Hindusthan Samachar
Banner 2 सोमवार, मार्च 25, 2019 | समय 07:29 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

‘নোটা’-য় ভোট দেওয়ার আবেদন গৃহমালিক সংগঠনের

By HindusthanSamachar | Publish Date: Mar 13 2019 3:06PM
‘নোটা’-য় ভোট দেওয়ার আবেদন গৃহমালিক সংগঠনের
কলকাতা, ১৩ মার্চ (হি. স.): রেন্ট কন্ট্রোলে জমা পড়া মালিকদের টাকা বকেয়া পড়ে থাকায় আগামী লোকসভা নির্বাচনে ‘নোটা’-য় ভোট দেওয়ার আবেদন জানাল পশ্চিমবঙ্গের গৃহমালিক সংগঠন। রেন্ট কন্ট্রোলে বকেয়ার পরিমাণ দ্রুত বেড়ে চলেছে। দি ক্যালকাটা হাউস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুকুমার রক্ষিত ‘হিন্দুস্থান সমাচার’কে বলেন, এ রাজ্যে রেন্ট কন্ট্রোল এবং নিম্ন আদালতে এই বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। মালিকের সঙ্গে বিরোধের জেরে কয়েক লক্ষ ভাড়াটিয়ার টাকা জমা পড়ার কথা রেন্ট কন্ট্রোল বিভাগে। মালিকদের সেই টাকা দেওয়ার কথা ওই সরকারি বিভাগের। এই পরিস্থিতির মাঝেই একের পর এক ভাড়াটিয়ারা হাতবদল করছেন ভাড়ায় নেওয়া দেবোত্তর সম্পত্তির নানা অংশ। সুকুমার রক্ষিত বলেন, ‘‘কেবল দেবোত্তর সম্পত্তির ভাড়া-বাবদ মোট বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। কেবল কলকাতার ক্ষেত্রে পরিমাণটি প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকার মত। আমরা তথ্যের অধিকার আইনে কিছুকাল আগে সরকারের কাছ থেকে যে তথ্য পেয়েছি, তার ভিত্তিতে এটা অনুমান।’’ বিভিন্ন জেলায় জেলাশাসকের দফতর এবং কলকাতায় সিটি সিভিল কোর্টে রেন্ট কন্ট্রোল বিভাগ মালিকদের প্রাপ্য এই টাকা দেয়। কেন এই হাল? ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের এক পদস্থ অফিসার বলেন, ‘‘পরিকাঠামোর অভাব, আইনি জটিলতা প্রভৃতি নানা কারণে এই বকেয়া মেটানোর কাজের গতি বহু বছর ধরেই মন্থর। এখন মেটানো হচ্ছে প্রায় ৯ বছর আগের দেয়।’’ সরকারি বিভিন্ন বিভাগের আধুনিকীকরণ হলেও রেন্ট কন্ট্রোল বিভাগ রয়ে গিয়েছে সেই মান্ধাতার আমলেই। সুকুমার রক্ষিতের অভিযোগ, ‘‘এই পাওনা আদায়ে দিন পর দিন গৃহমলিকদের রেন্ট কন্ট্রোল বা সংশ্লিষ্ট বিভাগে ছোটাছুটি করতে হয়। নায্য পাওনা দ্রুত আদায়ের জন্য আমরা আইনি পদক্ষেপ করতে যাচ্ছি।’’ দেবোত্তর সম্পত্তির বকেয়া ভাড়ার জটে খাবি খাচ্ছে খোদ কলকাতার এক প্রাক্তন মেয়র গোবিন্দ দে-র পরিবার। চিৎপুরের সংযোগস্থলে তাঁর ১৬৩ মহাত্মা গান্ধী রোডের চার তলা দেবোত্তর বাড়িতে প্রায় আড়াইশ ভাড়াটিয়া। আর জি কর রোডে রয়েছে ৩ তলা একটি বড় বাড়ি। এই দু’টির পুরোটা এবং হেদুয়ার কাছে ৫৪ রামদুলাল সরকার স্ট্রিটের পারিবারিক বাড়ির অর্ধেক দেবোত্তর। শেষোক্ত বাড়িটি প্রায় এক বিঘা জমি নিয়ে, তৈরি ১৯১০ সালে। গোবিন্দবাবুর পুত্র সুজয় দে বলেন, ‘‘পাঁচ পুরুষ ধরে আমাদের সুতোর ব্যবসা। পারিবারিক অর্থের মূল অংশ ঢালা হয়েছিল বিভিন্ন বাড়ির পিছনে। এই সব সম্পত্তি এখন রীতিমত দায় হয়ে উঠেছে।’’ এর একটা বড় অংশ দেবোত্তর ঘোষিত হয়েছিল। বাড়িওয়ালা-ভাড়াটে বিবাদের পরিস্থিতিতে টাকা লেনদেনের একমাত্র ভরসা রেন্ট কন্ট্রোল৷ সেই রেন্ট কন্ট্রোলেই কিনা সক্রিয় অসাধু চক্র৷ অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানকার সদ্য-প্রাক্তন এক কর্মী-সহ দু’জনের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছেন রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখার গোয়েন্দারা৷ অভিযোগ, ভাড়াটেদের টাকা সরকারের ঘরে জমা দেওয়ার বদলে পকেটস্থ করতেন ওই কর্মী ও তাঁর এক সঙ্গী৷ ভাড়াটেদের বিশ্বাস অর্জন করতে তাঁদের হাতে দফতরের ভুয়ো রসিদ ধরিয়ে দেওয়া হত বলে তদন্তকারীদের অনুমান৷ খাস রেন্ট কন্ট্রোলের কর্মীদের ধারণা, গত কয়েক বছরে ওই চক্র এ ভাবে কয়েক কোটি টাকা তছরুপ করেছে৷ রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখার এক কর্তার বক্তব্য, অভিযোগ পেয়েছি৷ তদন্ত চলছে৷ সুকুমারবাবু বলেন, “নোটা’-য় কত ভোট পড়ে, তার একটা আন্দাজ আমাদের আছে| বিষয়টি অনুধাবন করে এবার যদি ‘নোটা’-য় বেশি লোক ভোট দেন, আমরা বুঝতে পারব| আশা করি দলগুলিও অনুভব করতে পারবে|” হিন্দুস্থান সমাচার/ অশোক/ সঞ্জয়
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image