রয়োজন হলে ১১ ডিসেম্বর পুনর্ভোট হবে। এর পর ১২ ডিসেম্বর ভোটগণনা এবং ফলাফল ঘোষণা করা হবে। তিনি জানান, এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে হাইলাকান্দি জেলার তিন লক্ষ ৮৭ হাজার ১৩২ জন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক ভোটদানে অংশগ্রহণ করবেন। তার মধ্যে দুই লক্ষ ১৩ হাজার ৩০৯ জন পুরুষ এবং এক লক্ষ ৭৩ হাজার ৮২৩ জন মহিলা ভোটার রয়েছেন। হাইলাকান্দি জেলার ১১টি জেলা পরিষদ, ৬২টি গ্রামপঞ্চায়েত এবং ৬২টি আঞ্চলিক পঞ্চায়েত পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই সঙ্গে ৬২০টি পঞ্চায়েত সদস্য পদের জন্যও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। হাইলাকান্দি জেলার ১১টি জেলা পরিষদ আসনের মধ্যে পাঁচটি আসন মহিলা এবং একটি আসন তফশিলি মহিলার জন্য সংরক্ষিত করা হয়েছে। জেলাশাসক আরও জানান, নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে-সঙ্গেই আচরণবিধি লাগু হয়ে গেছে। জেলার ৬২টি গ্রামপঞ্চায়েতে মোট ৬৩৭টি ভোটদান কেন্দ্র রয়েছে। এগুলির মধ্যে ১২টি সাহায্যকারী ভোটদান কেন্দ্র। জেলাশাসক জানান, ২০১৮ সালের ১৯ মার্চের আগে পর্যন্ত যাঁদের দুইয়ের বেশি সন্তানের জন্ম হয়েছিল তাঁদের নির্বাচনে লড়তে কোনও বাধা নেই। কিন্তু দুই সন্তানের জনক-জননীর এই সময়সীমার পর যদি আরও কোনও সন্তান জন্মগ্রহণ করে থাকে তা হলে সেই ব্যক্তি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। সোজা কথায়, এ সংক্রান্ত আইন পাস হওয়ার পর যদি কেউ দুইয়ের অধিক সন্তানের পিতা-মাতা হন তা হলে তাঁরা পঞ্চায়েত নির্বাচনে লড়তে পারবেন না। পাশাপাশি জেলাশাসক জেলা পরিষদের সাধারণ শ্রেণির প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা হায়ার সেকেন্ডারি পাশ বা তার সমতুল্য হতে হবে বলে জানান। তবে তফশিলি জাতি উপজাতি ও পশ্চাদপদ শ্রেণির প্রার্থীদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা মাধ্যমিক হলেই চলবে। অন্যদিকে আঞ্চলিক পঞ্চায়েত সদস্য এবং গ্রামপঞ্চায়েত সভাপতি পদে সাধারণ শ্রেণির প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা মাধ্যমিক পাশ অথবা সমতুল্য হতে হবে। কিন্তু তফশিলি জাতি উপজাতি এবং অনগ্রসর শ্রেণির প্রার্থীদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ বলে ধার্য করা হয়েছে। এছাড়া গ্রামপঞ্চায়েত সদস্য পদে সাধারণ শ্রেণির প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ষষ্ঠ শ্রেণি পাশ অথবা সমতুল্য হতে হবে। তবে তফশিলি জাতি উপজাতি এবং অনগ্রসর শ্রেণির প্রার্থীদের নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা ধার্য করা নেই। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে পুলিশ সুপার মহণীষ মিশ্র প্রমুখ জেলা প্রশাসনের অন্য আধিকারিকরা ছিলেন। হিন্দুস্থান সমাচার / তুতন / এসকেডি/সঞ্জয়
image