Hindusthan Samachar
Banner 2 शुक्रवार, मार्च 22, 2019 | समय 13:40 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

ভোটের প্রচারে আবেগ আর ঐতিহ্যের মিশেলে ‘এক ডজন গপ্পো’

By HindusthanSamachar | Publish Date: Mar 11 2019 4:52PM
ভোটের প্রচারে আবেগ আর ঐতিহ্যের মিশেলে ‘এক ডজন গপ্পো’
কলকাতা, ১১ মার্চ (হি. স.): দেশবিদেশে ছড়িয়ে পরা তিন বন্ধুর দেখা অনেক দিন বাদে| মিলিত হয়েছেন ডেকার্স লেনে| গিয়েছেন রসনার তৃপ্তি মেটাতে| প্রথম ব্যক্তি- চিকেন স্টু’ই হোক, আর সঙ্গে ঘুগনি পাউরুটি| ডেকার্স লেনের খাবারের স্বাদ যেন অমৃত, জিভে লেগে থাকে সারাক্ষণ| দ্বিতীয় ব্যক্তি- এই না হলে কলকাতা! এখানে জীবনের স্বাদই আলাদা| সত্যিই এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি| তৃতীয় ব্যক্তি- সে তো ভালো কিন্তু আমাদের কলকাতার উত্তরের ভোটাররা একটু যেন বেশি ভোটবিমুখ| জীবনে স্বাদটা নিতে হলে সমাজের দিকটাও তো মানতে হবে| সেটা নষ্ট করলে হবে? দ্বিতীয় ব্যক্তি- না না, ভোট নষ্ট করা যাবে না| আমরা দাঁড়াবো ১৯ মে ভোটের লাইনে| ভোট দেবো আমাদের পছন্দের প্রার্থীকে| পাশাপাশি সব ক’টি দোকান থেকে তখন মুখ বাড়িয়ে একসঙ্গে দোকানদার এবং খদ্দেররা- “আমরাও যাব ভোট দিতে, যাব যাব”| এইভাবে ভোটের প্রচারে তৈরি হচ্ছে ‘এক ডজন গপ্পো’| মূল উদ্যোক্তা উত্তর কলকাতার ভোটের ব্যবস্থাপক রিটার্নিং অফিসার দিব্যেন্দু সরকার| ভোটের বেশ ক’দিন আগে থেকে দেখানো হবে এগুলি | ঠাকুর বাড়ি থেকে শুরু করে ইডেন গার্ডেন্স, হাতে টানা রিকশা- এ রকম একটি করে বিশেষ বিষয়ের উপর ভিত্তিতে তৈরি হবে ১২টি এক মিনিটের ভিডিও চিত্র | ধরা যাক এক ব্যক্তি কলেজ স্ট্রিটে এসেছেন পুরনো বইয়ের দোকানে | ঘুরতে ঘুরতে হঠাত শুনলেন কয়েকজন দোকানদার আলোচনা করছেন ভোট নিয়ে| এক জন আর এক জনকে বললেন, “কাল তো ভোট! যাবি না?” জবাব এল, “নিশ্চয়ই যাব!” ভদ্রলোক ওদের কাছে এগিয়ে বললেন, “আরে ভাই তাই তো! কালই তো ভোট| আমাকেও ভোট দিতে যেতে হবে!” অন্যান্য দোকানিরা বেরিয়ে বললেন, “আমরাও যাব ভোট দিতে| ভোট দেব, ভোট দেব|” এক একটি গল্প ইউটিউব এ আপলোড করে দেওয়া হবে| তার পর ওয়েবসাইটের লিঙ্কে সেগুলি দেখানো হবে বিভিন্ন ভাবে | ফেসবুক, টুইটারে যুক্ত করা হবে এই সব গল্প| এর মধ্যে থাকবে উত্তর কলকাতার রক| সেখানে হয়তো পেয়ে যাবেন গল্পের টেনিদাকে| ক্যাবলা-হাবুরা রাজা উজির মারছে- মেসি না মারাদোনা কে বেশি ভাল? হেমন্ত মুখার্জী না মান্না দে, কার গান বেশি ভাল, ইস্টবেঙ্গল না মোহনবাগান- এই সব নিয়ে তর্ক| হঠাত একজন বললেন- আজ এই টুকু থাক| বাকি কথা পড়ে হবে| ভোটটা দিয়ে আসি| এই ভাবেই আস্তে আস্তে ভোট সম্পর্কে বিভিন্ন স্তরের লোকদের সচেতন করতে তৈরি হচ্ছে ‘এক ডজন গপ্পো’| সোমবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানিয়ে দিব্যেন্দু সরকার বলেন, “উত্তর কলকাতার নির্বাচকদের কাছে আমরা তাঁদের ঐতিহ্য, তাঁদের মুড নিয়ে পৌঁছতে চাচ্ছি, যাতে তাঁরা ভোটের দিন বুথে আসেন|” ২০১৪ সালে লোকসভা উত্তর কলকাতায় মোট ভোটারের ৬৬.৬৭ শতাংশ ভোট দিয়েছিলেন| কিন্তু ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে এখানকার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রে ওই শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৬৪ .২৭| এবার অন্তত ৬৭ শতাংশ ভোটার যাতে তাঁদের রায় দেন, তার চেষ্টা হচ্ছে| জোড়াসাঁকো, মানিকতলা, এন্টালি, চৌরঙ্গী, বেলেঘাটা, শ্যামপুকুর এবং কাশিপুর-বেলগাছিয়া - এই সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে কলকাতা লোকসভা কেন্দ্র| এখানকার ভোটদাতাদের একটা ভাল অংশ অবাঙালি এবং হিন্দিভাষী| তাঁদের প্রত্যেকের কাছেই নির্বাচন দফতর পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা করছে নানাভাবে| গত ক''দিন ধরে হয়েছে বেশ কিছু প্রচার শিবির| হিন্দুস্থান সমাচার/ অশোক / কাকলি
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image