Hindusthan Samachar
Banner 2 शनिवार, मार्च 23, 2019 | समय 09:47 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

হায়নার আক্রমণে আতঙ্ক ঝাড়গ্রামবাসী

By HindusthanSamachar | Publish Date: Mar 11 2019 7:05PM
হায়নার আক্রমণে আতঙ্ক ঝাড়গ্রামবাসী
ঝাড়্গ্রাম, ১১ মার্চ ( হি. স.) : নেকড়ে বাঘের আতঙ্কের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের জঙ্গলমহলে হায়নার আক্রমণের শিকার হলেন জঙ্গল লাগোয়া গ্রামের সাধারণ মানুষ জনেরা।রবিবার দুপুরে ঝাড়গ্রাম থানার লোধাশুলি অঞ্চলের চালক পাড়ায় যেভাবে দুটি হায়না জঙ্গলে দুটি ছাগলে কামড়ে মেরে ফেলেছে এবং রেবতী চালকের উপর আক্রমণ করছে তাতে জঙ্গল ঘেরা গ্রামে আতঙ্কের ছায়া। এদিনও চালক পাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা গিয়েছে রেবতী চালকের বাড়িরে সামনে ভীড় এবং গ্রামের পুরুষ, মহিলা সকলে তার কাছে থেকে জানতে চাইছেন রবিবারের ঘটনার অভিজ্ঞতা। সকলের মুখে একটাই কথা রেবতী সাহস দেখিয়ে হায়নার সাথে লড়াই করে প্রাণে বেঁচে ফিরেছে। কিন্তু জন্তুগুলি যদি কোন বাচ্চাকে বা বৃদ্ধকে আক্রমণ করত তাহলে প্রাণ যাওয়ার আশঙ্কা ছিল।গ্রাম সংলগ্ন শাল জঙ্গলে মহিলার তাদের বাচ্চেদের সঙ্গে নিয়েও ছাগল চড়াতে যান। কিন্তু রবিবারের ঘটনার পর জঙ্গল তাদের কাছে এক ভয়ের জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে।তাই গ্রামবাসীরা এক যোগে দাবি করছেন অবিলম্বে বনদফতর জন্তু দুটিকে পাকরাও করুক। সোমবার ঝাড়গ্রাম জেলা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে ভাকশিন নিয়ে গ্রামে ফিরে বন সুরক্ষা কমিটির সদস্য রেবতী চালক তার অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে বারে বারে শিউরে উঠছিলেন।কিভাবে যে তিনি সেই লড়াই চালিয়েছিলেন এবং প্রাণ নিয়ে ফিরতে পেরেছি এই কথাই তিনি শুনিয়েছেন সাংবাদ মাধ্যমের কাছে। এদিন গ্রামের বাড়ি দাওয়ায় বসে। আর গ্রামের মানুষজনও ভীড় করে শুনেছেন সেই কথা। রবতী দেবী বলেন “ দুপুর বেলা জঙ্গল থেকে ছাগল গুলিকে নিয়ে ফেরার জন্য তৈরি হচ্ছিলাম।হঠাৎ দেখি জঙ্গল থেকে দুটি জন্তু বেড়িয়ে এসে দুটি ছাগল কে কামড়ে ধরে।আমার হাতে লাঠি ছিল।একটা লাঠি দিয়ে মারতেই সেটা পালিয়ে যায়।কিন্ত অন্যটি ছাগলটাকে কামড়ে ধরে রাখে।আমি ওটাকে লাঠি দিয়ে মারতেই আমার দিকে তেড়ে আসে।আমি পড়ে যাই।পড়ে যেতে ছগালটাকে ছেড়ে দিয়ে আমার দিকে তেড়ে এসে গালায় কামড়ানোর চেষ্টা করে।ওই আবস্থাতেই লাঠি দিয়ে প্রান বাঁচাতে মাথায় মারি এবং উঠে দাঁড়াই।তরপর আবার আমার গায়ে দাঁড়িয়ে যায়।শাড়ি,ব্লাউজ ছিঁড়ে যায়।কামড়াতে দি নি। লাঠি দিয়ে মারতেই থাকি।তার পর পালায়।প্রায় আধ ঘন্টা আমি লড়াই করেছি। কিন্তু আমার ছাগল দুটি মরে গেছে।আমাদের জঙ্গল পাহাড়া দিয়ে যেতে হয়।এখন খুব ভয় লাগচ্ছে।বনদফতর আমাকে দুটি ছবি দেখিয়েছিল।আমি যেই ছবিটা দেখিয়েছি সেটি হয়না বলচ্ছে বনদফতর।ছবির জন্তুটাই হামলাই করেছিল। ” গ্রামের এক বৃদ্ধা মহিলা সরলা মাহাতো সেই সময় জঙ্গলে উপস্থিত ছিলেন ।তিনি বলেন “ ও যে ভাবে লড়াই করেছে আমি হলে মরেই যেতাম।” রেবতীর মা স্বাধীন চালক রবিবার ঘটনার কথা শুনে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন।গ্রামের বাসিন্দা রবতীর বোন বন্দনা চালক,বড় জা কল্পনা চালক,মনরঞ্জন মাহতোরা বলেন অবিলম্বে জন্তু দুটিকে ধরার ব্যবস্থা করক বনদফতর। নয়তো আবারো আক্রমনের ঘটনা ঘটতে পারে।”বনদফতর ইতিমধ্যে পায়ের ছাপ সংগ্রহ করেছে।হায়না দুটিকে ধরার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে বনদফতর।ঝাড়গ্রামের ডিএফও বাসরাজ হোলেইচ্ছি বলেন “আমরা ফ্রুট প্রিন্ট সংগ্রহ করেছি। হায়না দুটি জঙ্গলে ছিল।ছাগলকে আক্রমন করেছিল। ছাগল বাঁচাতে গিয়ে ওই মহিলা আক্রন্ত হয়েছেন।আমরা ধরার চেষ্টা করছি।” হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image