Hindusthan Samachar
Banner 2 शनिवार, जनवरी 19, 2019 | समय 15:34 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

আলোক বর্মার সঙ্গে অবিচার হয়েছে, মনে করেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামী

By HindusthanSamachar | Publish Date: Jan 12 2019 4:56PM
আলোক বর্মার সঙ্গে অবিচার হয়েছে, মনে করেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামী
নয়াদিল্লি, ১২ জানুয়ারি (হি.স.) : সিবিআই আধিকর্তার পদ থেকে আলোক বর্মার অপসারণকে অবিচার বললেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। শনিবার তিনি বলেন বর্মার বিরুদ্ধে ভিজিলান্স কমিটি যে তদন্ত করেছিল, সেখানে নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়ার জন্য প্রাক্তন সিবিআই ডিরেক্টরকে আমন্ত্রণ জানানো উচিত ছিল। সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে পুনঃবহালের পর সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন (সিভিসি)- রিপোর্টকেই হাতিয়ার করে গত বৃহস্পতিবার সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)-এর অধিকর্তার পদ থেকে অলোক বর্মাকে অপসারণ করে সিলেক্ট কমিটি। এবিষয়ে বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী বলেন, “সিভিসি-র পক্ষ থেকে অলোক বর্মা তদন্তে কোনও রায় দেওয়া হয়নি, শুধু প্রাথমিক তদন্ত করা হয়েছিল। স্পেশাল কমিটির বিচারপতি পট্টনায়কের মন্তব্য শুনে বর্মার মত শোনার জন্য তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো উচিত”। এর আগে অলোক বর্মার অপসারণ নিয়ে মুখ খুলে সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনের তদন্তে নেতৃত্ব দেওয়া অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনঙ্গ কুমার পট্টনায়েক দাবি করেন, সিভিসির রিপোর্ট তাঁর নয়। সিবিআইয়ের বিশেষ অধিকর্তা রাকেশ আস্থানার অভিযোগের ভিত্তিতে তৈরি হয় ওই রিপোর্ট। সিবিআইয়ের বিশেষ অধিকর্তা রাকেশ আস্থানার অভিযোগের ভিত্তিতে তৈরি হয় ওই রিপোর্ট। এমনকি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি পট্টনায়েকের আরও দাবি, তাঁর কাছে সিভিসি-র পাঠানো রিপোর্টে আস্থানার স্বাক্ষর করা ছিল। পট্টনায়েকের মুখোমুখি হননি আস্থানা। তাঁর দাবি, ‘‘বর্মার বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনও প্রমাণ নেই। সিভিসি যা বলেছে, সেটা শেষ কথা হতে পারে না। উচ্চ-পর্যায়ে বাছাই কমিটি হঠকারি সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেই মনে করেন পট্টনায়েক। উল্লেখ্য, গত ৮ জানুয়ারি সিবিআইয়ের অধিকর্তার পদে অলোক বর্মাকে পুনর্বহাল করে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। তাঁর পরবর্তী ভাগ্যনির্ধারণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটির উপর দায়িত্ব দেওয়া হয়। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির প্রতিনিধি বিচারপতি অর্জন কুমার সিক্রি এবং বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গের উচ্চপর্যায়ের বাছাই কমিটি বর্মার অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়। ওই পদে অন্তর্বর্তীকালীন সিবিআই অধিকর্তা হিসাবে বসানো হয় নাগেশ্বর রাওকে। বর্মার বিরুদ্ধে যে ১০ দফা অভিযোগ ছিল, তার মধ্যে ৪টি ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে সিভিসি। ৪টি অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের সুপারিশ করা হয়েছে। বাকি ২টির ভিত্তি রয়েছে বলে দাবি করে বিচারবিভাগীয় তদন্তের সুপারিশ করা হয়। সূত্রের খবর, সিভিসির রিপোর্টের ভিত্তিতে বর্মার অপসারণে জোরালো সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পুলিশি তদন্তের দাবি জানিয়ে বর্মার অপসারণের তদন্তে সম্মতি জানান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে সিক্রি। একমাত্র বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে ওই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বর্মারও মতামত জানার আর্জি জানিয়েছিলেন। কিন্তু গরিষ্ঠতার বিচারে খাড়গের আর্জি খারিজ হয়ে যায়। আলোক বর্মাকে দমকলের ডিজি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। যদিও সেই দায়িত্ব নিতে গতকাল অস্বীকার করে পদত্যাগ করেন সিবিআইয়ের প্রাক্তন অধিকর্তা আলোক বর্মা ।-হিন্দুস্থান সমাচার / কাকলি
image