Hindusthan Samachar
Banner 2 गुरुवार, नवम्बर 22, 2018 | समय 16:50 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

ঝাড়গ্রামে ভাইফোঁটায় গিরিগোবর্ধন পূজা

By HindusthanSamachar | Publish Date: Nov 9 2018 8:39PM
ঝাড়গ্রামে ভাইফোঁটায় গিরিগোবর্ধন পূজা
ঝাড়্গ্রাম, ৯ নভেম্বর (হি. স.) : পাহাড়ের হাতে শ্রীকৃষ্ণের মূর্তি আর গরু বাছুরের মূর্তিতে প্রতিবছর ভাইফোঁটার আগের দিন প্রতিপদে পুজিত হয় গিরিগোবর্ধন। আর এই গিরিগোবর্ধনের পুজাকে ঘিরেই ব্যাপক উৎসাহ আর উদ্দিপনা তৈরি হয় বেলপাহাড়ী ভেলাইডিহা অঞ্চলের হিজালা গ্রামে। গত আটত্রিশ বছর ধরে গিরিগোবর্ধনের পুজা করে আসছেন গোয়ালা সম্প্রদায়ের মানুষ জন। আর পূজা ঘিরে পুরো গ্রামের গোয়াল সম্প্রদায়ের মানুষ জন একত্রিত হয়ে পূজায় সামিল হন। গ্রামবাসীরা নিজেদের মধ্যে থেকে চাঁদা তুলে পুরোপুরি নিজেরা দায়িত্ব নিয়ে এই পূজা করে আসছেন।বৃহস্পতিবার এই পূজার সুচানা হয়।পূজা উপলক্ষে খিচুড়ি ভোগ বিতরণ হয়।বহু মানুষজন পংক্তিভজন করেন এই পূজা উপলক্ষে। শুক্রবার পন্ডপে মানুষের ঢল নামে। দূর দূরান্ত থেকে এদিন বহু মানুষ আসেন গিরিগোবর্ধনের এই মূর্তি দেখতে।গত ৩৮ বছর ধরে টানা এই পুজো হয়ে আসছে। এক সময় যখন বেলপাহাড়ি মাওবাদীদের আতুর ঘর ছিল তখনও কোন বছরই পূজা বন্ধ হয়নি। গ্রামের লোকজন নিজেদের সামর্থ অনুযায়ী চাঁদা দিয়ে এই পূজার আয়োজন এবং পরিচালানা করে আসছেন। শুক্রবারও গিরিগোবর্ধনের প্যান্ডেল থেকে প্রসাদ বিতরণ হয়েছে। প্রসাদ নিতে আসেন বহু লোকজন। পূজা শেষ হয়ে গেলেও গিরিগোবর্ধনের মূর্তি ভাসানো হয়নি গত কয়েক বছর ধরে। স্থানীয় ক্লাব ঘরে সযত্নে রাখা থাকে মূর্তিটি। যতদিন না পর্যন্ত মূর্তিটি ম্লান হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত রাখা থাকে। গিরিগোবর্ধন পূজার শুরুর দিন থেকে রয়েছেন গ্রামের শিবসাধন গিরি। তিনি ছিলেন গ্রামের লোকেদের মধ্যে অন্যতম উদ্যোক্তা।শিবসাধান গিরি বলেন, “শ্রীকৃষ্ণ নিজের হাতে পর্বত তুলে নিয়ে প্রবল বিপর্যয়ের মধ্যে গোয়ালাদের বাঁচিয়ে ছিলেন। তাই গোয়ালা সম্প্রদায়ের মানুষ জন আজও সেই কথা স্মরণে রেখেছে। তাই তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গোয়ালা সম্প্রদায়ের মানুষজন এই পূজা করে আসচ্ছ। শুরু থেকে আজ পর্যন্ত কোন অবস্থাতেই আমাদের এই পূজা বন্ধ হয়নি।” হিন্দুস্থান সমাচার/ গোপেশ
image