Hindusthan Samachar
Banner 2 बुधवार, मार्च 27, 2019 | समय 02:40 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

(লিড) সিবিআই গৃহযুদ্ধে সুপ্রিম রায় ডিরেক্টর পদে ফিরছেন অলোক বর্মা

By HindusthanSamachar | Publish Date: Jan 8 2019 9:38PM
(লিড) সিবিআই গৃহযুদ্ধে সুপ্রিম রায়  ডিরেক্টর পদে ফিরছেন অলোক বর্মা
নয়াদিল্লি, ৮ জানুয়ারি (হি.স.): সিবিআই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড়সড় ধাক্কা খেল কেন্দ্রীয় সরকার| অলোক বর্মাকে অপসারণ বা ছুটিতে পাঠানোর আদেশ খারিজ করে দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত| আর তাই ফের সিবিআই ডিরেক্টর পদে ফিরছেন অলোক বর্মা| তবে, পদে ফিরলেও কমিটি না বলা পর্যন্ত, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না তিনি| বলা যায় সীমিত ক্ষমতায় নিয়ে ডিরেক্টর পদে ফের বসতে চলছেন অলোক বর্মা। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে পর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেছেন, সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন (সিভিসি)-র সুপারিশেই ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেইস্টিগেশন (সিবিআই)-এর ডিরেক্টর অলোক বর্মা এবং সিবিআই-এর স্পেশ্যাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থানাকে| গত অক্টোবর মাসে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)-এর গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয় কেন্দ্রীয় সরকার| অন্যদিকে এই রায়কে স্বাগত জানিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘রাফাল দুর্নীতিতে তদন্ত করার জন্য মধ্যরাত একটা নাগাদ অপসারণ করা হয় সিবিআই ডিরেক্টরকে| এখন তাঁকে পুনর্বহাল করা হয়েছে, কিছুটা বিচার পেলেন তিনি| দেখা যাক এবার কি হয়|’ সিবিআই ডিরেক্টর অলোক বর্মা এবং স্পেশ্যাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থানা পরস্পরের প্রতি দুর্নীতির অভিযোগ আনার পরে দু’জনেরই ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে ছুটিতে পাঠিয়েছিল নরেন্দ্র মোদী সরকার| কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে শীর্ষ আদালতে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন অলোক বর্মা| কেন্দ্র, সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন ও অলোক বর্মার বক্তব্য শোনার পরে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের বেঞ্চ গত ৬ ডিসেম্বর রায়দান স্থগিত রেখেছিল| এদিন সিবিআই মামলায় সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের বেঞ্চে রায়দান করার কথা ছিল| কিন্তু, মঙ্গলবার তিনি ছুটিতে থাকায় সুপ্রিম কোর্টের ১২ নম্বর কোর্টে সিবিআই মামলার ফয়সালা শোনান বিচারপতি সঞ্জয় কিশান কৌল| প্রথমেই কেন্দ্রীয় সরকারকে বড়সড় ধাক্কা দিয়ে অলোক বর্মাকে অপসারণ বা ছুটিতে পাঠানোর আদেশ খারিজ করে দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত| আর তাই ফের সিবিআই ডিরেক্টর পদে ফিরছেন অলোক বর্মা| তবে, পদে ফিরলেও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না তিনি| প্রসঙ্গত, সিবিআই ডিরেক্টর অলোক বর্মা এবং সিবিআই-এর স্পেশ্যাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থানা পরস্পরের প্রতি দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিলেন| ওই পরিস্থিতিতে ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর মধ্যরাতে দু’জনকেই ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার| সিবিআই-এর অন্তর্বর্তীকালীন ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল নাগেশ্বর রাওকে| আচমকা ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অলোক বর্মা| শীর্ষ আদালতের নির্দেশে অলোক বর্মার বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখে তদন্তভার দেওয়া হয়েছিল সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন (সিভিসি)-কে| কেন্দ্র, সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন ও অলোক বর্মার বক্তব্য শোনার পরে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের বেঞ্চ গত ৬ ডিসেম্বর রায়দান স্থগিত রেখেছিল| এরপর মঙ্গলবার শুনানি শুরু হয় শীর্ষ আদালতে| মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, অলোক বর্মাকে পুনরায় সিবিআই ডিরেক্টর পদে ফিরিয়ে আনতে হবে| তবে, আপাতত তিনি কোনও গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না| কবে থেকে তাঁর উপর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা উঠবে, এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি| যত দ্রুত সম্ভব (সপ্তাহখানেকের মধ্যে) এই কমিটিকে বৈঠকে বসার নির্দেশ দিয়েছে আদালত| সিবিআই গৃহযুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে স্বাগত জানালেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী| মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাহুল গান্ধী বলেছেন, ‘রাফাল দুর্নীতিতে তদন্ত করার জন্য মধ্যরাত একটা নাগাদ অপসারণ করা হয় সিবিআই ডিরেক্টরকে| এখন তাঁকে পুনর্বহাল করা হয়েছে, কিছুটা বিচার পেলেন তিনি| দেখা যাক এবার কি হয়|’ সুপ্রিম রায়ের প্রেক্ষিতে কংগ্রেস নেতা তথা বিশিষ্ট আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেছেন, ‘মধ্যরাতে সিবিআই ডিরেক্টরকে অপসারণের নেপথ্যে একটি উদ্দেশ্য ছিল| উদ্দেশ্য ছিল, অলোক বর্মাকে কাজ করতে না দেওয়া| ওই উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়েছে| কেন্দ্র এবং সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন (সিভিসি)-এর সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট|’ সুপ্রিম কোর্টের রায়দানের পরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেছেন, ‘আমরা কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নই| সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত| রাফাল দুর্নীতিতে নিয়ে তদন্ত করেছিলেন অলোক বর্মা| তাই সরানো হয়েছিল তাঁকে|’ উদ্বেগ প্রকাশ করে খাড়গে বলেছেন, ‘এই রায়ের পর বড়সড় শিক্ষা পেল সরকার| জনসাধারণকে চাপে রাখার জন্য এখন আপনি এজেন্সির অপব্যবহার করবেন, আগামী দিনে অন্যরাও তাই করবে| তাহলে গণতন্ত্রের কি হবে?’ সুপ্রিম রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা প্রমুখ| এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে পর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেছেন, সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন (সিভিসি)-র সুপারিশেই ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেইস্টিগেশন (সিবিআই)-এর ডিরেক্টর অলোক বর্মা এবং সিবিআই-এর স্পেশ্যাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থানাকে| গত অক্টোবর মাসে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)-এর গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয় কেন্দ্রীয় সরকার| প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হস্তক্ষেপে সিবিআই-এর অন্তর্বর্তীকালীন ডিরেক্টর নিয়োগ করা হয় এম নাগেশ্বর রাওকে| পাশাপাশি ছুটিতে পাঠানো হয় সিবিআই ডিরেক্টর অলোক বর্মা এবং সিবিআই-এর স্পেশ্যাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থানাকে| আচমকা ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অলোক বর্মা| মঙ্গলবার কেন্দ্রকে বড়সড় ধাক্কা দিয়ে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, অলোক বর্মাকে পুনরায় সিবিআই ডিরেক্টর পদে ফিরিয়ে আনতে হবে| তবে, আপাতত তিনি কোনও গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না| এরপরই সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি জানিয়েছেন, ‘সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন (সিভিসি)-র সুপারিশেই ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেইস্টিগেশন (সিবিআই)-এর দু’জন পদাধিকারীকে|’ জেটলির কথায়, ‘সিভিসি-র সুপারিশ অনুযায়ী, সিবিআই-এর দু’জন অফিসার একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ এনেছিলেন, তাই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল|’ জেটলি আরও জানিয়েছেন, ‘এখন সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে, সেই মতোই পদক্ষেপ করা হবে|’ সিবিআই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানালেন কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা। সরকার যাবে আর আসবে। কিন্তু আমাদের সংস্থাগুলির অখণ্ডতা বজায় থাকবে বলে ট্যুইটারে দাবি করেছেন তিনি। মঙ্গলবার রায় ঘোষণার পর রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা বলেন, ''মোদী সরকার প্রথমে আরবিআই-এর দুই গভর্নর সহ চার আর্থিক উপদেষ্ঠাকে হারিয়েছে। দ্বিতীয়ত বিচারপতি লোয়ার মৃত্যু প্রতিবাদে জনসমক্ষে সরব সুপ্রিম কোর্টের চার বিচারপতি। পরে সিবিআই এবং সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনের মত সংস্থাগুলির বিশ্বাসযোগ্যতা এবং কর্মদক্ষতা ধ্বংস করে দিয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির মুখ বন্ধ করে দিতে চাইছেন মোদী। সরকারি পরিষেবা দেওয়ার বদলে সরকারের ক্ষমতা দেখানোর দম্ভ প্রকাশ পেয়েছে এতে। মোদীজি মনে রাখবেন সরকার এসেছে এবং চলে গিয়েছে। কিন্তু আমাদের সংস্থাগুলির অখণ্ডতা বজায় রয়েছে। এই রায় থেকে আমাদের গণতন্ত্র এবং সংবিধানের শক্তি সম্পর্কে শিক্ষা হওয়া উচিত আপনার। মোদী সরকার অবৈধ ভাবে সিবিআই-এর প্রধানকে তার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। এর ফলে ভুগতে হয়েছে সিবিআই প্রধানকে। রাফাল দুর্নীতির তদন্তের জন্যই ভয় পেয়েছিল কেন্দ্র।হিন্দুস্থান সমাচার/রাকেশ/শুভঙ্কর/কাকলি
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image