Hindusthan Samachar
Banner 2 शनिवार, जनवरी 19, 2019 | समय 13:30 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

নিখিল নির্মল হলেন আদিবাসী উন্নয়ন পর্ষদের ম্যানেজিং ডিরেক্টর

By HindusthanSamachar | Publish Date: Jan 10 2019 5:28PM
নিখিল নির্মল হলেন আদিবাসী উন্নয়ন পর্ষদের ম্যানেজিং ডিরেক্টর
কলকাতা, ১০ জানুয়ারি (হি.স ) : বৃহস্পতিবার আলিপুর দুয়ারের জেলাশাসক নিখিল নির্মলকে বদলি করা হলো আদিবাসী উন্নয়ন পর্ষদের ম্যানেজিং ডিরেক্টর করে । তাঁর জায়গায় আলিপুরদুয়ারের নতুন ডিএম হচ্ছেন শুভাঞ্জন দাস । তিনি ছিলেন স্বাস্থ্য দফতরের অতিরিক্ত সচিব । বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারে আইএএস সেলের তরফে এই নির্দেশিকা জারি করা হয় । নির্দেশিকার নম্বর ৭৭-পিএআর ( আইএএস)/ ৭পি-২৩ / ২০১২ । তারিখ ১০ জানুয়ারি |নির্দেশিকায় রাজ্যপালের পক্ষে সই করেছেন রাজ্য সরকারে প্রধান সচিব পি কে মিশ্র । ফালাকাটা থানার ভিতর যুবককে বেধড়ক পেটানোর ঘটনায় জেলাশাসক নিখিল নির্মলকে আগেই বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়েছিল নবান্ন । নানা মহলের চাপে এ বার তাঁকে নবান্ন বদলি করল বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল । নিখিল নির্মলকে বদলি করার জন্য মঙ্গলবারই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিল নবান্ন । যেহেতু এখন গোটা দেশ জুড়ে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ চলছে, তাই সমস্ত জেলা শাসকই নির্বাচন কমিশনের অধীনে । বদলি করতে গেলে তাই কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন । দিল্লি থেকে সবুজ সংকেত আসতেই বদল করা হল ডিএমকে । ফেসবুকে জেলাশাসকের স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে অশালীন মন্তব্য করার অপরাধে বিনোদ সরকার নাম এক যুবককে ফালাকাটা থানায় তুলে এনে বেধরক মারধর করেন জেলাশাসক ও তাঁর স্ত্রী । মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় ওই ক্লিপিং । রাজ্য ছাড়িয়ে গোটা দেশে ছি ছি পড়ে যায় জেলাশাসকের ‘তাণ্ডব’ দেখে । আইএএস অস্যোসিয়েশনও এই ঘটনায় জেলাশাসকের শাস্তির দাবিতে সরব হয় । একটি অংশের মধ্যে এও ক্ষোভ ছিল, পুলিশ কেন নির্বাক দর্শকের ভূমিকা পালন করছিল ওই সময় । কেন আটকায়নি জেলাশাসক এবং তাঁর স্ত্রী নন্দিনী কৃষ্ণণকে ? বুধবার ফালাকাটার আইসিকেও বদলি করে দেওয়া হয় । তাঁর জায়গায় আনা হয় কোচবিহারের কোতোয়ালি থানার আইসিকে । কোচবিহার কোতোয়ালিতে পাঠানো হয় ফালাকাটার আইসিকে । বিনোদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, ফেসবুকের একটি গ্রুপে জেলাশাসকের স্ত্রীকে অশালীন মন্তব্য করেছিলেন তিনি । এই অভিযোগে প্রথমে তাঁকে থানায় তুলে নিয়ে যায় পুলিশ । পরে জেলাশাসক এবং তাঁর স্ত্রী এসে শুরু করেন ‘তাণ্ডব’। ওই ভিডিও ফুটেজে শোনা গিয়েছিল, জেলাশাসক বলছেন, ‘আমার জেলায়, আমার উপরে কেউ কথা বলবে না’। এই সূত্রে উঠে আসে জেলাশাসকের শাশুড়ি-সহ আত্মীয়দের ক্ষমতার অপব্যবহারের নানা অভিযোগও । শেষমেশ তাঁকে উত্তরবঙ্গের জেলা থেকে আদিবাসী উন্নয়ন দফতরে পাঠিয়ে দিল রাজ্যের সচিবালয় । হিন্দুস্থান সমাচার / হীরক / কাকলি
image