Hindusthan Samachar
Banner 2 गुरुवार, अप्रैल 25, 2019 | समय 19:47 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

মহানগরীতে ক্রমেই সঙ্কুচিত হচ্ছে ফুটপাত, পথচারীদের প্রশ্ন হাঁটব কোথায়

By HindusthanSamachar | Publish Date: Feb 8 2019 11:00AM
মহানগরীতে ক্রমেই সঙ্কুচিত হচ্ছে ফুটপাত, পথচারীদের প্রশ্ন হাঁটব কোথায়
কলকাতা, ৮ ফেব্রুয়ারি (হি.স.): ফুটপাত থেকে দখলদার উচ্ছেদ নিয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম মুখে যাই বলুন, বাস্তবে তার কোনও প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। প্রতিদিনই একটু একটু করে উধাও হয়ে যাচ্ছে সরকারি ফাঁকা জায়গা। হেলদোল নেই পুরপিতাদের। গোটা শহর জুড়ে এই দৃশ্য। পরিস্থিতি দেখতে শহরের কিছু অংশ ঘুরে দেখল হিন্দুস্থান সমাচার। একাধিকবার প্রশাসনের তরফে প্রকাশ্যে সাংবাদিকদের জানানো হয়েছে, রাজা সুবোধ মল্লিক রোডে যাদবপুরের মোড়ে উড়ালপুল হবে। একবার প্রকল্পের টেন্ডার ডাকাও হয়েছে। কিন্তু, ওই গোটা অংশে এত হকার না তুলে কীভাবে তাঁদের পরিবর্ত ব্যবস্থা করা যায়, সেই পথ খুঁজে পাচ্ছেন না পুরকর্তারা। তাঁরা সমাধানের দায়িত্ব দিয়েছেন মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদারের ওপর। দখলদার-বান্ধব পথে হেঁটে তিনিও বিভ্রান্ত। এ রকম অবস্থার মধ্যেই সেখানে একটি ছোট, অস্থায়ী ধর্মস্থান বড় করে তৈরির কাজ চলছে। যাদবপুরের মোড় হয়ে উঠছে ক্রমেই আতঙ্কের কারণ। আরও একটু দক্ষিণে পুরসভার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে সন্তোষপুর ও সার্ভে পার্কের সংযোগকারী জোড়া ব্রিজের পাশে গত বছর দখলদারদের পরিবর্ত জায়গা দিয়ে খালের ধার থেকে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ-প্রশাসন-পুরসভার যৌথ বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ওই চত্বরে আর হকার বসতে দেওয়া হবে না। কিন্তু, সরকারি ওই জমির পাশেই দখলদার স্থানীয় ২-১ জন দোকানি দিনের বেলা ব্যবসার কাজ শুরু করেছে। বসেছে চায়ের দোকান। পুরসভার ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডে, মৌলালি মসজিদের ঢিলছোঁড়া দূরত্বে ফুটপাথ দখল করে তৈরি একাধিক ধর্মস্থান চোখে পড়ল। হাঁটাপথে ডাঃ লালমোহন ভট্টাচার্য রোড এবং সুরেশ সরকার রোডের সংযোগস্থলে ফুটপাথ এবং সংলগ্ন সরকারি জমির সিংহভাগ আগেই চলে গিয়েছে দখলদারদের খপ্পরে। এখন ওখানে চলছে বড়সড় একটি ধর্মস্থান তৈরি। ক্রমবর্ধমান দখলদারের চাপে হাঁটা দায় হয়ে উঠছে গড়িয়া, লেক মার্কেট, গড়িয়াহাট, নিউমার্কেট, হাতিবাগান, শ্যামবাজার অঞ্চল। ভবানীপুরে যদুবাবুর বাজার অঞ্চলে বাসরাস্তার ওপর বসছে বাজার। আস্তে আস্তে বাড়ছে তার আকার। এভাবেই তলানিতে ঠেকছে শহরের নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্য। আগুন লাগলে বহু অঞ্চলেই প্রাণ হাতে পালাতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়বেন বহু মানুষ। সঙ্কটে পড়বে আপৎকালীন কাজ। মেয়র ও পুরকর্তারা আশ্বাস দিয়েই খালাস। দুর্ঘটনা ঘটলে তদন্ত কমিটি গড়ে দায়মুক্ত হতে চাইছেন ওঁরা। কমিটির সুপারিশ বা তার রূপায়ণে বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই প্রশাসনের। হিন্দুস্থান সমাচার/ অশোক/ রাকেশ
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image