Hindusthan Samachar
Banner 2 मंगलवार, फरवरी 19, 2019 | समय 23:02 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

১১ মাস আগে রাজ্যে যেভাবে নতুন সূর্যোদয় ঘটিয়েছেন ত্রিপুরাবাসী, সেভাবে এগিয়ে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

By HindusthanSamachar | Publish Date: Feb 9 2019 8:53PM
১১ মাস আগে রাজ্যে যেভাবে নতুন সূর্যোদয় ঘটিয়েছেন ত্রিপুরাবাসী, সেভাবে এগিয়ে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
আগরতলা, ৯ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : পরিবর্তনের সন্তুষ্টি রাজ্যবাসীর চোখেমুখে ফুটে উঠেছে। ত্রিপুরার বিকাশের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার সবকিছু করে চলেছে। জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার ত্রিপুরা সফরে এসে বিকেলে আগরতলার স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে এক জনসভায় বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে এ-কথাগুলি বলেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চে তাঁকে ফুল এবং জনজাতিদের রিসা পরিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। রিমোটের মাধ্যমে গোমতী জেলার গর্জি থেকে বিলোনিয়া পর্যন্ত নতুন করে তৈরি রেলপথের উদ্বোধন করে নয়া যাত্রীবাহী ট্রেনের সূচনা করেন। এর পর একইভাবে পশ্চিম জেলার নরসিংগড় এলাকায় নবনির্মিত ভবনে ত্রিপুরা রাজ্যের প্রথম ট্রিপল আইটি ইস্টিটিউটের সূচনা করেন তিনি। পরে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লবকুমার দেবের লেখা "আধুনিক ত্রিপুরার শিল্পকার মহারাজা বীরবিক্রম কিশোর মাণিক্য" শীর্ষক বই উন্মোচন করেন মোদী। সবশেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ত্রিপুরাবাসীর উদ্দেশ্যে তাঁর উদাত্ত বক্তব্য পেশ করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ বছর ত্রিপুরার উন্নয়নে তদানীন্তন রাজ্য সরকার কোনও কাজ করেনি। বিজেপি সরকার ত্রিপুরার উন্নয়নে কাজ করছে। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার উত্তরপূর্ব ভারতের উন্নয়নের জন্য কাজ করছে। এর মধ্যে সড়ক যোগাযোগ, ইন্টারনেট, বিমানপথ এবং বাংলাদেশের সহযোগিতায় ত্রিপুরা ও বাংলাদেশের মধ্যে নৌপথে যোগাযোগ স্থাপন করা হচ্ছে। বাংলাদেশের আশুগঞ্জ এবং চিটাগাং বন্দর ব্যবহার করে ত্রিপুরা-সহ উত্তরপূর্ব ভারতের উন্নয়ন করা হচ্ছে। গোমতী নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি করে ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশের মধ্যে জাহাজ চালানো হবে। এর ফলে ত্রিপুরা শুধু উত্তরপূর্ব ভারতেরই নয়, দক্ষিনপূর্ব এশিয়ার বাণিজ্য হাব হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ত্রিপুরাবাসীর উন্নতির জন্য কাজ করে চলেছে। কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনেছে রাজ্য সরকার, যা রাজ্যের ইতিহাসে প্রথমবার ঘটেছে। তিনি বলেন, ফেনি নদীর উপর সেতুর কাজ চলছে। যা খুব শীঘ্রই শেষ হবে, গোমতী নদীর পাড় এবং নাব্যতা বাড়ানোর কাজও খুব শীঘ্রই শুরু হবে। তারপর সেই নদীতে জাহাজ চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান। ভাষণে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়ে ত্রিপুরাকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দ্বার বানানো হবে। দিল্লিতে মহাজোটের তীব্র সমালোচনা করেন মোদী। তিনি বলেন, দিল্লিতে মহাজোটে যাঁরা যাঁরা সামিল হয়েছেন তাঁরা ভাবছেন জনতা বোকা। কিন্তু যদি তাঁরা জনতাকে বোকা বলে ভবে থাকেন, তা হলে বলতে হবে এঁরা কিছুই জানেন না, এরা ভুল ভাবছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ সব বুঝে গেছেন, দিল্লিতে আগের সরকার কীভাবে টাকা লুট করেছে। এখন মানুষই জবাব দেবে। তিনি বলেন, বিগত বছরে সরকার যে-সব কাজ করেছে তাতে ''সব কা সাথ সব কা বিকাশ''-এর লক্ষ্যে এগিয়ে গেছে ভারত। কৃষক থেকে শুরু করে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে বহু প্রকল্প হাতে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষক, পশুপালক, মৎস্য ব্যবসায়ীদের জন্য বহু প্রকল্প হাতে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাছাড়া এডিসিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তিনি বলেন, রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বিগত সরকারের স্বজনপোষণ নীতি পুরোপুরি পাল্টে দিয়েছে বিজেপি সরকার, জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১১ মাস আগে ত্রিপুরাবাসী যেভাবে নতুন সূর্যোদয় ঘটিয়েছেন, সেভাবে এগিয়ে যেতে ত্রিপুরাবাসীকে বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন আস্তাবল ময়দান ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। বহু লোক মাঠে ঢুকতেই পারেননি। তাই তাঁরা বাধ্য হয়ে মাঠের আশপাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। এদিন ত্রিপুরার কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী দিল্লির উদ্দেশে যাত্রা করেন। হিন্দুস্থান সমাচার / নবেন্দু / এসকেডি/ কাকলি
लोकप्रिय खबरें
चुनाव 2018
image