Hindusthan Samachar
Banner 2 शनिवार, नवम्बर 17, 2018 | समय 10:04 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

কলিয়াভোমরা সেতুতে সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচ

By HindusthanSamachar | Publish Date: Nov 9 2018 4:43PM
কলিয়াভোমরা সেতুতে  সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচ
তেজপুর (অসম), ৯ নভেম্বর (হি.স.) : অসমের শোণিতপুর জেলার কলিয়াভোমরা সেতুর ওপর বৃহস্পতিবার রাতে সংঘটিত ভয়ংকর সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচ হয়েছে। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে এক মহিলা-সহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছিল। সংকটজনক অবস্থায় গুয়াহাটি নিয়ে যাওয়ার পথে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের দুজনের বাড়ি ২ নম্বর বরঘুলিতে। তাঁরা নুর ইসলাম এবং ওমর আলি। বৃহস্পতিবার সংঘটিত দুৰ্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই নিহতদের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা সকলেই নগাঁও জেলার বাসিন্দা। তাঁদের রূপহিহাটের জামারুল ইসলাম, সামাগুড়ির সফিকুল ইসলাম এবং ন-পূর্বথুরিয়ার অল্পনা বরা বলে শনাক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা প্রায় সাতটা নাগাদ তেজপুরের কলিয়াভোমরা সেতুর ওপর দিয়ে যাচ্ছিল এএস ১২ এসি ১৮৩৭ নম্বরের একটি যাত্রীবাহী ট্র্যাভেলার। সেতুর ওপর দাঁড়িয়েছিল এএস ০৯ সি ৮৫৮৮ নম্বরের একটি লরি। যান্ত্রিক গোলযোগের দরুন লরিটি সেতুর ওপর আটকে পড়ায় সেখানেই দাঁড়িয়ে পড়ে। ইতিমধ্যে যাত্রীবাহী ট্র্যাভেলারটি আচমকা গিয়ে ট্রাকের পিছন থেকে সজোরে ধাক্কা মারে। এতে ঘটনাস্থলে তিন যাত্রী মৃত্যুবরণ করেছিলেন। এদিকে ঘটনার সঙ্গে-সঙ্গে সেতুর ওপর টহলদারি পুলিশের দল গিয়ে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্র্যাভেলারের ভিতর থেকে আহতদের উদ্ধার করে তেজপুর কনকলতা সিভিল হাসপাতালে ছয়জন এবং তেজপুর ব্যাপটিস্ট খ্ৰিস্টান মিশনারি হাসপাতালে ১০ জনকে নিয়ে ভরতি করা হয়। এদিকে আহতদের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা যথাক্রমে মৌসুমী বরা, রুলি বরা, পূর্ণিমা বরা, কাদির হুসেন, দেবল দাস, মিঠুন বিশ্বাস, জাকির হুসেন, শ্ৰীরাম রাজভর এবং প্রকাশ সাহু। এছাড়া শারীরিক অবস্থা সংকটজনক বলে ওমর আলি, রবি জাগি, নুর ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, মইনুল ইসলাম, এবং আবু সামাদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পঠানো হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত রাস্তায় নুর ইসলাম এবং ওমর আলির মৃত্যু হয়। জানা গেছে, ট্র্যাভেলারটি তেজপুরের দোলাবাড়ি থেকে বার্জার কোম্পানির শ্রমিকদের নিয়ে যাচ্ছিল। গাড়িতে নগাঁও জেলার সুলুং উলুবনি, পূর্বথরিয়া, বড়গুড়ি প্রভৃতি জায়গার বাসিন্দা ছিলেন। হিন্দুস্থান সমাচার / অমল / এসকেডি
image