Hindusthan Samachar
Banner 2 मंगलवार, मार्च 19, 2019 | समय 20:17 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

স্বাস্থ্য পরিষেবাকে ক্রেতা-সুরক্ষা আইনের আওতার বাইরে রাখতে উদ্যোগী ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টর্স ফোরাম’

By HindusthanSamachar | Publish Date: Jan 10 2019 10:23PM
স্বাস্থ্য পরিষেবাকে ক্রেতা-সুরক্ষা আইনের আওতার বাইরে রাখতে উদ্যোগী ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টর্স ফোরাম’
কলকাতা, ১০ জানুয়ারি (হি. স.): স্বাস্থ্য পরিষেবাকে নিয়ে ক্রেতা-সুরক্ষা আইনের আওতায় আনার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে চলেছে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টর্স ফোরাম’। বৃহস্পতিবার সংগঠনের তরফে এ কথা ঘোষণা করা হয়| ১৯৮৬-তে স্বাস্থ্য পরিষেবাকে নিয়ে আসা হয় ক্রেতা-সুরক্ষা আইনের আওতায়। বেসরকারি হাসপাতালের বিলের উপরে সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগের ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী আলোচনা করেছেন। হাসপাতালগুলি কতটা তা মেনে চলবে তা ভবিষ্যতই বলবে। সরকারের বক্তব্য, আপাতত ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের আইনের মাধ্যমেই চিকিৎসকদের এবং হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো যেতে পারে। বছরে হাসপাতাল সংক্রান্ত প্রায় ৭০০ অভিযোগ জমা পড়ে ক্রেতা সুরক্ষা দফতরে। ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টর্স ফোরাম’-এর সভাপতি অর্জুন দাশগুপ্ত বৃহস্পতিবার বলেন, “ক্রেতা-সুরক্ষা আইনের ফলে চিকিৎসকদের পরিষেবা আর টুথপেস্ট, নুন-চিনি এক হয়ে গেল।। আমরা এটা মেনে নিতে পারি না|” পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে অবশ্য চিকিৎসকদের এবং হাসপাতালকে আইনের আওতায় আনার স্বপক্ষে সায় দিয়েছেন। তাঁর মতে, পরিষেবা সংক্রান্ত যে কোনও অভিযোগ কেউ জানাতে পারেন। বেসরকারি হাসপাতাল নিয়ে মূলতঃ আমরা যে তিনটি ক্ষেত্রে অভিযোগ পাই তা হল— ১) চিকিৎসায় গাফিলতি ২) হাসপাতালের বিলে গরমিল এবংর ৩) হাসপাতালের পরিষেবায় গাফিলতি। অভিযোগকারীরা সরাসরি কলকাতায় আমার দফতর ১১ এ, মির্জা গালিব স্ট্রিটে এসে অভিযোগ জানাতে পারেন। সেখানে আমাদের অফিসাররা তাঁদের সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন। আমাদের ওয়েবসাইট wbconsumers.gov.in-এ দেওয়া নম্বর ১৮০০৩৪৫২৮০৮-এ ফোন করতে পারেন বা অনলাইনও অভিযোগ জানাতে পারেন। আমরা সব রকম সহায়তা করতে তৈরি রয়েছি। আমাদের জেলা সদরগুলিতে ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের রিজিওনাল অফিসে কেউ যোগাযোগ করতে পারেন। সেখানে এক জন করে অ্যাসিসট্যান্ট ডিরেক্টর রয়েছেন। তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগ নিয়ে নেবেন। কোনও ব্যক্তির হাসপাতালে ভর্তির কাগজ, প্রত্যেকটি বিল, ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন এ সব নথি অবশ্যই জমা দিতে হবে। এ ছাড়াও কোনও রোগীর ক্ষেত্রে বিশেষ কোনও নথি লাগবে কিনা, তা আমাদের অফিসাররা বলে দিতে পারবেন। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা রেজাউল করিম এ দিন বলেন, “আমরা বিষয়টি নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে বিশদ কথা বলেছি। আরও গুছিয়ে আমরা মামলা করব। এটা একটা দীর্ঘ এবং ব্যয়সাপেক্ষ লড়াই।” এই আইন লাগু থাকলে তার প্রভাব রোগী বা সাধারণ মানুষের ওপর পড়বে বলেও এ দিন হুঁশিয়ারি দেন চিকিৎসকরা। এর যুক্তি হিসাবে চিকিৎসকরা বলেন, “চিকিৎসকদের যদি জরিমানা করা হয়,সেই টাকাটা ওঁরা তো রোগীর কাছ থেকেই আদায় করবেন।” হিন্দুস্থান সমাচার/ অশোক / কাকলি
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image