Hindusthan Samachar
Banner 2 शनिवार, जनवरी 19, 2019 | समय 16:32 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

দূষণ নিয়ন্ত্রণে অবিলম্বে উদ্যোগী হতে হবে সরকারকে, আর্জি পরিবেশবিদদের

By HindusthanSamachar | Publish Date: Jan 9 2019 9:35AM
দূষণ নিয়ন্ত্রণে অবিলম্বে উদ্যোগী হতে হবে সরকারকে, আর্জি পরিবেশবিদদের
কলকাতা, ৯ জানুয়ারি (হি.স.): কলকাতার দূষণ নিয়ন্ত্রণে অবিলম্বে সরকারকে উদ্যোগী হওয়ার আর্জি জানালেন পরিবেশবিদরা। তাঁদের মতে, শীতের গ্যাস চেম্বার হয়ে উঠেছে এই শহর। পরিবেশবিদ মোহিত রায় ‘হিন্দুস্থান সমাচার’-কে জানান, কলকাতার দুটি প্রধান দূষণ - শব্দ দূষণ এবং বায়ু দূষণ। শব্দ দূষণ বন্ধ করা কয়েক মিনিটের ব‍্যপার, স্রেফ একটি সরকারি আদেশ জারি করে তা পালনের ব‍্যবস্থা করা। যেভাবে কলকাতার ট্রাফিক এখন ভারত সেরা। বায়ু দূষণ কলকাতায় মহামারীর মতো। একে রুখতে প্রয়োজন বহুমুখী পদক্ষেপ। প্রথমটি হবে শহরের রাস্তঘাট সারিয়ে ঝকঝকে রাখা। এতেই শহর বাসীর অর্ধেক শ্বাসজনিত রোগ সেরে যাবে। বাতাসে ভাসমান ধূলিকণার নিরিখে কলকাতা এখন দিল্লিরও আগে। পরিবেশবিদরা বলছেন, এর প্রধান কারণ ডিজেল চালিত গাড়ির ধোঁয়া, কাঠ কয়লার ব্যবহার আর রাস্তার ধুলো। এই ভাসমান ধূলিকণা বড় পারটিকুলেট ম্যাটার্স বা পিএম১০। পরিবেশ দফতরের হিসেব বলছে, শহরের এই পিএম১০-এ ৩৭.৫‍% রাস্তার ধুলো। কয়লাজাত দ্রব্য বা জ্বালানি থেকে দূষণ ২৯.৮%, পাতা ও গাছের গুঁড়ি পোড়ানোয় দূষণের পরিমাণ ১১.৭% এবং অন্যান্য কারণে ২১%। আর এক পরিবেশবিদ সোমেন্দ্রমোহন ঘোষের মতে, বায়ুদূষণের নিরিখে কলকাতার অবস্থা খুব বিপজ্জনক। খুব খারাপ অবস্থা দুই প্রান্তিক স্টেশন হাওড়া ও শিয়ালদহের। ‘হিন্দুস্থান সমাচার‘-কে এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “পার্ক সার্কাস, মৌলালি, শ্যামবাজার ও ডানলপ— এই চার গুরুত্বপূর্ণ মোড়ের অবস্থা বিপজ্জনক। ধাপা, নোয়াপাড়া, বেলঘড়িয়া ও দমদম— জঞ্জাল পোড়ানোর এই চার জায়গার হাল খুব খারাপ। শীতের গ্যাস চেম্বার হয়ে উঠেছে এই শহর। বাতাসে শুকনো ভাসমান ধুলোর পরিমান প্রতি ঘনমিটারে হয়েছে ৪০০ মাইক্রোগ্রাম। এটা থাকা উচিত প্রতি ঘনমিটারে ৬০ মাইক্রোগ্রাম। নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে ৬-৭ গুন বেশি। পরিবেশ দফতর অবশ্য দাবি করেছে, পরিস্থিতি সামলাতে ১৫ বছরের পুরোন সব গাড়ির শহরে ঢোকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে যত্রতত্র বর্জ্য পোড়ানোর ব্যাপারে।গাছের গুঁড়ি, পাতা, প্লাসটিক পোড়ালে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হবে। পুরসভার তরফে রোজ রাস্তায় জল দেওয়া হচ্ছে ও গাছ পরিষ্কার করা হবে। দূষণ কমানোর দাওয়াই হিসাবে ঠিক হয়েছে, যাঁরা ফুটপাথের দোকানে কয়লার উনুনে রান্না করেন, তাঁদের ইলেকট্রিক হিটার বা কুকার দেওয়া হবে। হিন্দুস্থান সমাচার/ অশোক/ রাকেশ
image