Hindusthan Samachar
Banner 2 गुरुवार, अप्रैल 25, 2019 | समय 19:53 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

(লিড) ময়নাগুড়ির সভা থেকে চিটফান্ড ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর, পাল্টা সরব মমতা

By HindusthanSamachar | Publish Date: Feb 8 2019 10:15PM
(লিড) ময়নাগুড়ির সভা থেকে চিটফান্ড ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর, পাল্টা  সরব মমতা
ময়নাগুড়ি, ৮ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : যতই ধরনা দিন, চিটফান্ডের পাই পয়সার হিসাব নেওয়া হবে। শুক্রবার জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির চূড়াভাণ্ডারে সভা থেকে রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধরনা ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এইভাবেই আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী | এদিন ময়নাগুড়ির সভা থেকে জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ ও ৩১ডি জাতীয় সড়ক প্রকল্পের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি | পাল্টা নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ করেন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় | শুক্রবার জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির চূড়াভাণ্ডারে দলীয় সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী | এদিন চূড়াভাণ্ডারের ওই সভার মঞ্চে উপস্থিত নেতাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলায় ভাষণ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী | বলেন, উত্তরবঙ্গ তথা সারা বাংলার মানুষকে আমার প্রণাম ও ভালবাসা জানাই। জলপাইগুড়ির এই পবিত্র ভূমিকে আমার প্রণাম | বলেন, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে আমার বিশেষ সম্পর্ক আছে। “আপনারা চা উৎপাদন করেন, আমি চা তৈরি করি। চায়ের সঙ্গে আপনাদেরও সম্পর্ক আমারও সম্পর্ক।” এরপরই চিটফান্ড ইস্যু তুলে সরাসরি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলকে আক্রমণ করেন নরেন্দ্র মোদী | এদিনের সভা থেকে তিনি আক্রমণ করেন কংগ্রেস ও বাম বিগত বাম সরকারকেও | রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধরনা ইস্যুতে শুক্রবার চূড়াভাণ্ডারে সভা থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্রভাষায় আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী | এদিনের সভা থেকে তিনি বলেন, দেশে প্রথম কোনও মুখ্যমন্ত্রী চোরেদের রক্ষা করতে ধরনায় বসে গেলেন। যারা সাধারণ মানুষের টাকা লুঠ করেছিল, তাদের রক্ষা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে যাঁরা টাকা লুঠ করেছে তাদের তো ছাড়বই না, যাঁরা তাদের রক্ষা করছেন, বাঁচানোর চেষ্টা করছেন তাঁরাও ছাড় পাবে না! যতই ধরনা দিন , চিটফান্ডের পাই পয়সার হিসাব নেওয়া হবে। ধরনা ইস্যুতে বিরোধী মহাজোটের অন্য নেতাদেরও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কলকাতায় মঞ্চ তৈরি করে যারা মোদী-মোদী করলেন তাদের বলছি, দুর্নীতিবাজদের বাঁচাতে আর কোথায় কোথায় ধরনা দেবেন? যারা পুরোপুরি দুর্নীতিবাজ তাঁরাই মোদীকে ভয় পায়। আমরা দুর্নীতিবাজদের বিদেশ থেকে তুলে আনছি, আর এরা ওদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে। দালাল-লুটতরাজদের বাঁচানোর আপনাদের এই চেষ্টা কোনওদিন সফল হতে দেবে না মোদী।” প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, মহাজোটের কোনও নীতি নেই, দেশের জন্য কোনও দিশানির্দেশ নেই। রাজ্যে বিজেপি নেতাদের সভা করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনের সভায় স্বামী বিবেকানন্দের আবেগ উসকে দিয়ে মোদী দাবি করলেন, তৃণমূলের পায়ের তলা থেকে মাটি সরছে, আর তা তাদের আচরণেই স্পষ্ট হচ্ছে। বলেন, পশ্চিমবঙ্গের সরকার মাটির বদনাম করেছে, মানুষকে কষ্ট দিয়েছে। যে পশ্চিমবঙ্গ সংস্কৃতির জন্য পরিচিত ছিল, সেই রাজ্য এখন হিংসার জন্য সারা দেশে আলোচনার বিষয় | তিনি বলেন, “এখানকার সরকার অনুপ্রবেশকারীদেরও স্বাগত জানান, অথচ বিশ্বের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের নেতাদের বাংলায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। সেই দলকে আটকানো হয়, যে দলের গোড়াতে রয়েছে বিবেকানন্দের আদর্শ।” এদিন ময়নাগুড়ির সভা থেকে রাজ্যের সিন্ডিকেটরাজ নিয়েও সরব হন নরেন্দ্র মোদী । বলেন, ত্রিপুরার পথ ধরে এবার বাংলাতেও আসবে পরিবর্তন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, “তৃণমূলের পায়ের তলার জমি যে সরছে তা বোঝা যায়, যখন ওরা হেলিকপ্টার নামার অনুমতি দেয় না। গুন্ডা আর সিন্ডিকেট থেকে বাংলাকে মুক্তি দিতে হবে। দিদি দিল্লি যাওয়ার জন্য ব্যস্ত, আর বাংলার গরিব মধ্যবিত্তদের সিন্ডিকেটের অত্যাচারের মুখে ফেলে দিয়েছেন। এই জগাই-মাধাইয়ের জোট এবার শেষ হওয়া উচিত। বাংলার যুবসমাজকে অপরাধমূলক কাজকর্ম থেকে মুক্তি দিতে হবে। প্রতিবেশী রাজ্য ত্রিপুরায় একসময় কমিউনিস্টরা রাজত্ব করত। বিজেপি কর্মীরা ত্রিপুরায় বামেদের উপড়ে ফেলেছেন। যা ত্রিপুরায় হয়েছে, তা পশ্চিমবঙ্গেও হতে চলেছে। আপনাদের সহায়তায় সত্যিকারের ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’ বাংলায় আসতে চলছে। জগাই-মাধাইয়ের বিদায় নিশ্চিত।” এদিনের জমায়েত নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি মমতাদিকেও জিজ্ঞাসা করতে চাই, আপনি কি তিন তালাক বিরোধী আইন সমর্থন করেন? নাকি তিন তালাক প্রথা চলতে দিতে চান? প্রধানমন্ত্রী। এই একই ইস্যুতে কংগ্রেসকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, কংগ্রেস ভুলে যাচ্ছে যে, রাজীব গান্ধীর আমলেও একই ভুল করেছিল তারা। শাহবানু মামলা ঘিরে যে ভুল সেইসময় করেছিল কংগ্রেস, আবার সেই পথে পা বাড়াচ্ছে| বলেন, কংগ্রেস বলছে, ক্ষমতায় এলে তিন তালাক বিরোধী আইন বাতিল করবে। অর্থাত্ কংগ্রেস তিন তালাক চলতে দিয়ে, মুসলিম মা-বোনেদের সর্বনাশ হতে দেবে | এদিনের সভা থেকে তিনি দাবি করেন, ২০২২-এ স্বাধীনতার ৭৫ বছরে ভারতে কোনও পরিবার কাঁচা ঘরে থাকবে না | এদিন সভায় বক্তব্য রাখার আগে বেশ কয়েকটি উন্নয়নমূলক প্রকল্পেরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ময়নাগুড়ির সভা থেকে জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী | সেই সঙ্গে ফালাকাটা-সলসলাবাড়ি জাতীয় সড়ক প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। ৪১.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ফোর লেনের ৩১-ডি জাতীয় সড়ক প্রকল্পটির জন্য মোট ১,৯৩৮ কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে রাস্তা। এর ফলে সালসালাবাড়ি ও আলিপুরদুয়ার থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরত্ব কমে যাবে। আড়াই বছরে সম্পূর্ণ হবে কাজ। এদিন জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ নিয়ে চলা জটিলতা নিয়ে রাজ্যের বর্তমান ও প্রাক্তন সরকারকে আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী| তিনি বলেন, আপনাদের অনেক দিনের ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। জলপাইগুড়িতে কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চের উদ্বোধন করা হয়েছে। মামলার জন্য উত্তরবঙ্গের মানুষকে আর কলকাতায় যেতে হবে না | এই সার্কিট বেঞ্চের জন্য ১৪-১৫ বছর আগে মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়ে গিয়েছিল। অথচ আপনাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। বাম হোক বা তৃণমুল, আপনাদের কথা কেউই চিন্তা করে না | এর আগে এদিন এই সভায় যোগ দিতে বিকেল ৩টে ১০ নাগাদ শিলিগুড়ির বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামেন নরেন্দ্র মোদী। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে পৌঁছন ময়নাগুড়ি। মোদীর হেলিকপ্টার পৌঁছতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পরেন কয়েক লক্ষ জনতা | চূড়াভাণ্ডারের সভা থেকে মোদীজী স্বাগতম স্লোগান ও উলুধ্বনিতে তাঁকে স্বাগত জানালেন বিজেপি অন্যতম কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাক রাহুল সিনহা ও বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা | কোচবিহার রাজবাড়ির রেপ্লিকা ও এক শৃঙ্গগন্ডারের মূর্তি সহ বিবিধ উপহার তুলে দেওয়া হয় মোদীর হাতে | পাল্টা সার্কিট বেঞ্চ উদ্বোধন করায় প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় | শুক্রবার, প্রধানমন্ত্রীর সার্কিট বেঞ্চ উদ্বোধন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী । তিনি বলেন, ''সার্কিট বেঞ্চ কলকাতা হাইকোর্টের । জমি দিয়েছে রাজ্য । টাকাও ঢেলেছি । উনি রাজ্য সরকার, হাইকোর্টকে বাদ দিয়ে উদ্বোধন করে দিলেন'' । মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি জানিয়ে বলেন, ''৩০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে এই স্কিমে । জমি রাজ্যের টাকায় কেনা, পরিকাঠামোও রাজ্য স্থির করেছে''। তার কথায়, ''৪ মাস আগে সার্কিট হাউস উদ্বোধনের তারিখ দেওয়া হয়েছিল । নোটিফিকেশন বাকি ছিল । তৎকালীন প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, নোটিফিকেশন করে দেয়নি কেন্দ্র'' । এপ্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ''বর-কনে নেই, ব্যান্ডপার্টি এসেছে । উনি কে ! গাঁয়ে মানে আপনি মোঁড়ল''। এদিন প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ''সার্কিট উদ্বোধনে কলকাতা হাইকোর্টের কোনও বিচারপতিকে কেন ডাকেননি মোদীজী ? তিনি বলেন, রাজ্য থেকে যুগ্মভাবে উদ্বোধন করার কথা ভাবা হয়েছিল । অথচ উনি নাকি এক্সপায়ারি তারিখ এগিয়ে আসায় উদ্বোধন করে দিয়েছেন । এটা লজ্জার ! এবিষয়ে কেন্দ্রকে হুশিয়ারী দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই উদ্বোধনে কোনও বিচারপতিই উপস্থিত ছিল না । এব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টে চিঠি পাঠানো হবে''। মুখ্যমন্ত্রী এদিন দাবি জানিয়ে বলেন , ''মোদীকে হটাতে ২৩টি দল এক হয়েছে, আর তাতেই মোদীর ঘুম উড়েছে'' । তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, ''তৃণমূলের স্লোগান চুরি করেছেন মোদী । জগাই-মাধাই নিয়ে আমার স্লোগান ছিল'', বলেই এদিন দাবি করেন মমতা । তার কথায়, ভোট এলেই মোদী চা-ওয়ালা হয়ে যান। এমনিতে চা বিক্রিও করেননি, চা বানাতেও পারেন না। আমার সঙ্গে পাঙ্গা নিলে আমি আরও চাঙ্গা হই, বলেই এদিন মোদীকে হুশিয়ারী দেন মমতা । এদিন প্রধানমন্ত্রীকে বিদ্ধ করে মমতা বলেন, ''রাফাল মাস্টার সহ দুর্নীতি মাস্টার ও নোট বন্দীর মাস্টার মোদী । ওনার এত দুর্নীতি, উনি দেশের জন্য লজ্জা । এবিষয়ে তিনি আরও দাবি বলেন, আসন্ন লোকসভার নির্বাচনে মোদীকে এমনভাবে পরাস্ত হতে হবে, আর ফিরেও তাকাতে পারবেন না'' । তার কথায়, '' শ্রমিকদের জন্য কিছুই করেননি মোদী । এমনকি উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে এক পয়সাও খরচ করেননি । আসলে সত্যাগ্রহে ভয় পেয়েছেন মোদী তাই ভয় দেখাতে এসছেন'', বলেই এদিন মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী । এদিকে, আজ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে জলপাইগুড়ির কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ করলেন এসজেডিএ-এর চেয়ারম্যান। অনুমতি ছাড়া জাতীয় সড়ক প্রকল্পের উদ্বোধনের বিজ্ঞাপণে তৃণমূল সাংসদ-বিধায়কদের নাম ছাপায় শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান এসজেডিএ-এর চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তী । শুক্রবার ময়নাগুড়ির সভা থেকে ৩১ডি জাতীয় সড়ক প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় সড়ক প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অনুমতি না নিয়েই তৃণমূল সাংসদ-বিধায়কদের নাম ছাপা হয়েছে বিজ্ঞাপনে। তার প্রতিবাদেই প্রধানমন্ত্রী, বিজেপি নেতা ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। এদিন অভিযোগ দায়ের করে এসইজেডির চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তী জানান, তৃমমূলকে অপমান করতেই পরিকল্পিতভাবে এই কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। সেই কারণেই আমরা এর প্রতিবাদে সরব হলাম। এবং অভিযোগ দায়ের করলাম। এর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে প্রশাসনের কাছে। উল্লেখ্য, শুক্রবার জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির চূড়াভাণ্ডারে জনসভা ছিল প্রধানমন্ত্রীর | সেখানেই জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের বানানো মঞ্চ থেকে ৩১ডি জাতীয় সড়ক প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।এই মঞ্চে উপস্থিত থাকার জন্য দার্জিলিংয়ের সাংসদ এসএস আলুওয়ালিয়া ছাড়াও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে জলপাইগুড়ির সাংসদ বিজয়চন্দ্র বর্মন, কোচবিহারের সাংসদ পার্থপ্রতিম রায়, আলিপুরদুয়ারের সাংসদ দশরথ তির্কি, আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক তথা জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তী, ময়নাগুড়ির বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারি, কোচবিহারেএ ফরওয়ার্ড ব্লক বিধায়ক নগেন্দ্রনাথ রায়কেও। অনুমতি ছাড়াই সংবাদপত্রে এই তাঁদের নাম ছাপানোয় জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে, বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন | এরপর আজ দায়ের করা হয় অভিযোগ | হিন্দুস্থান সমাচার / রক্তিমা / হীরক / কাকলি
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image