Hindusthan Samachar
Banner 2 शनिवार, मार्च 23, 2019 | समय 09:48 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

দলমার দলেরা রুট পরিবর্তন করায় কপালে ভাঁজ বনদফতরের

By HindusthanSamachar | Publish Date: Mar 13 2019 4:07PM
দলমার দলেরা রুট পরিবর্তন করায় কপালে ভাঁজ বনদফতরের
ঝাড়্গ্রাম, ১৩ মার্চ ( হি. স.) : এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় ঘুরে ফিরে আসছে দলমা থেকে আসা দাঁতালের দল। ঝাড়্গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে বারে বারে তাড়ানো হলেও আবার পুনরায় ফিরে আসছে এ জেলাতেই। বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে দলমা থেকে যে সব হাতির দল জঙ্গলমহল জেলায় প্রবেশ করেছে তারা আর ফিরে যেতে চাই না। যার ফলে জেলার বিভিন্ন ব্লকে এবার হাতি ঢুকে পড়ছে। আগে দলমার দলেরা একটি নির্দিষ্ট পথ ধরে এসে তাদের পথেই ফিরে যেত। কিন্তু কয়েক বছরে ঝাড়্গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় হাতির সংখ্যাটা বেশ বেড়ে গিয়েছে। যার ফলে যে সব এলাকায় আগে হাতি ঢুকতো না এখন সেই সব এলাকায় হাতি ঢুকছে। যার ফলে বেশ চিন্তার ভাঁজ পড়েছে বনদফতরের। আর নতুন এলাকায় হাতি ঢোকার কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বাড়ছে। একই সাথে বিভিন্ন রুটে হাতি ঢুকে পড়ায় বনদফতর তাদের সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট মুশকিল হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ঝাড়খন্ড রাজ্য থেকে জামবনি ব্লকের ওড়, ডুমুড়িয়া রুটের পর এবার দলমার দল ওড়িশা থেকে ঢুকে পড়ল জেলার গোপীবল্লভপুর এক ব্লকের কেন্দুগাড়ি অঞ্চলের ঝাটিয়াড়া গ্রামের সংলগ্ন এলাকায়। গত দু তিন আগেই ত্রিশটি হাতির দল ঢুকেছে এই এলাকাতে। মঙ্গলবার বনদফতরের উদ্যোগে দলটিকে ড্রাইভ করে ওড়িশার দিকে পাঠিয়ে দিলেও বুধবার ভোর হতেই দলটি আবারও ফিরে এসেছে। গত কয়েক দিনে এই এলাকার কপি ক্ষেত সহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি সহ একটি ঘর ভেঙেছে বলেও অভিযোগ বাসিন্দাদের। অন্যদিকে জামবনি ব্লকে দলমা দলের প্রায় বারোটি হাতিকে নিয়েও ল্যাজেগোবরে অবস্থা বনদফতরের। বর্তমানে দলটি বাঘুয়া,কেন্দুয়া গ্রামের একেবারে কাছেই জঙ্গলে রয়েছে। এই দলে তিনটি শাবক হাতি রয়েছে।তাই তাসত্ত্বেও দলটি হুলা পার্টিকে দেখে এত জোরে ছুটচ্ছে যে বনদফতর ড্রাইভ করতে হিমশিম খাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে বনদফতর সূত্রে । উল্লেখ্য বিগত কয়েক বছর ধরে দলমা দলের হাতি ঝাড়খন্ড থকে বেলপাহাড়ির কাঁকড়াঝোড়,ওড়িশা থেকে নয়াগ্রাম হয়ে জেলায় আসতে।আর সারা বছর ধরে মেদিনীপুর,খড়্গপুর থেকে নদী পেরিয়ে লালগড়,সাঁকরাইল,নয়াগ্রাম,ঝাড়গ্রামে ঢুকত।কিন্তু সম্প্রতি দলমার দল আরো একটি রুট দিয়ে ঝাড়খন্ড থেকে ঢুকচ্ছে।জামবনির চিচিড়া এবং ওড় হয়ে।এবার তার সঙ্গে সংযোজন হল ওড়িশা থেকে গোপীবল্লভপুর এক ব্লকে ঢোকা। বনদফতরের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে দলমা দলকে এলাকা ছাড়া করতে বনদফতর নিরন্তর ড্রাইভ করে চলে।আর এই ড্রাইভের কারনেই চালাক হাতি নিত্য দিন খুঁজে নিচ্ছে নতুন নতুন রাস্তা।আর ঢুকে পড়চ্ছে জেলার বিভিন্ন গ্রাম লাগোয়া জঙ্গলে।আর খাদ্যের টানে এসে পড়চ্ছে গ্রাম,লোকলয়।গত বছর জেলায় হাতির হানায় মৃত্যু হয়েছিল পনেরো জনের।চলতি বছরের বেশ কয়েক জন মারা পড়েছে হাতির হানায়।দলমার পাশাপাশি জেলারি বিভিন্ন এলাকায় স্থায়ী হাতির সংখ্যাও বেড়ে চলেছে।আর এর ফলে সব থেকে আতঙ্কিত অবস্থা হচ্ছে জঙ্গল লাগোয়া গ্রামের মানুষদের।রাতে,ভীতে যখন তখন ঘরের দারজা ভেঙে মজুত চাল,ধান খেয়ে যাচ্ছে আর ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করছে।এদিন মঙ্গলবার ঝাড়গ্রামের ডিএফও নিজে গিয়েছিলেন জামবনি ব্লকের বাঘুয়াতে হাতির অবস্থান বুঝতে।ঝাড়গ্রামের ডিএফও বাসরাজ হোলেইচ্ছি বলেন “ গোপীবল্লভপুরের দিকে ত্রিশটির মতো হাতি রয়েছে।ভোরে ওড়িশার দিকে থেকে ফিরে এসেছে।নতুন রুট খুঁজছে।জামবনির দিকে বারোটি রয়েছে।” হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image