Hindusthan Samachar
Banner 2 रविवार, फरवरी 17, 2019 | समय 08:52 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

প্রাচীন রীতি মেনে গণেশের বার্ষিক পুজো ‌বাঁকুড়ায়

By HindusthanSamachar | Publish Date: Feb 8 2019 6:15PM
প্রাচীন রীতি মেনে গণেশের বার্ষিক পুজো ‌বাঁকুড়ায়
বাঁকুড়া, ৮ ফেব্রুয়ারি (হি. স.) : প্রাচীন রীতি অনুযায়ী বৎসরের উৎপাদিত প্রথম গুড়ের ঘট স্থাপন করে কুলদেবতা গনেশের বার্ষিক পুজো মহাসমারোহে পালিত হল বাঁকুড়ায় । পুজো উপলক্ষে বাঁকুড়া শহরের নুনগোলা রোডের প্রাচীন গনেশ মন্দিরে ব্যাপক আয়োজন, সকাল থেকেই ভক্ত সমাগমে জমজমাট সারা মন্দির চত্বর । তিনশ বছরের অধিক কাল ধরে মোদক সম্পদাযের কুলদেবতা গনেশের আরাধনা চলছে এই মন্দিরে ।কষ্টি পাথরের চার ফুট উচ্চতার গনেশ মূর্তি নানা অলঙ্কারে সজ্জিত ।শহরের উপকণ্ঠে রাজগ্রামের কাছে দ্বারকেশ্বর নদীর তীরে কষ্টি পাথরের এই মূর্তি পড়ে থাকতে দেখা যায় ।স্থানীয় মানুষদের ধারনা একদল সাধু বেনারস থেকে এই মূর্তি উড়িষ্যা নিয়ে যাচ্ছিলেন ।কোনও কারণে তাদের গাড়ি বিকল হয়ে পড়ে ।সেকারনে তারা সেই মূর্তি নিয়ে যেতে পারেন নি ।নদীতে রেখে চলে যান ।নদীতে গনেশের মূর্তি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় মোদক বা ময়রাদের খবর দেওয়া হয় ।তারা সেই মূর্তি নুনগোলা রোডে এনে স্থাপন করেন ।প্রথমে খড়ের চালা করে পুজাপাঠ শুরু হয় ।পরবর্তী সময়ে তা সিমেন্টের পাকা মন্দির তৈরী হয় ।বর্তমানে যা নবরূপে ঝা চকচকে মার্বেল পাথরের । মাঘ মাসের বরদা চতুর্থী তিথিতে প্রতি বছর ঘটা করে পূজো উৎসবের প্রচলন রয়েছে বাঁকুড়ার প্রতিটি মোদক পরিবারে । গনেশ পূজোর বিশেষত্ব পূজোয় জল ভর্তি ঘটের পরিবর্তে নূতন উৎপাদিত গুড় ভর্তি ঘটে পূজো করা হয় ।১৪ সের গুড় ভর্তি রূপোর ঘট নিয়ে শোভাযাত্রা সহকারে শহর প্রদক্ষিণ করে মন্দিরে তা স্থাপন করে পূজো শুরু হয় ।সারা দিনভর যাগ যজ্ঞ চলে । বাঁকুড়া শহরের প্রতিটি মোদক পরিবারেও গুড়ের ঘট স্থাপন করে কুলদেবতা গনেশের আরাধনা চলছে ।এই দিন পরিবারের প্রতিটি সদস্য নির্জলা উপবাস করে ।কূলদেবতার প্রতি পুষ্পান্জলী প্রদান আবশ্যক ।গুড় ভর্তি ঘট কে নূতন ধুতি দিয়ে সাজানো হয় ।আগের দিন সেই ধুতি হলুদ রঙে রাঙানো হয় ।অত্যন্ত শুচি শুদ্ধ ভাবে এই কাজ করতে হয় ।নচেৎ দেবতা রুষ্ট হন বলে ধারনা মোদক দের ।এই দিন দুপুরে ভাতের পাতে পুটি মাছ চাই ।তা যত দাম হোক না কেন ।একথা জানিয়ে বাঁকুড়া মোদক সমাজের সভাপতি মানিক লা‌হা, সাধারন সম্পাদক জয়ন্ত বরাট জানান আজকের দিনে কোনও মযরার দোকানে ভিয়েন বা মিষ্টি তৈরী হবে না ।প্রাচীন কালে অর্থাৎ চিনি উৎপাদন তৈরীর আগে গুড় দিয়ে মিষ্টি তৈরী হোত ।বছরের প্রথম উৎপাদিত গুড় কূলদেবতার উদ্দেশ্য নিবেদন করে কাজ শুরু হোত ।সেজন্য ওই দিন ময়রার কোনও ভিয়েন করতো না ।সেই রীতি মেনে এখন চিনির কোনও কাজ করা হয় না ।সব দোকানে ভিয়েন বন্ধের রীতি আজও মেনে চলা হয় ।হিন্দুস্থান সমাচার / সোমনাথ
लोकप्रिय खबरें
चुनाव 2018
image