Hindusthan Samachar
Banner 2 सोमवार, अप्रैल 22, 2019 | समय 20:17 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ অফিসে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা চক্র : আটক ৩

By HindusthanSamachar | Publish Date: Feb 7 2019 9:18PM
প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ অফিসে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা চক্র : আটক ৩
মেদিনীপুর, ৭ ফেব্রুয়ারি (হি. স.) : প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ অফিসের কর্মীদের ব্যস্ততার সুযোগে অফিসের ভেতরে ঢুকে জাল বিস্তার প্রতারণা চক্রের। বিদ্যালয় সংসদের কায়দায় চাকরী প্রার্থীদের মোবাইলে ম্যাসেজ করে ডাকা হয়েছিল ৷ বিভিন্ন পরীক্ষার্থীদের কাগজপত্র ভেরিফিকেশন করার নাম করে টাকা নিয়ে ডাকা হয়েছিল তাদের। বুঝতে পেরেই হাতেনাতে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিল সংসদ কর্তৃপক্ষ।তিন জনকে ধরতে পারা গেলেও চারজন দৌড়ে পালায়।ধৃতদের একজন মহিলাও রযেছে৷ এই চমকপ্রদ ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ অফিসের ভেতরে। এদিন সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন ডি এল এড পরীক্ষার্থীদের শংসাপত্র বিলি চলছিল সংসদ অফিসে। তাই সকাল থেকেই ভিড় ছিল অফিসে। এই ভিড়ের সুযোগ নিয়েই কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি ও যুবক সংসদ অফিসের একটি কর্মীদের রুমে ঢুকে পড়ে। কর্মীদের অন্যমনস্কতার সুযোগে ভেতরে বেশ কিছু ছাত্র ছাত্রীদের কাগজপত্র দেখাদেখি করছিল তারা। ব্যস্ত কর্মীরা প্রথমে ভেবেছিল শংসাপত্র নিতে আসা পরীক্ষার্থীরা হবে। কিন্তু টনক নড়ে এক যুবকের অভিযোগ পাওয়ার পরই। অভিনন্দন প্রামাণিক নামে এক যুবক সরাসরি সংসদ চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে জানতে চান -কোনো রকম চাকরি দেওয়ার জন্য ভেরিফিকেশন হচ্ছে কিনা। চেয়ারম্যান না বলতেই তিনি পুরো ঘটনাটি চেয়ারম্যান কে জানান। অভিনন্দন প্রামাণিক বলেন, "গত দুদিন ধরে বেশকিছু যুবক-যুবতীদের কাছে মোবাইলে মেসেজ গিয়েছে এবং ফোন করা হয়েছে সংসদ অফিসের নাম করে।আমাকে ফোন করে বলা হয়েছে আপনার কাগজপত্রের ভেরিফিকেশন করে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট লেটার দেওয়া হবে, আপনি সংসদ অফিসে হাজির হবেন। সঙ্গে পাঁচ লক্ষ টাকা নিয়ে আসতে হবে। সংসদ অফিসে হবে বলেই বিশ্বাস করে হাজির হয়েছিলাম। সন্দেহ হওয়াতে চেয়ারম্যান কে জানিয়ে বুঝতে পারলাম পুরো বিষয়টাই জাল। কয়েক ঘন্টা ধরে বহু প্রার্থীর কাছ থেকে মোটা টাকা নিয়েছে এই প্রতারকরা।" বিষয়টা বুঝতে পেরে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে অফিসের কর্মীরা ওই রুমে হাজির হতেই জনা চারেক যুবক দ্রুত দৌড়ে অফিসের বাইরে থাকা ইনোভা গাড়িতে বসে চম্পট দেয়। ততক্ষণে কর্মীরা এক মহিলা সহ তিন জনকে ধরে ফেলে। কোতোয়ালি থানার পুলিশকে ডেকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ধৃতদের একজন জয়ন্ত ভট্টাচার্য বলেন, "আমি কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী, আমার ক্যান্ডিডেটদের মামলা সংক্রান্ত কাগজ এখানে দেখানোর জন্য হাজির হয়েছিলাম।কে কোথায় টাকা নেবে বা কাদের ডেকেছিল এত বিস্তার জানিনা।" এই কাণ্ডের পেছনে অফিসের কর্মীদের জড়িত থাকার সন্দেহ ঘোরাফেরা করছে। সংসদ চেয়ারম্যান নারায়ণ সাঁতরা বলেন " অফিসের ভেতরে ঢুকে সকলের অন্যমনস্কতার সুযোগে এই জাল চক্রটি শুরু হয়েছিল। বেশ কিছু লোকের কাছে এরা মোটা টাকা তুলেও নিয়েছে বলে জানতে পেরেছি ৷ এর আগে আমরা শুনলেও হাতেনাতে ধরতে পারিনি। আজকে ধরতে পেরেছি। আমরা দেখছি অফিসের কোন লোক এই কাণ্ডে জড়িত কিনা।" হিন্দুস্থান সমাচার/ হেনা/ শ্রেয়সী
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image