Hindusthan Samachar
Banner 2 सोमवार, अप्रैल 22, 2019 | समय 19:35 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

রুপনারায়ণ নদীতে পরিযায়ী পাখিদের আগমন, আনন্দে ভেসেল যাত্রীরা

By HindusthanSamachar | Publish Date: Feb 8 2019 5:49PM
রুপনারায়ণ নদীতে পরিযায়ী পাখিদের আগমন, আনন্দে ভেসেল যাত্রীরা
কুঁকড়াহাটি, ৮ ফেব্রুয়ারি (হি. স.) : শিশির ভেজা শীতের সকাল কারই বা দেখতে না ভালো লাগে।তা সঙ্গে যদি একটু পাওয়া যায় গরম চা।তাহলে তো একদম জমে ক্ষীর।হ‍্যাঁ ঠিক তাই শুক্রবার সকালে যখন পূর্ব মেদিনীপুরের কুঁকড়াহাটি থেকে রায়চকের দিকে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে ভেসেলযাত্রীরা নদী পার হচ্ছিলেন তখন একেবারে জমে ক্ষীর অবস্থা। আর ঠিক এমন সময়েই যাত্রীদের দৃশ্যসুখ দিতে বহু দূরদুরান্ত থেকে হাজির পরিযায়ী পাখিরা।যাত্রীদের কেউ হাতে বাদাম ভাজা নিয়ে আবার কেউ হাতে একটুকরো কেক নিয়ে পাখিদের উদ্দেশ্যে দেখাচ্ছেন। এর বিনিময়ে পরিযায়ী পাখিরা যাত্রীদের হাত থেকেই খাবার তুলে নিয়ে খাচ্ছে।যার আনন্দে ভরে ওঠে সমগ্র ভেসেল। মূলত শীতের সময় সাইবেরিয়া, চীন, হিমালয়ের পাদদেশ প্রভৃতি জায়গা থেকে পরিযায়ী পাখিদের আগমন হয়। প্রবল শীতে এই সকল জায়গাগুলি থেকে পরিযায়ী পাখিরা এ দেশে চলে আসে এবং শীতের শেষে পুনরায় আবার তারা ফিরে যায়। তাদের দেখতে বহু মানুষেরই মনে ইচ্ছা থাকে। তবে একেবারে যে ভ‍্যাসেলের মধ্যে তাদের দেখা যাবে তা ভাবতেই পারেননি ভ‍্যাসেলযাত্রী বিশ্বজিৎ মাইতি।বিশ্বজিৎবাবু তিনি তার ব‍্যাক্তিগত কাজে শুক্রবার সকালে কুকড়াহাটি থেকে রায়চকের দিকে যাচ্ছিলেন। এমন সময় যখন মাঝ নদীতে ভেসেল প্রবেশ করে তখন পরিযায়ী পাখিরা ভেসেলের চারদিক ঘিরে ফেলে। এমন অবস্থার কথা বিশ্বজিৎবাবু বর্ণনা করে বলেন,“আমি প্রায়শই ভেসেলে করে নদী পার হই। তবে এমন দৃশ্য কোনোদিন দেখিনি।প্রথমে হঠাৎ আমি দেখি সাদা কিযেন সামনের দিকে এগিয়ে আসছে। এরপর দেখি পরিযায়ী পাখিরা ভেসেলের চারদিকে ঘুরতে থাকে। সকালে এমন এক মধূর দৃশ্য দেখবো ভাবতেই পারিনি।” বর্তমানে পরিবেশের ভারসাম‍্যের কারণে পরিযায়ীদের আগমন প্রায় কমে গেছে।তেমন একটা পরিযায়ীদের ভীড় দেখা যায় না সাঁতরাগাছির ঝিল গুলোতেও।একসময় সাঁতরাগাছির ঝিলের প্রায় সমগ্র অংশ শীতের সময় পরিযায়ীরাই গ্রাস করতো ।কিন্তু তা আজ প্রায় স্মৃতির পাতায়।সে যাইহোক কুকড়াহাটি-রায়চক ভেসেলের এমন দৃশ্য কোনোদিন ভুলবেন না ভেসেলের অন‍্যান‍্য যাত্রীরা।তারা জানান,“আমরা চিড়িয়াখানা এমনকি বাড়ির আশেপাশে বহু ধরনের পাখি দেখেছি।কিন্তু এমন আকার আকৃতির পাখি এখনও দেখিনি।তাই এদিনের এই দৃশ‍্যের কথা কোনোদিন ভুলবোনা।” সবমিলিয়ে শুক্রবার সকালে এমন এক যাত্রা যেন এক উপরি পাওনা যাত্রীদের কাছে।ভবিষ্যতে আরও পরিযায়ীদের আগমন হোক এমনটাই চান পক্ষীপেমীরাও।হিন্দুস্থান সমাচার / অসিত
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image