Hindusthan Samachar
Banner 2 शनिवार, जनवरी 19, 2019 | समय 15:42 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

বন্‌ধের দ্বিতীয়দিনে আংশিক প্রভাব, সচল রাস্তা, কাজ হল চা বাগানে

By HindusthanSamachar | Publish Date: Jan 9 2019 4:04PM
বন্‌ধের দ্বিতীয়দিনে আংশিক প্রভাব, সচল রাস্তা, কাজ হল চা বাগানে
শিলিগুড়ি, ৯ জানুয়ারি (‌হি.‌স.)‌:‌ কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন এবং কেন্দ্রীয় ফেডারেশন সমূহের ডাকা ৪৮ ঘন্টা ধর্মঘটের দ্বিতীয়দিনে শিলিগুড়িতে আংশিক প্রভাব পড়ল। প্রথম দিন শিলিগুড়ি শহর স্তব্ধ হলেও, এদিন রাস্তা ছিল সচল। রাস্তায় গাড়িঘোরা চলেছে। সংখ্যায় কিছুটা কম ছিল। সরকারি ও বেসরকারি বাস সহ চলেছে অটো, টোটো। বেশিরভাগ স্কুল অবশ্য বন্ধ ছিল এদিনও। শহরের বিধান মার্কেট, হিলকার্ট রোড, হকার্স কর্ণার সহ বেশকিছু মার্কেটে দোকানপাট প্রায় বন্ধ ছিল। প্রসঙ্গত, প্রথম দিন মঙ্গলবার শিলিগুড়ি শহরে বন্‌ধের প্রভাব দেখা গেলেও, দ্বিতীয় দিন বুধবার প্রভাব শিথিল ছিল। এদিন শহরের বিভিন্ন মার্কেটে বাইরের খদ্দেরদের আনোগোনা ছিল ভালই। ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা ৪৮ ঘন্টার বনধের দ্বিতীয় দিনে মিশ্র সাড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায়। হকার্স কর্ণারে সকালের দিকে দোকান পাট তেমন না খোলা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খোলা হয় বেশিরভাগ দোকানই। অনেক ব্যবসায়ী আছেন যাঁরা দোকান না খুলে ফুটপাথে অস্থায়ীভাবে দোকান খুলে বসেছিলেন। মার্কেটের এক ব্যাবসায়ী জানান, দু’দিন পরপর বনধ থাকায় কিছুটা ক্ষতি তো হয়েছে। তাই ফুটপাথে দোকান দিয়ে কিছুটা লাভের মুখ দেখার চেষ্টা করছে অনেকেই। এদিকে, বনধের সমর্থনে এদিন সকাল থেকে দফায় দফায় মিছিল বের করে বামেরা। এদিন সকালে হিলকার্ট রোডের অনিল বিশ্বাস ভবন থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলে উপস্থিত রয়েছেন শিলিগুড়ির বিধায়ক তথা মেয়র অশোক ভট্টাচার্য, সমন পাঠক, অভিজিৎ মজুমদার সহ বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা। মিছিলটি হিলকার্ট রোড হয়ে জংশন পর্যন্ত যায় এবং সেখান থেকে ফের ফিরে আসে। এর কিছুক্ষণ পর পুনরায় অনিল বিশ্বাস ভবনের সামনে থেকে মিছিল বের করা হয়। যা কোর্টমোড় পর্যন্ত যায়। এলাকায় যে সব দোকানপাট খোলা ছিল সেগুলি বন্ধ করে দেওয়ার আবেদন রাখা হয় ব্যবসায়ীদের কাছে। এদিকে মিছিল ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তারজন্য বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, দুদিনের বন্‌ধ পুরোপুরি সার্থক। মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, শহর সংলগ্ন বেশকিছু চা বাগানে এদিন কাজ হয়েছে। বনধের দিনেও সচল চা বাগান। স্বাভাবিক ভাবেই চলছে বাগানের কাজ কর্ম। বনধের দ্বিতীয় দিনে শিলিগুড়ির অদূরে অবস্থিত দাগাপুর চা বাগানে শ্রমিকদের কাজ করতে দেখা যায় এদিন। এদিকে, মোহরগাওঁ এবং গুলমা চা বাগানেও স্বাভাবিক ছিল কাজকর্ম। শ্রমিক কম থাকলেও চলেছে কাজ। হিন্দুস্থান সমাচার/প্রভাস/ সঞ্জয়
image