Hindusthan Samachar
Banner 2 शुक्रवार, अप्रैल 19, 2019 | समय 06:33 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

পয়লা বৈশাখে রাজধানী ঢাকা ঢেকে যাবে নিরাপত্তার চাদরে

By HindusthanSamachar | Publish Date: Apr 11 2019 9:57PM
পয়লা বৈশাখে রাজধানী ঢাকা ঢেকে যাবে নিরাপত্তার চাদরে
ঢাকা, ১১ এপ্রিল(হি.স.) : পয়লা বৈশাখে কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হচ্ছে রাজধানীকে। বিশেষ দৃষ্টি থাকবে রমনা পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদ থেকে পুরো শোভাযাত্রাস্থল এবং মিরপুর সড়কে আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের দিকে। রমনায় ভোর ছ’টায় শুরু হবে ঐতিহ্যবাহী ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। সকাল দশটায় চারুকলা থেকে বেরোয় মঙ্গল শোভাযাত্রা।আর সুরের ধারা পয়লা বৈশাখের আগের সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র চত্বরে শুরু করে চৈত্র সংক্রান্তির অনুষ্ঠান যা পরদিন সকালে নববর্ষ বরণের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। এছাড়া রাজধানী জুড়ে বসে বৈশাখী মেলা ও নানা সংগঠনের সাংস্কৃতিক আয়োজন।এবার বাংলাদেশের বর্ষপঞ্জী অনুযায়ী পয়লা বৈশাখ পড়ছে রবিবার। ২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখের সকালে ঢাকায় রমনা বটমূলে ছায়ানটের ঐতিহ্যবাহী বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা চালিয়ে ১০ জনকে হত্যা করা হয়। আর এই ঘটনায় শতাধিক আহতের মধ্যে অনেকেই এখনও পঙ্গু হয়ে আছেন। এই হামলার মধ্য দিয়ে জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশ (হুজিবি বা হুজি ) তাদের শক্ত অবস্থানের জানান দিয়েছিল। মামলার অভিযোগে বলা হয়, পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠান ‘ইসলামবিরোধী’ বিবেচনা করে ২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা চালানো হয়। আজ সকাল ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদিক সম্মেলনে কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বরাবরের মতো চারুকলা অনুষদ চত্বর থেকে বের হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা। এই শোভাযাত্রার সামনে, পেছনে ও দুই পাশে থাকবে নিরাপত্তা বলয়। মাঝপথে কেউ শোভাযাত্রায় প্রবেশ করতে পারবে না। যারা অংশ নিতে চাইবে তাদের সবাইকে চারুকলা চত্বর থেকে অংশ নিতে হবে। নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে মাঝপথে কেউ মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিতে পারবে না। তিনি বলেন, এবার শোভাযাত্রা চারুকলা চত্বর থেকে বের হয়ে শাহবাগ মোড়, ঢাকা ক্লাবের সামনে থেকে ঘুরে আবার শাহবাগ মোড় ও ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র হয়ে চারুকলায় এসে শেষ হবে। ডিএমপি কমিশনার জানান, শোভাযাত্রায় কোনও ধরনের মুখোশ পরা যাবে না। সব ধরনের মুখোশ ও ভুভুজেলা নিষিদ্ধ থাকবে। তিনি জানান, পয়লা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে পুরো ঢাকা শহরে সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বড় বড় অনুষ্ঠানস্থলগুলো ডগ স্কোয়াড দিয়ে ও ম্যানুয়ালি সুইপ করা হবে। পোশাকে ও সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য অনুষ্ঠানস্থলে থাকবেন। ধানমন্ডি লেক ও রমনা লেকে নৌ টহল থাকবে।এছাড়া যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় সোয়াট ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে। একই সঙ্গে ফায়ার ফাইটিংয়ের জন্য সব ব্যবস্থাপনা রাখা হবে। আছাদুজ্জামান মিয়া আরও জানান, রমনা বটমূল ও সোহরাওয়ার্দী এলাকার অনুষ্ঠান ছাড়াও রাজধানীর প্রত্যেকটি এলাকায় আয়োজিত বৈশাখ বরণের অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এবার জরুরি সেবা তথ্য জানাতে স্থাপন করা হয়েছে শতাধিক মাইক। কেউ হারিয়ে গেলে, কিছু খোয়া গেলে কিংবা অন্য যে কোনও জরুরি তথ্য কেন্দ্রীয় মাইকিং ব্যবস্থাপনায় জানানো হবে। গতবারের মতো এবারও পয়লা বৈশাখের সব অনুষ্ঠানস্থল থাকবে ধূমপান মুক্ত। তবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এবার বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে কোনও নিরাপত্তা শঙ্কা নেই। নগরবাসীর নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে আমরা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। নগরবাসীর নিরাপত্তার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে যা যা করণীয় তা করা হবে। আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকবো। কোনও ধরণের নাশকতার চেষ্টা হলে সেখানে যাতে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারি সে ধরণের প্রস্তুতি আমাদের থাকবে।সব অনুষ্ঠানস্থল ঘিরে পর্যাপ্ত সংখ্যক পোশাকে ও সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, রমনা পার্ক এলাকায় কন্ট্রোল রুম থাকবে। সেখান থেকে সর্বক্ষণ সবকিছু মনিটরিং করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে। আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ইতিমধ্যে বলা হয়েছে রমনা পার্কে প্রবেশ করার জন্য তিনটি এবং বের হওয়ার জন্য দুটি গেট থাকবে। প্রবেশ-বাহির গেট থাকবে ৩টি। বিকাল পাঁচটার পর অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ বন্ধ হয়ে যাবে।আর উন্মুক্ত স্থানে সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরণের অনুষ্ঠান কর্মসূচি বন্ধ থাকবে। পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে দা, কাচি, ছুরি, দাহ্য পদার্থ, ব্যাগ, বহন করা যাবে না। তবে নারীরা ছোট পার্স ব্যবহার করতে পারবেন। হিন্দুস্থান সমাচার/বাসুদেব/অর্পিতা / কাকলি
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image