Hindusthan Samachar
Banner 2 रविवार, मार्च 24, 2019 | समय 21:57 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

দরজা ভেঙে বাড়িতে মজুত থাকা সিদ্ধ ধান খেয়ে সাবাড় করল দাঁতালের দল

By HindusthanSamachar | Publish Date: Mar 10 2019 9:47PM
দরজা ভেঙে বাড়িতে মজুত থাকা সিদ্ধ ধান খেয়ে সাবাড় করল দাঁতালের দল
ঝাড়্গ্রাম, ১০ মার্চ (হি.স.) : দরজা ভেঙেবাড়িতে থাকা মজুত থাকা সিদ্ধ ধান খেয়ে সাবাড় করল দাঁতালের দল। বাড়ির দরজা ভাঙার দৃশ্য দেখে রীতিমত আবাক গ্রামের মানুষজন। ঝাড়গ্রাম জেলার জামবিন রেঞ্জের ভালুকা বিটের অধীন কুমরী গ্রামে গভীর রাতে দলমা দলের দশ থেকে পনেরোটি হাতি রাতভর গ্রামের পরপর বাড়ি গুলির দরজায় ধাক্কা দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করছে। শেষ পর্যন্ত গ্রামের নিচ পাড়ায় গুরুপদ মাহাতোর বাড়ির দরজা ভেঙে পাঁচ বস্তা সিদ্ধ ধান খেয়েছে বলে গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন। শেষে গ্রামবাসীদের তাড়া খেয়ে ধান এবং ভুট্টা জমির উপর দিয়ে হেলেদুলে গিরার জঙ্গলে ফিরে গিয়েছে।উদর পুর্তির পর ধান আর ভু্ট্টা জমির উপর আবার গড়াগড়ি দিয়েছে।আর এই সবের ফলে গ্রামের মানুষের জমির ধান,ভুট্টার একে একে তছনছ অবস্থা হয়েছে। বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে বেশ কিছুদিন ঝাড়গ্রাম ডিভিশনের বনাঞ্চলে কোন দলমার হাতি ছিল না। গত শুক্রবার ঝাড়খন্ড রাজ্যের দিকে থেকে জামবনির চিচিড়া হয়ে দলমা দলের প্রায় পনেরোটি হাতি আবারও ঢুকে পড়ে জামবনি ব্লকে।চিচিড়া হয়ে ঝাড়গ্রাম ব্লকের পুকুরিয়া বিটের পিপড়ি,চাঁদাবিলা এলাকার জঙ্গল গুলিতে একদিন থাকার পর দলটি শনিবার রাতে ঢুকে পড়ে কুমরী গ্রামে।কুমরী গ্রামটি প্রায় পুরো জঙ্গলে ঘেরা।এই এলাকার জঙ্গলে দলমা হাতির দল প্রায়ই ঘাঁটি গেড়ে থাকে। কিছুদিন আগে নেকড়েবাঘের আতঙ্ক ছিল।সারা বছর ধরে এখন হাতির উপদ্রপ।এই এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়া,শিক্ষকরা রীতিমত জঙ্গল পথে বিদ্যালয় যেতে ভয় পায়।তার উপর বেনাগেড়িয়া থকে রামচন্দ্রপুর পর্যন্ত প্রায় সাত কিমি রাস্তা অত্যন্ত খারাপ। সব মিলিয়ে শনিবার রাতে দেড়টা দুটো নাগাদ হাতির দলের এইভাবে সদলবলে গ্রামে ঢুকে হামলা চালানোর ঘটনায় আরো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে গ্রামেরবাসীন্দারা। শনিবার রাতে ঘটনার পরে রবিবার সকালে ভালুকা বিটের বিট অফিসার সন্তোষ সর্দার গ্রাম পৌছে ক্ষয় ক্ষতির বিষয়টি দেখেন।কুমরী গ্রামের বাসিন্দা,শিক্ষক হরেন মাহাতো বলেন “ যে ভাবে এক দল হাতি এসে গভীর রাতে গ্রামে পর পর বাড়ির দরজায় ধাক্কা দিয়েছে তাতে আমরা খুবই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। প্রায় দশ বারো টি ঘরে এই ভাবে পরপর ধাক্কা দেয়।এক জনের বাড়ির ধান খেয়ে নেয়।একেই জঙ্গল ঘেরা গ্রাম তার উপর গ্রামের রাস্তা এত খারাপ।নিত্যদিন গ্রামে হাতি ঢুকচ্ছে।আমাদের আর্জি গ্রামে যাতে হাতি না ঢোকে তার ব্যবস্থা নিক বনদফতর।” -হিন্দুস্থান সমাচার /গোপেশ /কাকলি
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image