Hindusthan Samachar
Banner 2 शनिवार, जनवरी 19, 2019 | समय 16:03 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

পৌষমেলাকে কেন্দ্র করে উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে কাটলিছড়া

By HindusthanSamachar | Publish Date: Jan 12 2019 10:18PM
পৌষমেলাকে কেন্দ্র করে উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে কাটলিছড়া
হাইলাকান্দি (অসম), ১২ জানুয়ারি, (হি.স.) : শনিবার কাটলিছড়ার চালমার্স উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ময়দানে স্বামী বিবেকানন্দের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে দুই দিনব্যাপী পৌষমেলার সূচনা করেথেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম রায়, বিশিষ্ট কবি-সাংবাদিক অতীন দাশ, লোক সংস্কৃতির গবেষক অমলেন্দু ভট্টাচার্য প্রমুখ। এ উপলক্ষে এদিন মেলা কমিটির সভাপতি দীপককান্তি আইচের পৌরোহিত্যে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কাটলিছড়ায় পৌষমেলা আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করে অন্যদের মধ্যে প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম রায়, লেখক সাংবাদিক অতীন দাশ, লোক-সংস্কৃতি গবেষক অমলেন্দু ভট্টাচার্য, দেবজিৎ দে, রাজকুমার দাস, সমরবিজয় নাথ মজুমদার, রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী প্রমুখ বক্তব্য পেশ করেন। প্রত্যেক বক্তাই তাঁদের ভাষণে পৌষ মেলার ইতিহাস তুলে ধরে কাটলিছড়াবাসী যে উদ্যোগ নিয়েছেন তার প্রশংসা করেন। প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম রায়, কাটলিছড়ায় পৌষমেলার আয়োজন করায় এর প্রশংসা করে এ ব্যাপারে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। কবি-সাংবাদিক অতীন দাশ তাঁর দীর্ঘ ভাষণে পৌষমেলার সাথে কৃষিসভ্যতার সম্পর্ক তুলে ধরে বলেন, আনন্দই মানব জাতির চরম লক্ষ্য। স্রস্টা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন আনন্দ দানের জন্য। আর মেলা মানুষকে আনন্দের দিকে নিয়ে যায়। পৌষমেলার মাধ্যমে আনন্দের যাত্রা দীর্ঘায়িত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বরাক উপত্যকায় আরও বেশি করে পৌষমেলা আয়োজনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন অতীন দাশ। লোক-সংস্কৃতির গবেষক অধ্যাপক অমলেন্দু ভট্টাচার্য পৌষ মাসে পৌষমেলা আয়োজনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, এই মেলা লোক-সংস্কৃতি সংরক্ষণে কাজ করবে। এদিকে দু''দিনব্যাপী পৌষমেলাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উৎসমুখর হয়ে ওঠেছে কাটলিছড়া। শনিবার অনুষ্ঠিত আলপনা প্রতিযোগিতা, স্বামীজি সাজো প্রতিযোগিতা, বসেআঁকো প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন স্কুল কলেজের শতাধিক ছাত্রছাত্রী অংশ নেয়। অন্যদিকে মঞ্চে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর লোকনৃত্য, গান, লুপ্তপ্রায় সামগ্রী নিয়ে হেরিটেজ প্রদর্শনী, পিঠেপুলি-সহ নানা ধরনের বিপণি ইত্যাদির সমাহার নিয়ে রীতিমতো উৎসবমুখর হয়ে ওঠেছে গোটা মেলা প্রাঙ্গণ। তাছাড়া চল্লিশেরও বেশি বিপণিতে সেজে উঠেছে রকমারি পিঠেপুলি, সন্দেশ, বাহারি ফুল, লাইব্রেরি, ম্যাগাজিন, চিত্র, ভাস্কর্য, লুপ্তপ্রায় সামগ্রীর প্রদর্শনী। ১৩ জানুয়ারি রবিবারের কার্যসূচিতে রয়েছে শিশুমেলা, শঙ্খধ্বনি, ঊলুধ্বনি, পিঠেপুলি প্রতিযোগিতা-সহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুরস্কার বিতরণ, নাটক ও সংগীতানুষ্ঠান। শনিবার কাটলিছড়ার আবালবৃদ্ধবনিতা-সহ নানা স্তরের নাগরিককুল পৌষমেলায় উপস্থিত হয়ে নানা কার্যসূচি উপভোগ করেছেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাটক ও বিভিন্ন প্রদর্শনী উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের উচ্চ প্রশংসা কুড়িয়েছে। হিন্দুস্থান সমাচার / তুতন / এসকেডি/কাকলি
image