Hindusthan Samachar
Banner 2 शनिवार, फरवरी 23, 2019 | समय 16:26 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

তৃণমূল বিধায়ক খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক চাপান-উতোর

By HindusthanSamachar | Publish Date: Feb 10 2019 11:57AM
তৃণমূল বিধায়ক খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক চাপান-উতোর
কৃষ্ণনগর, ১০ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপান-উতোর শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, বাড়ি থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে পাড়ার ক্লাবের সরস্বতী পুজোর অনুষ্ঠানে শনিবার রাতে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলিতে খুন হন নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস (৪২)। জেলার যুব তৃণমূল সভাপতিও ছিলেন তিনি। বিধায়ক খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কার্তিক মণ্ডল ও সুজিত মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সন্দেহের তির এক পড়শি অভিজিত্ পুন্ডারির দিকেও। গোটা ঘটনার পেছনে বিজেপির ভূমিকা রয়েছে বলে দাবি তৃণমূলের। এনিয়ে মুকুল রায় সহ মোট ৪ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। এদিকে, এই ঘটনার পেছনে গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মনে করছে তৃণমূল। মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপির দিকেই আঙুল তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘মতুয়া সংগঠন করত সত্যজিত্। যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিল। জেলার দাপুটে নেতা হিসেবে ওর পরিচিতি ছিল। এটি একটি সংঘটিত খুন। এর পেছনে রয়েছে বিজেপিই। সত্যজিতকে সরিয়ে ফেলাই ছিল টার্গেট। সীমান্ত এলাকায় দুষ্কৃতী ঢোকাচ্ছে বিজেপি। মতুয়াদের সংগঠক এই যুব নেতাকে তাই খুন হতে হল।‘ অন্যদিকে, মন্ত্রী রত্না ঘোষ কর বলেন, মতুয়া ভোটের জন্য মুকুল রায় ক্রিমিন্যাল ভাড়া করে খুন করিয়েছে। নদিয়া জেলা সভাপতি গৌরিশঙ্কর দত্ত সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ‘সত্যজিত নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে চলা ফেরা পছন্দ করত না৷ ও ছিল কেয়ারলেস, দাপুটে নেতা৷ অনুষ্ঠানের আগে ছুটি দিয়ে দিয়েছিল ওর নিরাপত্তরক্ষীকে৷’ হাঁসখালির ফুলবাড়ি এলাকায় পুজোর অনুষ্ঠান চলাকালীন দর্শকাসনে বসে থাকা বিধায়কের কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি চালানো হয়, তাতে উপস্থিত জনতা কয়েক সেকেন্ডের জন্য বিহ্বল হয়ে যায়। পরক্ষণেই সকলে সত্যজিৎবাবুকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সেই ফাঁকে খুনি পালায়। সত্যজিৎবাবুকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আততায়ীকে এখনও চিহ্নিত করা না গেলেও তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, বিজেপিই সত্যজিৎবাবুকে খুন করিয়েছে। বিশেষ করে এর পিছনে বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন তৃণমূল মুকুল রায়ের হাত রয়েছে বলে তাঁদের সন্দেহ। মুকুল রায় এই অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের দিকে আঙুল তুলেছেন। বিজেপির রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘এই খুনের নিন্দা করছি৷ সিবিআই তদন্ত হলে আপত্তি নেই৷ দেখা যাবে তৃণমূলের লোকই খুন করেছে৷’’ তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘পরিকল্পনা করে সত্যজিৎকে খুন করল বিজেপি। ওদের খুনের রাজনীতির পরিণাম বাংলা বুঝতে পারছে, প্রতিরোধও করবে।’’ জবাবে মুকুলের বক্তব্য, ‘‘সত্যজিৎ বাচ্চা ছেলে, ভাল ছেলে। ও কার বাড়া ভাতে ছাই দিয়েছে দেখা হোক। নিরপেক্ষ তদন্ত হলেই বোঝা যাবে ওদের অন্তর্দ্বন্দ্বে খুন হয়েছে।’’ পুলিশ সুপার রূপেশ কুমার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমনদীপ, এডিজি নীরজ কুমার সিংহ-সহ পুলিশের কর্তারা সকলেই এ দিন হাসপাতালে পৌঁছে যান। রাতের দিকে নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে হাসপাতালেরই একটি ঘরে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। ঘটনাস্থলে আসেন জেলাশাসক সুমিত গুপ্ত। তিনি বলেন, ‘‘অপরাধীকে খুঁজে বার করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে।’’ হিন্দুস্থান সমাচার/ সঞ্জয়
लोकप्रिय खबरें
चुनाव 2018
image