Hindusthan Samachar
Banner 2 शनिवार, मार्च 23, 2019 | समय 09:47 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

হত দরিদ্র আদিবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালো 'ভোরাই'

By HindusthanSamachar | Publish Date: Mar 13 2019 8:48PM
হত দরিদ্র আদিবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালো 'ভোরাই'
মহম্মদ বাজার, ১৩ মার্চ (হি.স.) : দরিদ্র পরিবারের এক মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করল ''ভোরাই'' নামে একটি সামাজিক সংস্থা। মহম্মদ বাজার থানা এলাকার লোহাবাজার গ্রামে কন্যার বাড়ি বর পুরানগ্রাম গ্রামপঞ্চায়েতের তেঁতুলবেড়িয়ার। দুটি বাড়ি থেকেই বিয়ের কথাবার্তা, দিনক্ষণ ঠিক হয়। শুধু অনুষ্ঠান করে বিয়ের বন্দোবস্তের অভাব ছিল। ''ভোরাই'' এর দ্বারস্থ হয় কন্যাপক্ষের পরিবার, সমস্ত অসুবিধার কথা শোনার পর সংগঠনের পক্ষ থেকে বিয়েবাড়ির খরচের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানানো হয় ওই পরিবারকে। ২৭ ফাল্গুন মঙ্গলবার বিবাহবাসর বসেছিল লোহাবাজার গ্রামে, বেশ ধুমধাম করেই চল‍লো সমস্ত অনুষ্ঠান, অতিথি আপ্যায়ন থেকে খাবার পরিবেশন সবেতেই দেখা গেল ''ভোরাই''-এর সদস্য-সদস্যাদের। এহেন কাজকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষ । জানা গেছে লোহাবাজার গ্রামের মনিকা বিত্তাল, স্বামী না থাকার দরুন সংসারের সমস্ত খরচ তাকেই বহন করতে হয়, মহম্মদ বাজারের বিভিন্ন বাড়িতে রান্না করে সামান্য যা পারিশ্রমিক পান তা দিয়ে সংস‍ার চালান। এর মাঝেই মেয়ে দেবিকা বিত্তালের বয়স প্রায় উনিশের কাছাকাছি বিয়ের বন্দোবস্ত করতে হবে তাই বিভিন্ন মানুষের দরবারে ছুট‍ছিল সাহায্যের আশায় , কেউ মুখ তুলে তাকিয়েছিল কেউবা ফিরিয়ে দিয়েছিল ওই কন্যাসন্তানের জন‍নিকে, শেষমেষ মনিকা দেবী দারস্ত হয় ভোরাই নামে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের কাছে। যেমনই যাওয়া তেমনি কাজ তড়িঘড়ি বিয়ের ব্যবস্থা করা হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে। সংগঠনের আদিবাসী ছেলেমেয়েদের নাচের পারিশ্রমিকের টাকায় ওই পরিবারের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়, কিনে দেওয়া হয় বিয়ের বেনারসি থেকে দানপত্র । আমন্ত্রিত অতিথিদের খাদ্য পরিবেশন করতেও দেখা যায় সংগঠনের যুব সদস্যদের। এবিষয়ে মহম্মদ বাজার ''ভোরাই'' ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির এক সদস্যা পাতামনি টুডু জানায়, "ওই দরিদ্র পরিবারের পাশে আমরা সবাই দাঁড়াতে পেরে সত্যি নিজেদের ভাগ্যবতী মনে করছি। ভ‍বিষ্যতে আরও কিছু মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারব আশা করি।" অন্য এক সদস্য কেদারনাথ সরেনের কথায়, "আমরা যেখানে যেখানে নাচগান করতে যায় সেখানকার কমিটি থেকে পাওয়া পারিশ্রমিকের টাকায় আমরা এই বিয়ের বন্দোবস্ত করলাম, আজ এই কাজের জন্য নিজেই নিজের প্রতি গর্ব অনুভ‍ব করছি।" অন্যদিকে, কন্যার মা মনিকা বিত্তাল জানায়, "আমার দুই মেয়ে স্বামী নেই অভাবের সংসার তাই বড় মেয়ের বিয়ের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছি। শেষমেষ থানার এক বাবুর কাছ থেকে জানতে পারি ''ভোরাই'' এর কথা। আমি সেখানে পৌঁছে আমার সমস্ত অসুবিধার কথা জানায় তারাই আমার মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করে দেয়, আমি আশীর্বাদ করি তারা যেন দীর্ঘজীবী হয়।" হিন্দুস্থান সমাচার/ হেমাভ/ শ্রেয়সী/ সঞ্জয়
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image