Hindusthan Samachar
Banner 2 मंगलवार, नवम्बर 20, 2018 | समय 13:33 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

কলকাতায় বকেয়া কর আদায়ে উদ্যোগী হচ্ছে পুরসভা, জারি সার্কুলার

By HindusthanSamachar | Publish Date: Nov 9 2018 2:55PM
কলকাতায় বকেয়া কর আদায়ে উদ্যোগী হচ্ছে পুরসভা, জারি সার্কুলার
কলকাতা, ৯ নভেম্বর (হি.স.): পুর কোষাগারে অর্থের যোগান বাড়াতে বকেয়ায় কর আদায়ে তৎপর হচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে জারি হয়েছে সার্কুলার। আগামী সপ্তাহ থেকেই শুরু হচ্ছে এর প্রস্তুতি। মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুরসভার কমিশনার খলিল আহমেদ সার্কুলারের মাধ্যমে জানিয়েছেন, আইনি জটিলতায় জর্জরিত থাকা সম্পত্তির মালিকই হোন বা ইচ্ছে করে বকেয়া রাখা বাসিন্দাই হোন, খুঁজে বের করা হবে প্রত্যেককেই। তারপর বকেয়া অর্থ আদায় করতে হবে। প্রয়োজনে নিতে হবে কড়া সিদ্ধান্তও। কর মূল্যায়ন বিভাগের এক শীর্ষকর্তার কথায়, এমনিতেই বকেয়া কর আদায়ে নানান সরলীকরণ করেও তেমনভাবে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারেননি শীর্ষকর্তারা। সরলীকরণে আখেরে পুর প্রশাসনের ক্ষতিই হয়েছে। আশা করা হচ্ছে নতুন এই উদ্যোগ ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করবে। কলকাতায় সম্পত্তি কর আদায়ের পরিমাণ গত কয়েকটি আর্থিক বছরে খুব স্বস্তিদায়ক নয়। অথচ পুরসভার অর্থের মূল জোগানদার এই সম্পত্তি কর। চলতি আর্থিক বছরে ঘাটতি কিছুটা পুষিয়ে এখনও পর্যন্ত কর আদায়ের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ন’শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু তাতেও খুশি নয় পুর কর্তৃপক্ষ। তাই এবার সম্পত্তি কর আদায় বাড়াতে করদাতাদের বকেয়ার তথ্য বিশ্লেষণ করবে তারা। এর ভিত্তিতে বকেয়া কর আদায়ের অভিযান জোরদার করা হবে। পুরসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত পাঁচ বছর ধরে যাঁরা কর বকেয়া রেখেছেন অথবা যে করদাতারা পাঁচ লক্ষ টাকারও বেশি কর বকেয়া রেখে সুবিধা ভোগ করে চলেছেন, তাঁদের খুঁজে বের করা হবে। তার পর প্রথমে সতর্কবার্তা সহ বকেয়া সম্পত্তি কর চাওয়া হবে। এর পরের পর্যায়ে খেলাপি করদাতাদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে আইনি নোটিস। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পথে হাঁটবেন পুরকর্তারা। কিন্তু পুর অ্যাসেসমেন্ট বিভাগের এক প্রবীন অফিসার ‘হিন্দুস্থান সমাচার’-কে জানান, “অতীতে নানা সময় কর্তৃপক্ষ এ রকম হুমকি দিয়েছিল। কাজের কাজ খুব একটা করতে পারেনি।" এ বার কর বিশ্লেষণের জন্য বছরসীমা এবং বকেয়া টাকা, দু’রকমের বিষয় দেখা হচ্ছে কেন? এক কর্তা বেহালা এলাকার উদাহরণ দিয়ে বললেন, ওখানে পাঁচ বা তিন লক্ষ টাকার বেশি কর বকেয়া রেখেছেন, এরকম হয়তো মিলবে না। কিন্তু পাঁচ বছর ধরে কর দিচ্ছেন না, এরকম কেস খুঁজলেই বেরবে। তাই দু’টি দিকই বিশ্লেষণের মধ্যে রাখা হচ্ছে। পুরসভার নিজস্ব তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে শহরে প্রায় সাত লক্ষ করদাতা রয়েছেন। কিন্তু সংযুক্ত এলাকা এবং বন্দর এলাকার একাধিক বাড়ি বা জমির কর মূল্যায়নই আজ পর্যন্ত হয়নি। শহরে ১৬টি বরোতে কতগুলি বাড়ি বেআইনি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, কতগুলি সঠিক সম্পত্তি কর দেয়, এই ধরনের নানা তথ্য ইতিমধ্যে সংগ্রহ করেছে রাজস্ব বিভাগ। সূত্রের খবর, অনেক বাড়ি বা বহুতলের মিউটেশন বা অ্যাসেসমেন্ট না হওয়া সত্ত্বেও দিনের পর দিন সেখানে বাসিন্দারা বসবাস করছেন। এমন অনেক বহুতল বা বাড়ি রয়েছে, যার একটি অংশ বাণিজ্যিক কাজে ভাড়া দেওয়া হয়েছে, অথবা ব্যবহার করা হচ্ছে পুরসভাকে অন্ধকারে রেখেই। নিজস্ব পরিকাঠামোর অভাবে সেই সম্পত্তিগুলির কর নির্ধারণও করতে পারেনি পুর প্রশাসন। হিন্দুস্থান সমাচার/ অশোক/ রাকেশ
image