Hindusthan Samachar
Banner 2 शुक्रवार, मार्च 22, 2019 | समय 13:29 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

লিড...গান্ধীবাদের পরিপন্থী কংগ্রেস বলে তোপ প্রধানমন্ত্রীর, পাকিস্তানের মতো কথা বলছে কংগ্রেস, দাবি অরুণের

By HindusthanSamachar | Publish Date: Mar 12 2019 10:11PM
লিড...গান্ধীবাদের পরিপন্থী কংগ্রেস বলে তোপ প্রধানমন্ত্রীর, পাকিস্তানের মতো কথা বলছে কংগ্রেস, দাবি অরুণের
নয়াদিল্লি, ১২ মার্চ (হি.স.) : লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঠিক হতেই দেশের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কংগ্রেসে গান্ধীবাদী মূল্যবোধের পরিপন্থী সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে বলে সোশ্যাল ব্লগে লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী। জঙ্গি দমন, জাতীয় সুরক্ষা নিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। পাশাপাশি তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে সুরক্ষিত দেশ। মঙ্গলবার মহাত্মা গান্ধীর লবণ সত্যাগ্রহের ৮৯ বছর বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে জাতির জনকের স্মৃতি চারণা করতে গিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন নরেন্দ্র মোদী। ব্লগে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ১৯৪৭ সালে বাপু বলেছিলেন দলমত নির্বিশেষে প্রত্যেক রাজনৈতিক নেতাদের উচিত ভারতের মর্যাদাকে রক্ষা করে চলা। কিন্তু অপশাসন এবং দুর্নীতি হলে সেই মর্যাদাকে রক্ষা করা যায় না। অপশাসন এবং দুর্নীতি সব সময় হাতে হাত ধরে চলে। গোটা দেশ দেখেছে কি করে কংগ্রেস এবং দুর্নীতি সমার্থক শব্দ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিরক্ষা, টেলিকম, সেচ, কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন, ক্রীড়া সহ একাধিক ক্ষেত্রে হওয়া দুর্নীতিতে কংগ্রেস যুক্ত ছিল। বাপু বলেছিলেন অতিরিক্ত ধন-সম্পদ থেকে দূরে সরে থাকতে কিন্তু কংগ্রেস নেতারা গরিবদের জন্য বরাদ্দ অর্থ আত্মসাৎ করে নিজেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভরে বিলাসবহুল জীবনযাপন করেছেন। সৌভ্রাতৃবোধের বিশ্বাসী ছিলেন বাপুজি। তাই জাতপাতের রাজনীতি এবং অসাম্যের পরিপন্থী ছিলেন তিনি। দুঃখের বিষয় কংগ্রেস সমাজের বিভাজন তৈরি করতে পিছুপা হয়নি। নৃশংস জাতিদাঙ্গা এবং দলিতদের নিধন করা কংগ্রেসের শাসনের সময়ই ঘটেছে। গান্ধীবাদী মূল্যবোধের পরিপন্থী কাজ করার সংস্কৃতি কংগ্রেসের মধ্যে গড়ে উঠেছে। গণতন্ত্রে বিশ্বাসী হয়ে গান্ধীজি বলেছিলেন, স্ববলের মত দুর্বলও যদি একই অধিকার পায় তবেই গণতন্ত্রের প্রকৃত স্বার্থকতা। কিন্তু জরুরি অবস্থা প্রয়োগ করে গণতন্ত্রের কন্ঠস্বরকে দমিয়ে দিয়েছিল কংগ্রেস। এমনকি ৩৫৬ ধারার যথেচ্ছ অপব্যবহার করেছে কংগ্রেস। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে ধ্বংস করে পরিবারতন্ত্রকে তুলে ধরেছে কংগ্রেস। কংগ্রেসের এই সংস্কৃতির সম্পর্কে অবগত ছিলেন বাপু তাই দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কংগ্রেস দলটিকে ভেঙে দিতে চেয়েছিলেন তিনি। এই বিষয়ে বাপু বলেছিলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে স্বরাজকে ব্যবহার করছে কংগ্রেস। সাম্প্রদায়িক সমঝোতা করতে ব্যস্ত কংগ্রেস। বর্তমানে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার যে বাপুর পথে চলছে সেই বিষয়ে আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কংগ্রেস সংস্কৃতির থেকে ভারতকে মুক্ত করার জন্য বাপু আদর্শ এবং দেখানো পথ ধরেই চলছে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার। প্রত্যেক দুর্নীতিবাজকে শাস্তি দিতে সব রকমের প্রচেষ্টা করেছে কেন্দ্র। গান্ধীজি দেশবাসীকে দরিদ্রতম ব্যক্তির জন্য চিন্তা করতে শিখিয়েছিলেন। প্রশাসনের কাজ ওই ব্যক্তির উপর কতটা প্রভাব ফেলছে সেই দিকে আলোকপাত করেছিলেন গান্ধীজি। মঙ্গলবার নিজের ব্লগে অরুণ জেটলি লেখেন, একদিকে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার নিন্দা করছে কংগ্রেস অন্যদিকে বালাকোটের এয়ারস্ট্রাইকের পর বিরক্ত প্রকাশ করেছে কংগ্রেস নেতারা। ২০১৬-র সেপ্টেম্বরে যখন সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছিল তখন কংগ্রেস তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল। এমনকি তারা দাবি করেছিল এমন কোনও স্ট্রাইক মোদীর আমলে ঘটেনি। এয়ারস্ট্রাইক নিয়ে কংগ্রেসের ভূমিকা আরও বেশি সন্দেহজনক বলে দাবি করে অরুণ জেটলি লেখেন, এয়ারস্ট্রাইক হওয়ার পর প্রথম দুইদিন ভারতীয় বায়ুসেনাকে মৌখিক ভাবে সমবেদনা জানিয়েছিল কংগ্রেস। কিন্তু তারপর থেকেই এয়ারস্ট্রাইক নিয়ে বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা প্রচার চালাতে শুরু করে কংগ্রেস নেতারা। এয়ারস্ট্রাইকের সাফল্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। বালাকোটে কতজন জঙ্গি মারা গিয়েছে তার সংখ্যা জানতে চেয়েছে কংগ্রেস। এমন করে জঙ্গি দমন অভিযানকে দুর্বল করে দিতে চেয়েছে কংগ্রেস নেতারা। আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করে জাতীয় রাজনীতিতে ফায়দা তোলার জন্য পাকিস্তানের মতো কথা বলছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। আর সেই জন্য পাকিস্তান টিভি চ্যালেনে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর ভাষণ সম্প্রচার হচ্ছে। পাকিস্তান সরকার সত্য আড়াল করতে কংগ্রেস নেতাদের এমন ধরণের মন্তব্যকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি দমনে তৎকালীন ইউপিএ সরকারের ব্যর্থতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে অরুণ জেটলি লেখেন, উপত্যকার সমস্যা সমাধানের জন্য তৎকালীন ইউপিএ সরকারের কাছে কোনও গঠনমূলক রূপরেখা ছিল না। ক্ষমতায় এসে প্রথাগত ভাবে পাকিস্তানের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে ছিলেন নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু উরি, পাঠানকোট, পুলওয়ামায় হামলা করে জবাব দিয়েছিল পাকিস্তান। উপত্যকার আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে জোটে গিয়ে সরকার তৈরি করেছিল বিজেপি। কিন্তু জামাত-ই-ইসলামির চাপে পড়ে জোট ছেড়ে বেরিয়ে যায় ওই আঞ্চলিক দলটি (পিডিপি)। মাওবাদীদের সঙ্গে কংগ্রেস যোগের কথা উল্লেখ করে অরুণ জেটলি ব্লগে লেখেন, ছত্তিশগড়ে যখন বিজেপি সরকার ছিল তখন মাওবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছিল। জেএনইউ থেকে ছত্তিশগড় সব জায়গাতেই মাওবাদীদের সঙ্গে আঁতাত ছিল কংগ্রেসের। এই সকল চরমপন্থী বামপন্থীরা কাশ্মীরি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের উৎসাহ দিচ্ছে। কংগ্রেস কোনও সন্ত্রাসবাদকে গোঁড়া থেকে নির্মূল করতে তৎপর হয়নি। বর্তমান সময়ে দেশ জেহাদি, চরম বামপন্থীদের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। যারা পাকিস্তানিদের ইশারায় কাজ করছে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাদের যোগ্য জবাব দেবে জনগণ। হিন্দুস্থান সমাচার/শুভঙ্কর/কাকলি
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image