Hindusthan Samachar
Banner 2 सोमवार, नवम्बर 19, 2018 | समय 21:01 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

রোজগারের আশায় মন্দিরে দর্শনার্থীদের জুতো আগলাচ্ছে অন্য মায়েরা

By HindusthanSamachar | Publish Date: Nov 9 2018 4:32PM
রোজগারের আশায় মন্দিরে দর্শনার্থীদের জুতো আগলাচ্ছে অন্য মায়েরা
কলকাতা, ৯ নভেম্বর (হি.স.) : ব্যস্ত রাস্তার ধারে একচিলতে জায়গায় মন্দির । মন্দিরে দুধারের ফুটপাথ জুড়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা রুজির জন্য । মায়ের মন্দিরকে ঘিরেই দু’বেলা হাঁড়ি চড়ে তাঁদের । মোটা টাকা আঁচলে বেঁধে ঘরে ঢুকবেন,সেই আশাতেই সকাল থেকে রাত অবধি ঠায় বসে থাকেন মন্দির প্রাঙ্গণে । ঠনঠনিয়ায় কালী মায়ের মন্দিরের সামনেই দর্শনার্থীদের জুতো আগলান তাঁরা । কল্পনা, আরতি, অঞ্জু, জবা, মোমেনা মতো আরও অনেকে দিন-রাত্রি এক করে ভক্তদের দায়িত্বও নেন । ওঁদের ভরসায় রেখে মায়ের পুজো দিতে ঠনঠনিয়া মন্দিরে প্রতিদিনই ঢুকেছেন হাজারো দর্শনার্থী । আর পুজো দিতে আসা দর্শনার্থীদের জুতো আগলাচ্ছে তাঁরা । তাও মাত্র সারাদিনে ৩০-৪০ টাকা রোজগারের আশায় মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের জুতো আগলান তাঁরা । আর তাতেই চলে তাদের সংসার । মায়ের মন্দিরে ঠাঁই পেতে কেউ কেউ আসেন সোদপুর, খড়দা,এমন কি মছলন্দপুর থেকেও । যাতে তাঁদের সন্তান থাকে দুধে ভাতে । সারাবছরই এখানেই থাকেন তাঁরা । জুতো রক্ষী আরতি সাহা জানায়, ''যাঁরা আসেন এখানে, ওঁদের থেকে কিছু না কিছু পাই । এভাবেই চলছে আমাদের''। তবে, কালীপুজোর আগে এবং পরের সময়টা সকাল থেকেই মন্দিরের প্রাঙ্গনে থাকেন তাঁরা । এই সময় পুজোর রেশ থাকায় রোজগার বেশ অনেকটাই বাড়ে বলে জানান কল্পনা ঘোষ । ভাগ্য ভাল থাকলে ৩০-৪০ টাকার বদলে ১০০-২০০ টাকাও রোজগার হয় বলে জানান তিনি । পুজোর দিন গুলোতে বাড়তি রোজগারের আশায় ঠনঠনিয়া মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের জুতো আগলান অঞ্জু মন্ডলও । তবে, সরকারি সাহায্য মেলেনি বলে বেশ কিছুটা ক্ষোভ তাঁর চোখে । আরতি,অঞ্জু,কল্পনা ছাড়াও আরও অনেকেই আছেন যারা দুমুঠো ভাতের জন্য দিন-রাত্রি এক করে জুতো আগলাছে দর্শনার্থীদের । তা উপলব্ধি করা যায় ঠনঠনিয়া কালীবাড়ীর এক চিলতে ফুটপাতে অন্ন সংগ্রহকারীদের দেখলে । হিন্দুস্থান সমাচার / পায়েল / হীরক
image