Hindusthan Samachar
Banner 2 शनिवार, जनवरी 19, 2019 | समय 20:50 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

ট্রেন লেট, অপর্যাপ্ত রেল লাইনকে দায়ী করলেন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার

By HindusthanSamachar | Publish Date: Jan 12 2019 7:35PM
ট্রেন লেট, অপর্যাপ্ত রেল লাইনকে দায়ী করলেন পূর্ব রেলের জেনারেল  ম্যানেজার
রামপুরহাট, ১২ জানুয়ারি (হি.স.) : প্রতি দিন ট্রেন লেট। ভুক্তভোগী সাধারণ যাত্রী থেকে নিত্যযাত্রী। তার কারণ হিসেবে অপর্যাপ্ত রেল লাইনকে দায়ী করলেন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার হরিন্দ্র রাও। শনিবার দুপুরে বীরভূমের রামপুরহাট স্টেশন পরিদর্শনে এসে একথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ট্রেন দেরীতে চলার কারন, রেল লাইনের থেকে ট্রেনের সংখ্যা অনেক বেশী। তাই ৩০ শতাংশ ট্রেন বিলম্বে চলাচল করে। এদিন দুপুরেও বর্ধমান – সাহেবগঞ্জ লুপলাইনের অধিকাংশ ট্রেনই এখন বিলম্বে চলে। এনিয়ে হামেশায় যাত্রী বিক্ষোভ হচ্ছে লুপ লাইনের বিভিন্ন ষ্টেশনে।শুধু তাই নয় নিয়মিত এক্সপ্রেস ও সুপার ফার্স্ট ট্রেনগুলি বিলম্বে চলাচল করছে। মাসখানেক আগে নিত্যযাত্রীরা মুরারই স্টেশনে রেল অবরোধ করার পাশাপাশি ডিআরএমের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগও জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাতেও আখেরে কোন লাভ হয়নি। শহীদ এক্সপ্রেস, হাওড়া অজিমগঞ্জ গণদেবতা এক্সপ্রেস, বিশ্বভারতী ফার্স্ট প্যাসেঞ্জার, বালুরঘাট, সরাইঘাট এক্সপ্রেস, ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস, কলকাতা হলদিবাড়ি সুপারফার্স্ট ও মা তারা এক্সপ্রেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন গুলি নিয়ম করে দেরীতে চলাচল করছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই প্রসঙ্গে জেনারেল ম্যানেজার বলেন, “সব ট্রেন লেট চলছে একথা ঠিক নয়। তবে আমি মানছি ১০০ টির মধ্যে ৩০ টি ট্রেন দেরিতে চলাচল করে। আসলে লাইনের ক্যাপাসিটি অনুযায়ী যতগুলি ট্রেন চলার কথা তার থেকে অনেক বেশি ট্রেন চলছে। তাছাড়া এই লাইনের উপর দিয়ে মালগাড়িও আমাদের চলাতে হয়। তবে এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।" এদিন খানা থেকে গুমানি পর্যন্ত বিভিন্ন স্টেশন পরিদর্শন করেন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার। আসার পথে তিনি কোপাই রেলগেট পরিদর্শন করেন। পরে আসেন রামপুরহাটে। স্টেশনের বাইরে টিকিট কাউন্টারের ঘিঞ্জি জায়গায় প্রচুর মানুষের ভিড় দেখে তিনি ক্ষুব্ধ হন। জিএম বলেন, টিকিট কাউন্টারের জায়গা আরও বড় করা হবে। এদিন অবশ্য জিএম আসার অনেক আগে দলীয় পতাকা ছাড়াই স্টেশনের বাইরে অবস্থান বিক্ষোভ করে কংগ্রেস ও বাম নেতারা। পরে তাঁরা স্টেশন ম্যানেজারের হাতে জিএমের উদ্দেশে স্মারকলিপি জমা দিয়ে ফিরে যান। রামপুরহাটবাসীর বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে প্রায় আন্দোলন করেন কংগ্রেসনেতা শাহাজাদা কিনু। এদিন জেলা কংগ্রেস সভাপতি সৈয়দ সিরাজ জিম্মি বলেন, রামপুরহাট রেলগেটের ফটকদুয়ার এলাকায় পুনরায় ফুট ওভারব্রিজ নির্মান এবং ওই এলাকায় একটি টিকিট কাউন্টারের দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে জিএমের সঙ্গে দেখা করে রেলগেটের ফটকদুয়ার এলাকায় ফুটব্রিজের দাবি জানান তৃণমূল প্রভাবিত রামপুরহাট প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুর রেকিব। তিনি বলেন, স্টেশনের বাইরে টিকিট কাউন্টারের কাছে যাত্রীদের সুবিধার্থে পানীয় জল ও টয়লেটের ব্যবস্থা করার দাবিও জানানো হয়েছে। এছাড়া মুরারই, মল্লারপুর, নলহাটি ও তারাপীঠ রোড স্টেশনে বেশ কিছু এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজের দাবি জানানো হয় নিত্যযাত্রী ও ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে। এপ্রসঙ্গে জিএম বলেন, রামপুরহাট স্টেশনের বাইরে কী আমরা দোকানদারদের জন্য টয়লেট করব। তবে রামপুরহাট স্টেশনের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। আরও উন্নয়ন হতে চলেছে। তিনি বলেন, রামপুরহাটে রেলের জায়গা কিছুটা দখলমুক্ত করা গেছে। পুরোটাই করা হবে। আর ট্রেনের স্টপেজ আমার হাতে নেই, সেটা রেল বোর্ড সিদ্ধান্ত নেয়। রামপুরহাট ফটকদুয়ার এলাকার ফুট ব্রিজ নির্মাণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওখানে তো লেভেল ক্রসিং গেট আছে। যাত্রীরা তো অনায়াসে আসতে পারবে। তবে রাজ্য সরকার জমি দিলে দেখা হবে। হিন্দুস্থা‍ন সমাচার / হেমাভ
image