Hindusthan Samachar
Banner 2 मंगलवार, अप्रैल 23, 2019 | समय 07:28 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

প্রার্থী এখনও আসেননি এলাকায়, তবু ভোটের লিড দেবে ক্যানিং পূর্ব বিধানসভায় দাবী সওকত মোল্লার

By HindusthanSamachar | Publish Date: Apr 11 2019 3:14PM
প্রার্থী এখনও আসেননি এলাকায়, তবু ভোটের লিড দেবে ক্যানিং পূর্ব বিধানসভায় দাবী সওকত মোল্লার
জীবনতলা, ১১ এপ্রিল (হি. স.) : বৃহস্পতিবার দেশের অন্যান্য অনেক কেন্দ্রের সাথে এ রাজ্যের দুটি আসনে ভোট গ্রহণ। প্রথম দফার এই ভোট গ্রহণ মাত্র দুটি কেন্দ্রে হলেও রাজ্যের বাকী চল্লিশটি আসনে জোর কদমে প্রচার শুরু করেছেন ডান, বাম, পদ্ম সবপক্ষই। ইতিমধ্যেই সকল কেন্দ্রের সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা এলাকার কর্মীদের সাথে বৈঠক সেরে জোর কদমে প্রচারে নেমে পড়েছেন। কিন্তু একটু অন্য ছবি জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রে। সেখানে একদিকে যেমন বাম, কংগ্রেস কিম্বা বিজেপি দলের প্রার্থীরা প্রচারে নামেন নি তেমনি প্রচারে দেখা যায় নি তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডলকেও। প্রচার না থাকলেও এই কেন্দ্র থেকে রাজ্যের মধ্যে সবথেকে বেশী ভোটে তৃণমূল প্রার্থী লিড পাবেন বলে দাবি করেছেন এলাকার বিধায়ক তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি সওকত মোল্লা। গত বিধানসভা ভোটে ও এই কেন্দ্র থেকে পঞ্চান্ন হাজারের বেশী ভোটে জয়লাভ করেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী সওকাত মোল্লা। সেই কেন্দ্রই এবার অন্তত এক লক্ষের বেশী ভোটে তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডলকে লিড দেবে বলে দাবী করেছেন সওকত মোল্লা। কিন্তু প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে এখনো পর্যন্ত এলাকায় আসেন নি তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডল। এ নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে বা সাধারণ তৃণমূল কর্মীদের মধ্যেও কোন ক্ষোভ বিক্ষোভ নেই। প্রার্থী এলাকায় এলো কি না এলো তাতে ভোটে কোন প্রভাবই পড়বে না বলেই দাবী করেছেন এলাকার বিধায়ক সওকত মোল্লা। তিনি বলেন, “ রাজ্যের বিয়াল্লিশটি কেন্দ্রেই আমাদের প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমরা বা আমাদের তৃণমূল কর্মীরা তাকে দেখেই ভোট দেবো। শুধু ভোট দেবো তাই নয়, রাজ্যের মধ্যে সবথেকে বেশী লক্ষাধিক ভোটের লিড এই ক্যানিং পূর্ব বিধানসভাই দেবে তৃণমূল প্রার্থীকে। বিরোধীরা যতই এই বিধানসভাকে অতি স্পর্শকাতর এলাকা বলে অভিযোগ করুন না কেন আমরা চ্যালেঞ্জ করছি প্রতিটা বুথে দশজন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করলেও এই ফল বদলাতে পারবেন না কেউ”। স্থানীয় মানুষজন ও একেবারে নিচুতলার তৃণমূল কর্মীদের দাবী, “এই এলাকায় ভোট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর সওকত মোল্লাকে দেখেই হবে। গত ক’বছরে এলাকায় এতো উন্নয়ন হয়েছে যে রাজ্যের অন্য কোন বিধানসভা এলাকায় হয়েছে কিনা আমাদের জানা নেই। তাই এই ভোটে কে দাঁড়িয়েছেন তা নিয়ে আমাদের মাথাব্যাথা নেই। আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর সওকত মোল্লাকে দেখেই ভোট দেব”। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক তৃণমূল কর্মী বলেন, “প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডল এলাকায় এলে বরং তার ভোট কমে যেতে পারে। কারন এলাকার বহু মানুষ বিভিন্ন কারণে তার উপর ক্ষুব্ধ আছেন। গত পাঁচ বছরে এলাকার মানুষ তাকে সেভাবে পাশেই পায়নি”। সওকত মোল্লা আরও বলেন, “ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এবং দিল্লীতে তার হাত শক্ত করতে ইতিমধ্যেই আমরা ভোটের ময়দানে নেমেছি। প্রার্থী ছাড়াই ভোটের প্রচার, দেওয়াল লিখন সবই হচ্ছে। বুথ ভিত্তিক কর্মী বৈঠক ও হচ্ছে প্রায়দিন। তবে আগামী কুড়ি তারিখ ক্যানিং ২ ব্লকের মহিলা তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে জীবনতলায়। সেই সভায় প্রার্থীর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে”। এখনো পর্যন্ত কেন ক্যানিং পূর্ব বিধানসভায় ভোটের প্রচারে যাননি প্রতিমা দেবী, সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “ক্যানিং পূর্ব বিধানসভায় আমাদের সভা আছে আগামী ২০ তারিখ। এছাড়াও একাধিক কর্মসূচী করার কথা রয়েছে। আমাদের ভোটটা তো শেষ দফায় তাই সেভাবে এখনো ওই এলাকায় যাওয়া হয়ে ওঠেনি”। যদিও এ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিরোধী প্রার্থীরা। জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের আরএসপি প্রার্থী সুভাষ নস্কর বলেন, “ আমরা ওই এলাকায় কি প্রচারে যাব, আমাদের দেওয়াল লিখতে দেওয়া হচ্ছে না, পতাকা ফেস্টুন টাঙাতে ও দেওয়া হচ্ছে না। কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি ও দেওয়া হচ্ছে। তবে আগামী দু চারদিনের মধ্যে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে ওই এলাকার বুথে বুথে গিয়ে প্রচারের কর্মসূচী আছে আমাদের”। সুভাষবাবুর সুরে সুর মিলিয়ে একই দাবি করেছেন এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডাঃ অশোক কাণ্ডারি। কার্যত তারা এই এলাকায় তাদের উপর সন্ত্রাস ও হামলার ভয়েই এখনও ভোটের প্রচারে যাননি। এমনকি এলাকায় একটি দেওয়াল ও বিরোধীদলের পক্ষে লেখা সম্ভব হয়নি বলেও অভিযোগ তাদের। হিন্দুস্থান সমাচার / প্রসেনজিত
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image