Hindusthan Samachar
Banner 2 गुरुवार, अप्रैल 25, 2019 | समय 10:14 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

শিশুরক্ষার আইন আছে, কিন্তু রাজ্যে কাজের কাজ কতটুকু

By HindusthanSamachar | Publish Date: Feb 9 2019 4:35PM
শিশুরক্ষার আইন আছে, কিন্তু রাজ্যে কাজের কাজ কতটুকু
কলকাতা, ৯ ফেব্রুয়ারি (হি. স.) : ‘পকসো’ আইন আছে। কিন্তু কার্যকর করার জন্য রাজ্যে বিশেষ আদালত নেই। শিশুদের সুরক্ষায় যে আইন রয়েছে, তা লাগু করতে যে পরিকাঠামো দরকার, তাতে বেশ খানিকটা পিছিয়ে রাজ্য। জাতীয় শিশু কমিশনের ২০১৭-’১৮ সালের বার্ষিক রিপোর্টে সেই ছবিই উঠে এসেছে। শিশুদের উপর অপরাধের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ২০১২ সালে পাশ হয় ‘দি প্রোটেকশন অফ চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়্যাল অফেন্সেস’ আইন বা পকসো। এই অপরাধ অনেক রাজ্যের থেকেই কম বাংলায়। কিন্তু অভিযোগ, তার মোকাবিলার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই রাজ্যে। জুভেনাইল জাস্টিস বা শিশুদের দেখভাল এবং তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত আইন কার্যকর করতে যে ব্যবস্থা দরকার, তার মধ্যে শিশুদের জন্য কোর্ট, স্পেশাল হোম, স্টেট চাইল্ড প্রোটেকশন ইউনিট সহ একাধিক পরিকাঠামো থাকা দরকার। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, রাজ্যের বেশিরভাগ জেলাতেই শিশুদের জন্য আলাদা আদালত এবং বিশেষ হোম নেই। আবার পকসো আইন কার্যকর করার জন্য যা প্রয়োজন, তার মধ্যেও স্পেশাল কোর্ট, স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগেও একেবারে নীচে বাংলা। রিপোর্ট অনুযায়ী, জুভেনাইল জাস্টিস আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে শিশুদের আলাদা আদালত নেই রাজ্যের ২০টি জেলায়। আবার ১৪টি জেলায় নেই স্পেশাল হোম। অন্যদিকে, বিশেষ আদালত নেই রাজ্যের কোনও জেলাতেই। অবশ্য একটি জেলা বাদে সর্বত্রই জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ড আছে। শিশু কল্যাণ কমিটি নেই একটি জেলায়। আবার কোনও জেলাতেই স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করা হয়নি। শিশুদের জন্য আলাদা আদালত না থাকার নজির রয়েছে আরও দু’টি রাজ্যে। যেমন উত্তরপ্রদেশে ১৯টি এবং তেলেঙ্গানায় ২০টি জেলায় এমন আদালত নেই। বিশেষ হোমের নিরিখে অবশ্য এরাজ্যের চেয়েও খারাপ জায়গায় রয়েছে একাধিক রাজ্য। যেমন, গুজরাত ও মহারাষ্ট্রে ৩৩টি করে জেলায় এমন পরিষেবা নেই। মধ্যপ্রদেশে ৪৮টি জেলায় স্পেশাল হোম নেই। এছাড়াও বিহারের ৩৭টি জেলায়, অসমের ২৬টি জেলায়, কর্ণাটকের ২৯টি জেলায় এবং তামিলনাড়ুর ৩০টি জেলায় এই ব্যবস্থা নেই। জুভেনাইল জাস্টিস আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে আর যে সব পরিকাঠামো প্রয়োজন, তার মধ্যে স্টেট চাইল্ড প্রোটেকশন ইউনিট, ডিস্ট্রিক্ট চাইল্ড প্রোটেকশন ইউনিট সহ বাকি সুবিধা রয়েছে এ রাজ্যে। অন্যদিকে, পকসো আইন কার্যকর করার জন্য রাজ্যের মতো স্পেশাল কোর্ট নেই তেলেঙ্গানার ২১টি জেলায়, উত্তরপ্রদেশের ১৯টি জেলায়, গুজরাতের ১২টি জেলায় এবং অরুণাচল প্রদেশের ১৫টি জেলায়। একইভাবে তেলেঙ্গানার ২৮টি, গুজরাতের ২৮টি, উত্তরপ্রদেশের ১১টি জেলায় স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করা হয়নি। অসম, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশও রয়েছে এই তালিকায়। তবে এই রাজ্যগুলিতে মাত্র একটি করে জেলায় এমন নিয়োগ হয়নি। তবে শিশুকল্যাণ কমিটি গড়ার ক্ষেত্রে বাকি রাজ্যগুলি ভালো জায়গাতেই রয়েছে। এমন কমিটি নেই তেলেঙ্গানার ২১টি জেলায়, গুজরাতের সাতটি জেলায় এবং দিল্লির পাঁচটি জেলায়। পশ্চিমবঙ্গের মাত্র একটি জেলায় এমন কমিটি নেই। প্রায় সাড়ে তিন দশক ধরে শিশুকল্যণ সংস্থার সঙ্গে জড়িত সত্যগোপাল দে ‘হিন্দুস্থান সমাচার’-কে বলেন, শিশুদের জন্য আদালত অর্থাৎ চিল্ড্রেন্স কোর্ট এবং জুভিনাইল জাস্টিস বোর্ড সব জেলায় আছে। বিশেষ হোম সব জেলায় থাকার কথা নয়। স্টেট চাইল্ড প্রোটেকশন সোসাইটি আছেও। প্রতিটি জেলার অতিরিক্ত জেলা জজ ২ এর এজলাস পকসো আদালত এবং চিল্ড্রেন্স কোর্ট হিসেবে চিহ্ণিত। গ্রামস্তরে ভিলেজ লেভেল চাইল্ড প্রোটেকশন কমিটি গঠিত হয়েছে, তবে, এটা ঠিক শিশু-নিরাপত্তার এই ক্ষেত্রের আরও উন্নয়নের অবকাশ আছে। হিন্দুস্থান সমাচার/অশোক / কাকলি
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image