Hindusthan Samachar
Banner 2 मंगलवार, अप्रैल 23, 2019 | समय 11:34 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

অবৈধ অনুপ্ৰবেশকারী রুখতে কড়া আইন তৈরি হচ্ছে, এতে অসম সুরক্ষিত হবে: গুয়াহাটিতে প্রধানমন্ত্রী

By HindusthanSamachar | Publish Date: Feb 9 2019 8:38PM
অবৈধ অনুপ্ৰবেশকারী রুখতে কড়া আইন তৈরি হচ্ছে, এতে অসম সুরক্ষিত হবে: গুয়াহাটিতে প্রধানমন্ত্রী
গুয়াহাটি, ৯ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : অসম তথা অসমিয়াদের সুরক্ষা ও অস্তিত্ব রক্ষার জন্য কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকার নিষ্ঠা সহকারে নিরন্তর প্রয়াস বজায় রেখেছে। অসম-সহ দেশের যে-কোনও প্রান্তে অবৈধ অনুপ্ৰবেশকারীদের রুখতে কড়া আইন তৈরি হচ্ছে। এজন্য এনআরসি-র কাজও নিৰ্ধারিত সময় সম্পূৰ্ণ হওয়া খুব দরকার। শনিবার গুয়াহাটির পার্শ্ববর্তী চাংসারিতে এইমস-সহ কয়েকটি প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধনের পর আয়োজিত বিশাল জনসমাবেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিন লক্ষাধিক জনতার সমাবেশ দেখে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁকে আশীর্বাদ দিতে এত লোকের সমাগমস্থল নেহাত ছোট হয়ে গেছে। এর পরই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল সম্পর্কে তিনি তাঁর স্পষ্ট স্থিতি তুলে ধরেন জনতার সামনে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসম তথা অসমিয়ার সুরক্ষার জন্য যে আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে সেই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্দেশ্যমূলকভাবে জেনেশুনে বিভ্ৰান্তি ছড়ানো হচ্ছে। নিতান্ত স্বার্থসিদ্ধির জন্যই কতিপয় ব্যক্তি ও দল-সংগঠন সহজ-সরল জনতাকে বিলের বিরুদ্ধে উসকে দিয়ে ভয়ংকর খেলায় মাতাল হয়ে উঠেছে। কংগ্রেস-সহ অন্য বিরোধী দলের নেতাদের নাম না ধরে বলেন, ‘আমার এবং আমার সরকারের বিরুদ্ধাচরণকারীরা, চোখ খুলে আজকের জনসমুদ্র দেখুন, জনতার আগ্রহ ও উল্লাস দেখে আপনারা বোঝার চেষ্টা করুন এঁরা কী চান? আমার কাছে এঁদের প্রত্যাশা কী?’ এর পরই বলেন, অসম তথা সমগ্ৰ উত্তর-পূৰ্বাঞ্চলের ভাষা সংস্কৃতি রক্ষার জন্য বিজেপি তথা এনডিএ সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করেই যাবেন। কামরূপ জেলার চাংসারিতে বিজয় সংকল্প শীর্ষক বিশাল জনসমাবেশে প্ৰধানমন্ত্ৰী অসমিয়া ভাষায় তাঁর ভাষণ শুরু করেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি বহু অভিলাষী প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেছেন। আজকের ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী উপস্থিত জনতার সামনে তিনি বলেন, এই সমাবেশ পূর্বের সর্বকালীন রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। এ থেকেই প্রমাণিত, অসমের জনতা একটি শুদ্ধ এনআরসি এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের পক্ষে রয়েছেন। অসমবাসীর এই ভলোবাসা, মা কামাখ্যার আশীৰ্বাদ তাঁর ওপর রয়েছে তা তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি গুয়াহাটির সংবাদ মাধ্যমকেও ঠুকতে ভুলেননি। তিনি বলেন, গতকাল এবং আজ তিনি গুয়াহাটির পরিবেশ (কালোপতাকা) দেখে বিস্মিত হয়েছেন। সে-সব খবর সম্প্রচারিত ও প্রকাশিত হবে, কিন্তু আজকের জনসমাবেশ তাঁদের চোখে পড়বে না। সংবাদ মাধ্যমের মালিকরা তাঁর প্রতি কেন এত বীতশ্রদ্ধ তা তিনি বুঝতে পারছেন না, কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি অসমের মহাপুরুষ এবং সাহসী বীরদেরও স্মরণ করেন। বলেন, মহাপুরুষ শংকরদেব, মাধবদেব, চাওলুং চ্যুকাফা, আজান পীর, লাচিত বরফুকনের অবদান তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তাঁদের প্রদর্শিত ভাবধারায় অসম এক উন্নত রাজ্যে পরিণত হবে। তাছাড়া মরিগাওঁয়ে চলমান শংকর সংঘের অধিবেশনকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শ্ৰদ্ধা জানিয়ে মোদী বলেন, ‘শংকরদেব এবং লক্ষ লক্ষ ভক্তবৃ্ন্দদের প্ৰণাম জানাচ্ছি।’ সুধাকন্ঠ ড. ভূপেন হাজরিকার ‘অসম আমার রপহী...’ (রূপসী) গানের দুই পংক্তি উচ্চারণ করে সদ্যপ্রাপ্ত ভারতরত্নকে শ্ৰদ্ধা জানান প্ৰধানমন্ত্ৰী। তিনি বলেন, ‘ড. হাজরিকা তাঁর সুরারোপিত গান গেয়ে বঞ্চিত নিপীড়িতদের জন্য আওয়াজ তুলেছিলেন। দেশমাতৃকার এই সুসন্তানকে ভারতরত্ন প্রদান করতে বহু বিলম্ব হয়ে গেছে। জীবদ্দশায় এই সম্মান পাওয়ার কথা ছিল ভূপেন হাজরিকার।’ কিন্তু কেন তা সম্ভব হয়নি, তদানীন্তন কংগ্রেস সরকারকে ঠুকে তার বিচারের দায় সঁপে দিয়েছেন জনতার ওপর। কংগ্ৰেসকে কটাক্ষ করে তিনি নয়া নামাকরণ করে ‘বিসি’ এবং ‘এডি’-কে ঠুকেছেন। বলেন, বিসি মানে বিফোর কংগ্রেস এবং এডি মানে আফটার ডায়নেস্টি। প্ৰধানমন্ত্ৰীর এবার সরাসরি হামলা, ‘আপনারা ভাবুন, অসম তথা দেশের এই সুসন্তানকে ভারতরত্ন প্রদান করতে কেন গড়িমসি করেছে কংগ্রেস সরকার। দেশকে যাঁরা গৌরবান্বিত করেছেন, সম্মানিত করেছেন তাঁদের সম্মান প্রদর্শন করতে কেন বিলম্ব হবে।’ তিনি বলেন, ‘অবশ্য তারা সেই সদিচ্ছা প্রদর্শন করতে না পারলেও গোপীনাথ বরদলৈ এবং ভূপেন হাজরিকাকো ভারতরত্ন প্রদান করার সুযোগ আমি পেয়েছি।’ এ প্রসঙ্গে মোদী বলেন, ‘নিজের ঘরের নায়কদের যাঁরা ভুলতে পারে, সেভাবে তাঁরা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিকাশও যে করতে হবে তা ভুলে গেছে।’ তিনি বলেন, ‘কলকাতা অতিক্রম করে অন্য অঞ্চল যে রয়েছে সে কথা তদানীন্তন সরকারগুলো কল্পনাও করতে পারেনি। কিন্তু আমাদের সরকার এই ধারণা পালটে দিয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, উত্তর-পূৰ্বাঞ্চলের জন্য এবারের বাজেটে বহু তহবিল ধার্য করা হয়েছে। অসমকে বিকশিত করতে আজ কয়েকটি প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করা হয়েছে। উত্তরপূর্বের অৰ্থব্যবস্থাকে সর্বদিকে মজবুত করার বহু পরিকল্পনা তাঁর সরকারের রয়েছে বলে জানান তিনি। বলেন, বিগত সাড়ে চার বছরে বর্তমান সরকার অয়েল ও গ্যাস ক্ষেত্ৰে ১৪,০০০ কোটি টাকার প্ৰজেক্ট সম্পূৰ্ণ করেছে। প্ৰায় সাড়ে নয় হাজার প্ৰজেক্টে আজ তীব্ৰগতিতে কাজ চলছে। ১,২০০ কোটি টাকায় নিৰ্মীয়মাণ বায়োডিজেল প্ৰজেক্ট নুমলিগড়ে উদ্বোধন করা হয়েছে। এখানে ৬ কোটি ইথানলও প্ৰস্তত করা হবে। এই প্ৰজেক্ট নুমলিগড় রিফাইনারির ক্ষমতা তিনগুণ বৃদ্ধি হবে। বায়ো-ফুয়েলের পাশাপাশি অসম থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রাকৃতিক গ্যাস পাঠাতে গ্যাস গ্ৰিড তৈরি করা হচ্ছে। তিনি জানান, ২০১৪ সালের পর ২৫ লক্ষ গৃহস্থের বাড়িতে পাইপ লাইনে গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। আজ তা দ্বিগুণ হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে তা ২ কোটি ছোঁবে । মুখ্যমন্ত্ৰী সৰ্বানন্দ সনোয়াল এবং তাঁর সরকারি দলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সর্বানন্দের টিম অসমকে দুৰ্নীতিমুক্ত রাজ্য গড়ার প্ৰচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। বলেন, পূর্ববর্তী সরকার দুৰ্নীতিকে তাদের প্রশাসনের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ করেছিল। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী এবং তাঁর (মোদী) বিরুদ্ধাচরণকারীদের নাম না ধরে বলেন, ‘এঁরা দেশের সুরক্ষার সঙ্গে ভয়ানক খেলায় মত্ত হয়েছে। এই সব দুৰ্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সে সব ক্ষেত্রে চৌকিদারের তীক্ষ্ণ নজর রয়েছে। সজাগ চৌকিদারের নজরদারিতে দুর্নীতিগ্রস্তরা ছটফট করছে। এঁদের ছেড়ে কথা বলা হবে না। তা এই সব দুর্নীতিগ্রস্তরা বেমালুম টের পেয়েই সকালে ঘুম থেকে ওঠে রাত পর্যন্ত মোদীকে গালিগালাজ করছে। এত স্বাভাবিক। তিনি বলেন, মোদীকে কে কত গালাগাল দিতে পারে এর প্রতিযোগিতা চলছে এখন।’ প্রধানমন্ত্রী আজ তাঁর উদাত্ত ভাষণে অসম তথা অসমিয়ার সুরক্ষার জন্য নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের যে কতটা যৌক্তিকতা রয়েছে তার ব্যাখ্যা করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, এই বিল নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্দেশ্যমূলকভাবে জেনেশুনে বিভ্ৰান্তি ছড়ানো হচ্ছে। স্বার্থসিদ্ধির জন্যই কতিপয় ব্যক্তি এবং দল ও সংগঠন সহজ-সরল জনতাকে বিলের বিরুদ্ধে উসকে দিয়ে ভয়ংকর খেলায় মাতাল হয়ে উঠেছে। অসম চুক্তির ৬ নম্বর দফাকে শিগগির বলবৎ করতে কেন্দ্রীয় সরকার একটি উচ্চস্তরের কমিটি গঠন করে দিয়েছে। এই কমিটি অসমবাসীর মঙ্গল, আশা-আকাঙ্ক্ষার ভাবনাকে সম্মান দিয়ে উপযুক্ত প্ৰতিবেদন প্ৰস্তুত করবে বলেও তিনি আশা ব্যক্ত করেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি কংগ্ৰেস-সহ বিরোধী রাজনৈতিক দল ও বেসরকারি সংগঠনগুলোর তীব্র সমালোচনা করেছেন। কংগ্রেস ও অগপকে কটাক্ষ করে প্ৰধানমন্ত্ৰীর স্বভাবসিদ্ধ প্রশ্ন, যে-সব দল জনতার মধ্যে ভ্ৰম বা বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে তারা গত ৩৬ বছর কী করছিল? কেন সাড়ে তিন দশকে অসম চুক্তির রূপায়ণ করতে পারল না? ৩৬ বছরে যে কাজ কোনও সরকারের পক্ষে করা সম্ভব হয়নি, সেই কাজ বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্ৰীয় সরকার করে দেখাবে বলে দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেছেন মোদী। অসমের জনতার উত্থাপিত প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষায় পূর্ববর্তী সরকারের প্রতি তুলেছেন। বলেন, ‘বিগত ৩৬ বছর আপনারা কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলেন? কোথায়, কোন সুখশয্যায় ঘুমিয়েছিলেন আপনারা? এখন অসমের আবেগ নিয়ে খেলছেন? এই ভয়ংকর খেলা বন্ধ করুন।’ তিনি বলেন, ভোট ব্যাংকের রাজনীতি করতে গিয়ে অসমকে ধ্বংস হতে তাঁর সরকার দেবে না। যাঁরা ভোট ব্যাংকের জন্য অসমকে মাঝরাস্তায় এনে দাঁড় করিয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে লড়তে তিনি প্রস্তুত এবং সে পথেই এগোচ্ছেন তিনি বা তাঁর সরকার। বলেন, ‘অসমকে সর্বাবস্থায় বাঁচাতে হবে, এই মাকে রক্ষা করতে হবে আমার।’ জনতার উদ্দেশ্যে আরও বলেন, ‘আমার প্ৰতি যতটুকু আশীৰ্বাদ আপনাদের আছে ততটুকু দায়িত্ব আমি পালন করবই, এই প্রতিজ্ঞা থেকে বিচ্যুত করার ক্ষমতা কারোর নেই।’ এত কিছু বলার পরও তিনি বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল সম্পর্কে আজ তিনি কোনও আলোচনা করতে চান না। নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল কেবল অসম এবং উত্তর-পূৰ্বাঞ্চলের জন্য নয়। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ভারত মাতা কী জয় বলে যাঁরা জয়ধ্বনী দেন সে-রকম অসংখ্য মানুষ বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে নিৰ্যাতিত হয়ে এ-দেশে এসেছেন। এঁরা এমনিতে ভারতে আসেননি। হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, পার্শি, শিখ ইত্যাদি যে-সব সংখ্যালঘু সে-সব দেশগুলো থেকে ভারতে এসেছেন, তাঁদের সুরক্ষা দেওয়া ভারত সরকার তথা ভারতবৰ্ষের দায়িত্ব। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এ-দেশে আসবেন আর তাদের নাগরিকত্ব দিয়ে দেওয়া হবে? তা মোটেও নয়। প্ৰয়োজনীয় যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর, রাজ্য সরকারের অনুমোদনের ভিত্তিতেই বিদেশ থেকে আগত কোনও ব্যক্তি বা পরিবারকে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। তিনি ফের বলেন, ‘আমার সরকার অসম এবং অসমিয়াদের হিতাকাঙ্ক্ষী। অসমের জনসাধারণের কল্যাণ সাধনের জন্য তিনি সম্পূৰ্ণ দায়বদ্ধ। ৬ জনগোষ্ঠীকে জনজাতির মৰ্যাদা প্রদান সম্পর্কেও ভাষণে বলেছেন মোদী। বলেন, আহোম, মটক, মরান, চুতিয়া, কোচ-রাজবংশী এবং চা জনগোষ্ঠীকে জনজাতির মৰ্যাদা দেওয়ার প্রক্রিয়া চালিয়েছে সরকার। ৬ জনগোষ্ঠীকে জনজাতিকরণ করলে অসমের বৰ্তমান জনজাতিদের কোনও ক্ষতি হবে না, তাঁদের সম্পূৰ্ণ সুরক্ষা দেওয়া হবে বলে দৃঢ়তার সঙ্গে জানান প্রধানমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে আরও স্পষ্ট করে বলেন, এসসি, এসটি, ওবিসি-দের কোনও ক্ষতি না করেই তাঁর সরকার উচ্চবৰ্ণদের ১০ শতাংশ সংরক্ষণ প্ৰদান করেছে। প্ৰধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্র মোদী আজকের বিশাল জনসভাকে সম্বোধিত করার আগে চাংসারিতে নিৰ্মীয়মাণ এইমস-এর ভূমিপূজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া শিলান্যাস করেছেন ছয়লেনযুক্ত গুয়াহাটি-উত্তর গুয়াহাটি সেতুর। ২,১৮৭ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হবে এই সেতু। কেবল এ-ই নয়, নৰ্থ-ইস্ট গ্ৰিড এবং সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়াৰ্কেরও শিলান্যাস করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এর বলে কামরূপ, কাছাড়, হাইলাকান্দি এবং করিমগঞ্জে হবে সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়াৰ্ক। এখান থেকেই তিনি তিনসুকিয়ার হলং মড্যুলার গ্যাস প্ৰসেসিং প্ল্যাণ্ট, ১৫,০০০ টাকা ব্যায়সাপেক্ষে নুমলিগড়ের এনআরএল বায়ো-রিফাইনারি প্ৰকল্প, পশ্চিমবঙ্গ-সিকিমের মধ্য দিয়ে বিহার সংযোগী ৭২৯ কিলোমিটার দৈৰ্ঘ্যের গুয়াহাটি-বারাউণি গ্যাস পাইপলাইনেরও আজ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজকের সভামঞ্চে অন্যান্যদের সঙ্গে ছিলেন রাজ্যপাল অধ্যাপক জগদীশ মুখি, মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল, রেল প্রতিমন্ত্রী রাজেন গোহাঁই, অর্থমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা-সহ রাজ্যের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, সাংসদগণ যথাক্রমে বিজয়া চক্রবর্তী, রমেন ডেকা, আরপি শর্মা, কামাখ্যপ্রসাদ তাসা প্রমুখ। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে বক্তব্য পেশ করেছেন মন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা এবং মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল। হিন্দুস্থান সমাচার / এসকেডি / কাকলি
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image