Hindusthan Samachar
Banner 2 सोमवार, मार्च 25, 2019 | समय 06:56 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত গুঞ্জনের চতুর্থ মামলার শুনানী বৃহস্পতিবার

By HindusthanSamachar | Publish Date: Mar 13 2019 1:35PM
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত গুঞ্জনের চতুর্থ মামলার শুনানী বৃহস্পতিবার
কলকাতা, ১৩ মার্চ (হি. স.) : রোমা ঝাওয়ার অপহরণকান্ডের মূল অভিযুক্ত গুঞ্জন ঘোষ গ্রেফতার হয়েছে। তার তিনটি মামলায় যাবজ্জীবন সাজাও হয়েছে। পৃথক আরও একটি হত্যা মামলায় সাক্ষ্যপর্ব প্রায় শেষের পথে। আগামীকাল সেটির শুনানী হবে। সরকারি আইনজীবী নবকুমার ঘোষ জানান, বর্তমানে এই মামলায় শেষ সাক্ষী পূর্বতন সিআইডি’র তদন্তকারী অফিসার (আইও) আব্দুর রশিদের সাক্ষ্য চলছে। তাঁর সাক্ষ্য অসমাপ্ত রয়েছে। ১৪ মার্চ ওই অফিসারের ফের সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য হয়েছে। আলিপুরের দ্বাদশ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক মঞ্জুশ্রী মণ্ডলের এজলাসে চলা এই মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে গুঞ্জন ঘোষ ছাড়া আরও তিনজন আছে। এরা হল মুকেশ, মুন্না এবং গুড্ডা। বর্তমানে এরা সকলেই জেল হেফাজতে। সরকারি আইনজীবী জানান, কিছুদিন আগে গুঞ্জন আদালতে আবেদন করে, তাকে জেল থেকে আদালতে নিয়ে যাওয়া আসার পথে যেন একটি পৃথক গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়। সেই আবেদনের শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ১৪ মার্চ। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, যে তিনটি মামলায় গুঞ্জনের ইতিমধ্যে যাবজ্জীবন হয়েছে, তা হল ১) সল্টলেকের বাসিন্দা শিল্পপতি কন্যা রোমা ঝাওয়ারকে মুক্তিপণ আদায়ের জন্য অপহরণ। ২) দমদমে দুধ ব্যবসায়ী পুত্র মিঠুন কোলে হত্যা এবং ৩) নারকেলডাঙায় পুলকার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ দে হত্যা মামলা। যে মামলাটি এখন আলিপুর আদালতে চলছে, সেই যুবক অরবিন্দ প্রসাদের মৃতদেহটি পরমা থানা এলাকা থেকে পাওয়া গিয়েছিল ২০০৪ সালে। সিআইডি তদন্ত করে জানতে পারে, এই হত্যার সঙ্গেও যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে গুঞ্জন এবং তার তিন শাগরেদের বিরুদ্ধে। সরকারি আইনজীবী জানান, টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়েই গণ্ডগোলের জেরে অরবিন্দ প্রসাদ নামে ওই যুবক খুন হয়ে বলে অভিযোগ। যদিও আদালতে ওই অভিযুক্তদের আইনজীবীরা বার বার দাবি করে আসছেন, তাঁদের মক্কেলদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন। ২০০৩ সালে নভেম্বর মাসে খুন করা হয়েছিল দমদমের বাসিন্দা বেঙ্গালুরুর একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্র মিঠুন কোলেকে। এই ঘটনায় গুঞ্জন ঘোষ ও কয়েকজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় বারাসত আদালত। সাজা হয় গুঞ্জনের স্ত্রী রুমেলারও। ২০০৩ সালের ১০ নভেম্বর মিঠুন ছুটিতে বেঙ্গালুরু থেকে বাড়িতে এসেছিলেন। ১৩ নভেম্বর এনআরএস হাসপাতালের কাছে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাঁকে। হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মিঠুনের। তদন্তে জানা যায়, মোবাইল চার্জারের ফাঁস লাগিয়ে তাঁকে সংজ্ঞাহীন করা হয়েছিল। তবে খুনিকে তখন ধরতে পারেনি পুলিশ। পরে বিধাননগরে রোমা ঝাওয়ার অপহরণ মামলায় গুঞ্জন ধরা পড়ার পর তাকে জেরা করে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, রুমেলা মিঠুনকে ফোন করে বিধাননগরের একটি রেস্তোরাঁর সামনে ডেকেছিল। এরপর গুঞ্জন তাঁকে গাড়িতে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। বাড়িতে ৫০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে খুন করা হয় তাঁকে। অন্যদিকে, আর এক বন্দি আদালতের কাছে জানিয়েছিল, তাকে রাজ্যের একটি সংশোধনাগার থেকে শুনানির দিনে আলিপুর আদালতে আনা হয়। তাই তাকে যেন শহরের কোনও সংশোধনাগারে ফিরিয়ে আনা হয়। সেই আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন বিচারক। সে ক্ষেত্রে আদালতের বক্তব্য ছিল, কোন সংশোধনাগারে কোন বন্দিকে রাখা হবে, সেটা সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের নিজস্ব বিষয়। তা নিয়ে আদালত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। হিন্দুস্থান সমাচার/অশোক
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image