Hindusthan Samachar
Banner 2 रविवार, फरवरी 17, 2019 | समय 10:11 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

হুগলীতে বিজেপির পাল্টা সভা তৃণমূলের

By HindusthanSamachar | Publish Date: Feb 7 2019 9:25PM
হুগলীতে বিজেপির পাল্টা সভা তৃণমূলের
হুগলী, ৭ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : গত তিন তারিখে চুঁচুড়ায় হয়ে যাওয়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং এর একটি জনসভা হয়েছিল। এর পরেই বিজেপির সেই সভার পাল্টা সভা করলো তৃণমুল। সেখানেই তৃণমুলের রাজীব বন্দোপাধ্যায় বলেন, "সিবিআই-কে কি করে টাইট দিতে হয় তা একমাত্র বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখিয়ে দিয়েছেন। সিবিআই আর সিবিআই নেই, সিবিআই এখন এমডিআই (মোদী ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন) হয়ে গেছে, সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন নয়। আজকের এই সভায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী তাপস রায়, জেলার দুই বিধায়ক তথা মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত ও অসীমা পাত্র, উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল, চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার, সভাধিপতি সেখমেহবুব রহমান সহ জেলাস্তরের নেতৃত্বরা। গত ৩রা ফেব্রুয়ারী চুঁচুড়ার ডিআই অফিস মাঠে সভা করেছিলো ভারতীয় জনতা পার্টি। সেদিনের সভার প্রধান বক্তা ছিলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেই সভার পাল্টা সভা হিসাবেই আজ তৃণমূলের এই সভা বলে রাজনৈতিক মহলের মত। এখানে তৃণমুল নেতৃত্বের বক্তব্যে কংগ্রেস কিংবা সিপিএম নয় তাদের মুল নিশানাই ছিল বিজেপি। কলকাতা পুলিশ কমিশনারের বাড়িতে সিবিআই হানার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধরনায় বসা প্রসঙ্গে রাজীববাবু বলেন সিবিআইকে কি করে টাইট দিতে হয়, তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখিয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন আপনারা গনতন্ত্র বাঁচাও সভা করছেন। রাজ্যে যদি গনতন্ত্র নাই থাকে তাহলে আপনারা এখানে সভা করছেন কি ভাবে। অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিথ্যনাথ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আপনারা কেউ শুনেছেন কোন দলে সাধু সন্ত্ররা এমপি হচ্ছে আবার এমপি ছেড়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছে?" এদিনের সভায় বিজেপি ও সিপিএম ছেড়ে প্রায় শ''দেড়েক কর্মী তৃণমূলে যোগদান করেন। তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন উপস্থিত নেতৃত্বরা। মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের চুঁচুড়ায় বিজেপির পাল্টা সভা হিসাবে তার এই বক্তব্যে অবশ্য বিজেপি আমল দেয়নি। হুগলী জেলা বিজেপির সভাপতি সুবির নাগ পাল্টা সাংবাদিকদের বলেন, "তৃণমুল এখন বুঝে গেছে যে বিজপি এখন তাদেরও ঘারের ওপর নিঃস্বাস নিচ্ছে। এখানে হওয়া তিন তারিখের আমাদের সভা দেখে ওদের মাথা ঘুরে গেছে। কত মানুষ সেদিন এসেছিল। এখন আর ওদের কিছু করার নেই তাই ওরা বাঁচবার জন্য এখন এই কথা বলছে। হুগলী জেলাতে যে বিজেপির সংগঠন মজবুত হয়েছে সেরা ওরা হারে হারে টের পাচ্ছে।" হিন্দুস্থান সমাচার/ শমিত/ শ্রেয়সী
लोकप्रिय खबरें
चुनाव 2018
image